কে নিবি ফুল কে নিবি ফুল

বাণী

		কে নিবি ফুল, কে নিবি ফুল —
		টগর যূথী, বেলা মালতী
		চাঁপা, গোলাপ, বকুল, নার্গিস ইরানি-গুল।।
		আমার যৌবন-বাগানে
		হাওয়া লেগেছে ফুল-জাগানে,
		চ'লে যেতে ঢ'লে পড়ি, খুলে পড়ে এলো চুল;
		তনু-মন আকুল আঁখি ঢুলুঢুল্‌।।
(ওগো) 	ফুটেছে এত ফুল, ফুলমালী কই?
		গাঁথিবে মালা কবে? সেই আশে রই;
		এ মালা দেব কা'রে ভেবে সারা হই,
		সহিতে পারি না এ ফুল-ঝামেলা, চামেলি-পারুল।।

রঘুকুলপতি রামচন্দ্র আওধকে অধিকারী

বাণী

রঘুকুলপতি রামচন্দ্র আওধকে অধিকারী।
সুর-নর-জন পূজে চরণ, মুনি-জন ভয়হারী।।
	ঝলকে অরুণ বদন-কমল,
	নীল-পদ্ম নয়ন যুগল
দশরথ-সুত সীতাপতি তপবন বনচারী।।
সত্য ধর্ম পালক-প্রভু, রাজমুকট-ত্যাগী
রত্নাকর শাসক অরু, অনুজকে অনুরাগী।
	শিলা সতী অহল্যা ত্রাতা,
	জগৎ-পূজ্য, জগৎ-পাতা।
লঙ্কা-পতি মোক্ষদাতা অসুর-নিধনকারী।।

আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে

বাণী

আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে
কোন্ অতিথি এলো ফুল-বীথিতে॥
যদি বেদনা পায় বঁধু পথ চলিতে
তাই চেয়েছি বনপথ ফুল কলিতে
জানি ভাল জান হে বঁধু ফুল দলিতে
এসো বঁধু সুমধুর প্রীতিতে॥
এসো মনের মন্দিরে দেবতা আমার
লহ প্রেমের চন্দন আঁখি জলহার
আজি সফল করো সাধ আমার পূজার
চির জনম রহ মোর স্মৃতিতে॥

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে

বাণী

মরম-কথা গেল সই মরমে ম’রে।
শরম বারণ যেন করিল চরণ ধ’রে।।
ছল ক’রে কত শত সে মম রুধিত পথ
লাজ ভয়ে পলায়েছি সে ফিরেছে ব্যথাহত
অনাদরে প্রেম-কুসুম গিয়াছে ম’রে।।
কত যুগ মোর আশে ব’সে ছিল পথ-পাশে
কত কথা কত গান জানায়েছে ভালোবেসে
শেষে অভিমানে নিরাশে গিয়াছে স’রে।।

কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা

বাণী

কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার।
ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।।
		আমি তারে নাহি জানি
		তার সুরের সূত্রখানি,
তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।।
তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’,
কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’।
		আমার রাতের নিদে
		তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে,
যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।

আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা

বাণী

আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা পিচ্‌কারিতে
আজ শ্যামে লো করব ঘায়েল আবির হাসির টিট্‌কারিতে।।
রঙে রাঙা হয়ে শ্যাম আজ হবে যেন রাই কিশোরী
যমুনা জল লাল হবে আজ আবির ফাগের রঙে ভরি
কপালে কলঙ্ক মোদের ধুয়ে যাবে রঙ ঝারিতে।।
গুরুজনার গঞ্জনা আজ
সইব না লো মানব না লাজ
কূল ভুলে গোকুল পানে ভেসে যাব রাঙা গীতে।।