বাণী
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
প্রিয় মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত (প্রিয়) তারিতে উম্মত এলে ধরায় মোহাম্মদ মোস্তফা, আমহদ মুরতজা নাম জপিতে নয়নে আঁসু ঝরায়।। দিলে মুখে তক্বির, দিলে বুকে তৌহিদ দিলে দুঃখেরই সান্ত্বনা খুশির ঈদ দিলে প্রাণে ঈমান, দিলে হাতে কোরআন শিরে শিরতাজ নাম মুসলিম আমায়।। তব সব নসিহত মোরা গিয়াছি ভুলে শুধু নাম তব আছে জেগে প্রাণের কূলে ও-নামে এ প্রাণ-সিন্ধু তব দুলে আমি ঐ নামে ত’রে যাব, আছি আশায়।।
রাগঃ
তালঃ ঝাঁপতাল

কাঁদিছে তিমির-কুন্তলা সাঁঝ আমার হৃদয় গগনে। এসো প্রিয়া এসো বঁধূ-বেশে এই বিদায়-গোধূলি-লগনে।। দিনের চিতার রক্ত-আলোকে শুভ-দৃষ্টি গো হবে চোখে চোখে, আমার মরণ-উৎসব-ক্ষণে শঙ্খ বাজুক সঘনে।। চাঁদের প্রদীপ জ্বালাইয়া হের খুঁজিছে মোদেরে তারাদল, সজল-বসনা বাদল-পরীর নয়ন করিছে ছল ছল।। মরণে তোমারে পাইব বলিয়া জীবনে করেছি আরাধনা প্রিয়া, এসো মায়ালোক-বিহারিণী মোর কুহেলি-আঁধার-স্বপনে।।
রাগঃ ধানশ্রী
তালঃ একতাল
আসল যখন ফুলের ফাগুন, গুল্-বাগে ফুল চায় বিদায়। এমন দিনে বন্ধু কেন বন্ধুজনে ছেড়ে যায়॥ মালঞ্চে আজ ভোর না হতে বিরহী বুলবুল কাঁদে, না ফুটিতে দলগুলি তার ঝর্ল গোলাব হিম-হাওয়ায়॥ পুরানো গুল-বাগ এ ধরা, মানুষ তাহে তাজা ফুল, ছিঁড়ে নিঠুর ফুল-মালী আয়ুর শাখা হতে তায়॥ এই ধূলিতে হল ধূলি সোনার অঙ্গ বে-শুমার, বাদশা অনেক নূতন বধূ ঝরল জীবন-ভোরবেলায়॥ এ দুনিয়ার রাঙা কুসুম সাঁজ না হতেই যায় ঝ’রে, হাজার আফ্সোস, নূতন দেহের দেউল ছেড়ে প্রাণ পালায়॥ সামলে চরণ ফেলো পথিক, পায়ের নিচে মরা ফুল আছে মিশে এই সে ধরার গোরস্থানে এই ধূলায়॥ হল সময় — লোভের ক্ষুধা মোহন মায়া ছাড় হাফিজ, বিদায় নে তো ঘরের কাছে দূরের বঁধূ ডাকছে আয়॥
রাগঃ দুর্গা-মান্দ
তালঃ কাওয়ালি
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

(মা) ওমা তোর ভুবনে জ্বলে এত আলো আমি কেন অন্ধ মাগো দেখি শুধু কালো॥ মা সর্বলোকে শক্তি ফিরিস নাচি ওমা আমি কেন পঙ্গু হয়ে আছি ওমা ছেলে কেন মন্দ হল জননী যার ভালো॥ তুই নিত্য মহা প্রসাদ বিলাস কৃপার দুয়ার খুলি চির শুন্য রইল কেন আমার ভিক্ষা ঝুলি। বিন্দু বারি পেলাম না মা সিন্ধুজলে রয়ে মা ও তোর চোখের কাছে পড়ে আছি চোখের বালি হয়ে মোর জীবন্মৃত এই দেহে মা চিতার আগুন জ্বালো॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বাজ্ল কি রে ভোরের সানাই নিদ্-মহলার আঁধার-পুরে শুন্ছি আজান গগন-তলে আঁধার-রাতের মিনার-চূড়ে।। সরাই-খানার্ যাত্রীরা কি ‘বন্ধু জাগো’ উঠ্ল হাঁকি’? নীড় ছেড়ে ঐ প্রভাত-পাখি গুলিস্তানে চল্ল উড়ে’।। তীর্থ-পথিক্ দেশ-বিদেশের আর্ফাতে আজ জুট্ল কি ফের, ‘লা শরীক আল্লহু’ মন্ত্রের নাম্ল কি বান পাহাড় ‘তূরে’।। আজকে আবার কা’বার পথে ভিড় জমেছে প্রভাত হ’তে, নামল কি ফের্ হাজার স্রোতে ‘হেরার’ জ্যোতি জগৎ জুড়ে।। আবার ‘খালেদ’ ‘তারেক’ ‘মুসা’ আনল কি খুন-রঙিন ভূষা, আস্ল ছুটে’ হাসীন ঊষা নও-বেলালের শিঁরিন সুরে।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা
