এলো রে শ্রী দুর্গা

বাণী

এলো রে শ্রী দুর্গা
শ্রী আদ্যাশক্তি মাতৃরূপে পৃথিবীতে এলো রে
গভীর স্নেহরস ধারায় কল্যাণ কৃপা করুণায় স্নিগ্ধ করিতে॥
উর্ধ্বে উড়ে যায় শান্তির পতাকা
শুভ্র শান্ত মেঘ আনন্দ বলাকা
মমতার অমৃত লয়ে শ্যামা, মা হয়ে এলো রে
সকলের দুঃখ দৈন্য হরিতে॥
প্রতি হৃদয়ের শতদলে শ্রীচরণ ফেলে
বন্ধন কারার দুয়ার ঠেলে।
এলো রে দশভুজা সর্বমঙ্গলা মা হয়ে
দুর্বলে দুর্জয় করিতে নিরন্নে অন্ন দিতে॥

এত দিনে ধরা দিলে বনের পাখি

বাণী

এত দিনে ধরা দিলে বনের পাখি।
কেথায় রাখি, কোন্ প্রিয় নামে ডাকি।।
সদাই জাগে ভয়, দুরু দুরু হিয়া
কখন উড়ে যাবে বনের পাপিয়া
জেগে থাকি তাই সদা ঘুমহারা আঁখি।।
নয়নে রাখিলে, হিয়া কাঁদে অভিমানে
হিয়ায় রাখিলে, বারি ঝরে নয়নে,
তুমি ব’লে দাও প্রিয় কোথায় রাখি।।

নাটক : ‘অর্জুন-বিজয়’

আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালী মোর

বাণী

আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালীমোর কালো মেয়ে
দগ্ধ দিনেরবুকে যেমন আসে শীতল আঁধার ছেয়ে।।
	আমার হৃদয়-আঙিনাতে
	খেলবি মা তুই দিনে রাতে
মোর সকল দেহ নয়ন হয়ে দেখবে মা তাই চেয়ে চেয়ে।।
হাত ধরে মোর নিয়ে যাবি তোর খেলাঘর দেখবি মা
এইটুকু তুই মেয়ে আমার কেমন করে হ’স অসীমা।
	লুটে নিবি চতুর্ভূজা
	আমার স্নেহ প্রেম-পূজা
(মা) নাম ধরে তোর ডাকব মা যেই যেথায় থাকিস আসবি ধেয়ে।।

সপ্ত-সিন্ধু ভরি’ গীত-লহরী

বাণী

‍
সপ্ত-সিন্ধু ভরি’ গীত-লহরী।
হিল্লোলি’ হিল্লোলি’ ওঠে দিবা বিভাবরী।।
	এসো এসো বিরহী
	আমি এনেছি বহি’,
(সেই) সিন্ধুতে সাঁতরিতে সোনার তরী।।
কেন তীরের বালুকা ল’য়ে খেলিছ খেলা,
গাহন করিবে এসো (হের) ফুরায় বেলা।
	বল বল সে কবে
	অভিষেক হবে,
হে বিজয়ী! শুকাইল তীর্থ-জলের গাগরী।।

টারালা টারালা টারালা টা টারালা

বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

বুল্‌বুলি নীরব নার্গিস বনে

বাণী

বুল্‌বুলি নীরব নার্গিস–বনে।
ঝরা বন–গোলাপের বিলাপ শোনে।।
শিরাজের নওরোজে ফাল্গুন মাসে
যেন তার প্রিয়ার সমাধির পাশে,
তরুণ ইরান–কবি কাঁদে নিরজনে।।
উদাসীন আকাশ থির হ’য়ে আছে,
জল–ভরা মেঘ ল’য়ে বুকের কাছে।
সাকির শরাবের পিয়ালার ‘পরে
সকরুণ অশ্রুর বেল ফুল ঝরে,
চেয়ে আছে ভাঙা চাঁদ মলিন–আননে।।