সখি বল কোন দেশে যাই

বাণী

সখি বল কোন দেশে যাই।
সে বৃন্দা আছে সে বন আছে তবু সে বৃন্দাবন নাই —
গোবিন্দ বিনে লো বৃন্দে (বৃন্দে গো) রাধার বৃন্দাবন হয়েছে আঁধার।
বনে সীতার ছিল যে রাম, মোর বনে নাই ঘনশ্যাম।
আমি কি লয়ে থাকি, কেন দেহ রাখি।
পিঞ্জর আছে প'ড়ে, নাই শ্যাম পাখি,
আর ময়ূর ডাকে না 'কে গো' বলিয়া।
পাপিয়া ডাকে না পিয়া।
কৃষ্ণপ্রিয়া গো 'প্রিয়া প্রিয়া' বলে পাপিয়া ডাকে না পিয়া।
পথে পথে আর রহে না গো ব্রজগোপিনী আড়ি পাতিয়া।
আজি রাধার সাথে সবার আড়ি,
কৃষ্ণপ্রিয়ার কৃষ্ণ গেছে ছাড়ি'
তাই রাধার সাথে সবার আড়ি, সখি গো —
শুকায়ে গিয়াছে দ্বাদশ কুঞ্জ,
পূর্ণ চাঁদেরই ব্রজে একাদশীর তিথি,
হয়ত আবার বাজিবে বেণু তার, রবে না ব্রজে যবে রাধার স্মৃতি।।

কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি

বাণী

কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি কৃষ্ণজি।
যে কৃষ্ণ নাম জপেন ইন্দ্র-ব্রহ্মা-মহেশ্বর
যে নাম করে ধ্যান যোগী-ঋষি-সুরাসুর-নর,
এই অসীম বিশ্ব সীমা যাঁহার পায় নাকো খুঁজি -
আমি জীবনে মরণে যেন সেই নামই ভজি।।
যাঁর অনন্ত লীলা যাঁহার অনন্ত প্রকাশ
মধু কৈটভ মর কংসে যুগে যুগে করেন নাশ,
ন্যায় পাণ্ডবের হলেন সখা সারথি সাজি’
এই পাপ কুরুক্ষেত্রে কাঁদি তাঁহারেই খুঁজি’।।
যাঁর মুখে গীতা হাতে বাঁশি নূপুর রাঙা পায়
কভু শ্রীকৃষ্ণ গোকুলে কভু গোরা নদীয়ায়,
ফেরে প্রেম-যমুনার তীরে চির-রাধিকায় খুঁজি’
মোর মন গোপিনী উন্মাদিনী সেই নামে মজি’।।

আ’ মেরে সঙ্গ আ

বাণী

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্‌মিল্‌কে এয় বনমালী।
আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্‌কে এয় বনমালী॥
মুঝ্‌কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্‌মে তেরা উজালা
তু মুঝ্‌কো ধূল সমঝ্‌কে, লে লে চরণ মে আপ্‌নে
তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্‌জিল্‌ কে এয় বনমালী॥
তু হামকো খাক্‌ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া
কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ
খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥

ভক্তি ভরে পড় রে তোরা কলমা শাহাদাত

বাণী

ভক্তি ভরে পড় রে তোরা কলমা শাহাদাত।
আরশ হতে আনলেন নবী বেহেশ্‌তী দাওয়াত
			এই কল্‌মা শাহাদাত।।
পাপে তাপে আছিস্‌ ডুবে একবার বল ভুলে
কলমা শাহাদাতের বাণী, অমনি উঠবি কূলে,
নিভবে দোজখের আগুন পাবি শাফায়ত।।
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র তাবিজ বেঁধে হাতে
চল রে পথে দেখবি — আছেন নবীজী তোর সাথে,
(তোর) ইহলোকের পরলোকের মিটবে রে হসরত্।।

ভোরে স্বপনে কে তুমি দিয়ে দেখা

বাণী

	ভোরে স্বপনে কে তুমি দিয়ে দেখা, লুকালে সহসা
মোর	তপনের রাঙা কিরণ যেন ঘিরিল তমসা।।
	না ফুটিতে মোর কথার কুড়িঁ
	চপল বুলবুলি গেলে উড়ি'
গেলে	ভাসিয়া ভোরের সুর যেন বিষাদ অলসা।।
	জেগে দেখি হায়, ঝরা ফুলে আছে ছেয়ে তোমার পথতল,
	ওগো অতিথি, কাদিছেঁ বনভূমি ছড়ায়ে ফুল দল!
	মুখর আমার গানের পাখি
	নীরব হলো হায় বারেক ডাকি'
যেন	ফাগুনের জোছনা-বর্ষিত রাতে নামিল বরষা।।

মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই

বাণী

মম আগমনে বাজে আগমনীর সানাই।
সহসা প্রাতে আমি এসেছি, জানাই।।
আমি আনি দেশে দশভূজার পূজা
কোজাগরী নিশি জাগি আমি অনুজা।
	বুকে শাপ্‌লা-কমল
	মালা দোলে টলমল,
আমি পরদেশি বন্ধুরে স্বদেশে আনাই।।