আঁখি তোল আঁখি তোল না

বাণী

	আঁখি তোল আঁখি তোল না,
	দানো করুণা, ওগো অরুণা,
	মেলি’ নয়ন জীর্ণ কানন কর তরুণা।।
	আঁখি যে তোমার বনের পাখি —
	ঘুম যে ভাঙায় আঁধারে ডাকি’,
	আলোর-সাগর জাগাও বরুণা।।
তব 	আনত আঁখির পাতার কোলে
	তরুণ আলোর মুকুল দোলে।
	রঙের কুমার দুয়ারে জাগে,
	তোমার আঁখির প্রসাদ মাগে,
	পাণ্ডুর ভোর হোক তরুণারুণা।।

রুম্‌ ঝুম্‌ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে

বাণী

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে
বন-পথে যায় কে বালিকা, গলে শেফালিকা,
		মালতী মালিকা দোলে॥
চম্পা মুকুলগুলি চাহে নয়ন তুলি’
নাচে নট-বিহগ শিখী তরুতলে॥

বরণ করেছি তারে সই

বাণী

বরণ করেছি তারে সই বারণ ক’রো না
মরম সঁপেছি তারে নিতে মরণ যাতনা।।
	গোপনে সঁপেছি মন
	গোপনে করি যতন,
কাঁদে প্রাণ তারি তরে, মিলিতে বাসনা।।

তুমি বর্ষার ঝরা চম্পা

বাণী

তুমি	বর্ষার ঝরা চম্পা, তুমি যূথিকা-অশ্রুমতী।
তুমি	কুহেলি-মলিন ঊষা, তুমি বেদনা-সরস্বতী।।
	কদম-কেশর-কীর্ণা
তুমি	পুষ্প-বীথিকা শীর্ণা,
হ’লে	ধরণীতে অবতীর্ণা —
	ক্ষীণ তারকা স্নিগ্ধ জ্যোতি।।
	মন্দ-স্রোতা মন্দাকিনী তুমি কি অলকানন্দা,
	আঁধারের কালো-কুন্তল-ঢাকা তুমি কি ধূসর সন্ধ্যা?
			পাষাণ-দেবতা-চরণে
			তুমি মরেছ অমর মরণে,
তুমি	অঞ্জলি ঝরা কুসুমের, তুমি ব্যর্থ ব্যথা-আরতি।।

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে

বাণী

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে।
বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।।
	কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে
	নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে,
কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।

নাটক : ‘সর্বহারা’

রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে

বাণী

রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে
আকুল শিখি নাচে ঘন দরশে॥
বারির দরশনে আজি ক্ষণে ক্ষণে
নব নীরদ শ্যাম রূপে পড়ে মনে
না-জানি কোন্ দেশে কোন্ প্রিয়া সনে
রয়েছে ভুলিয়া নটবর সে॥