বাজিছে বাঁশরি কার অজানা সুরে

বাণী

বাজিছে বাঁশরি কার অজানা সুরে।
ডাকিছে সে যেন তার সুদূর বঁধুরে।।
তারা-লোকের সাথীরে যেন সে চাহে ধরাতে,
তারি কাঁদন যেন ঝরা কুসুমে ঝুরে।।
চাঁদের স্বপন ল’য়ে জাগে সে নিশীথ একা,
নিরালা গাহে গান হায় বিষাদ-মধুরে।।
তাহারি অভিমান যেন উঠিছে বাতাসে কাঁপি’,
তাহারি বেদনা দূর আকাশে ঘুরে।।

ব্যথার আগুনে হৃদয় আমার

বাণী

ব্যথার আগুনে হৃদয় আমার
		জ্বলিছে দিবস রাতি গো।
কাঁদিতে আসিলে এ তনু শ্মশানে
		কে তুমি ব্যথার ব্যথী গো॥
মুছিয়া গিয়াছে চন্দনের লেখা
খুলে শুকাইয়া গিয়াছে মন্দারের মালা
নিভেছে আশা দীপ আজি অবেলায়
		কে তুমি রাতের সাথি গো॥

আর অনুনয় করিবে না কেউ

বাণী

আর অনুনয় করিবে না কেউ কথা কহিবার তরে
আর দেখিবে না স্বপন রাতে গো কেহ কাদেঁ হাত ধ'রে।
	তব মুখ ঘিরে আর মোর দু' নয়ন
	ভ্রমরের মত করিবে না জ্বালাতন
তব পথ আর পিছল হবে না আমার অশ্রু ঝরে'।
তোমার ভুবনে পড়িবে না আর কোনদিন ছায়া মম
তোমার পূর্ণ-চাদেঁর তিথিতে আসিব না রাহু-সম।
	আর শুনিবে না করুণ কাতর
	এই ক্ষুধাতুর ভিখারির স্বর
শুনিবে না আর কাহারও রোদন রাতের আকাশ ভ'রে।।

অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে

বাণী

অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা।
বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।।
	আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে
		পায়ে ধরে কাঁদতে হবে
		শাপ্‌লা মধু পানের আগে
দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্‌লা কাঁটার জ্বালা।।

নাটকঃ ‘মধুমালা’

মা গো আমায় শিখাইলি কেন আল্লা নাম

বাণী

মা গো আমায় শিখাইলি কেন আল্লা নাম।
নাম জপিলে আর হুঁশ থাকে না, ভুলি সকল কাম।।
লোকে বলে, আল্লাতালায় যায় না নাকি পাওয়া
ও-নাম জপিলে প্রাণে কেন বহে দখিন হাওয়া।
ও-নাম জপিলে হিয়ার মাঝে কেন এত ব্যথা বাজে,
কে তবে মা আমার বুকে কাঁদে অবিরাম।।
পুরুষরা সব মস্‌জিদে যায় আমি ঘরে কাঁদি
কে যেন কয় কানের কাছে তুই যে আমার বাঁদি —
			তাই ঘরে রাখি বাঁধি’।
মা গো আমার নামাজ রোজা খোদায় ভালোবাসা
ঐ নাম জপিলেই মেটে আমার বেহেশ্‌তের পিয়াসা,
শত ঈদের চাঁদও দিতে নারে আল্লাহ্ নামের দাম।।

মাধব গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ মুরারি

বাণী

মাধব গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ মুরারি॥
কহ নাম মুখে গাহ সুখে দুখে
মণিহারই করে গেঁথে রাখ বুকে
	গোলকে হরি তার সখা সাথী প্যারী॥
পেল না ব্রহ্মা শিব ধেয়ানে যাহারে
বাঁধিল গোকুলে গোয়ালিনী তারে
	যুগে যুগে সে যে প্রেমের ভিখারি॥
লীলা রসে তাহার ডুবে রও অবিরাম
এ সংসার হবে রে সুমধুর ব্রজধাম
	ধরিবেন হৃদয়ে তোরে গিরিধারী॥