রুম্‌ ঝুম্‌ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে

বাণী

রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ নূপুর বোলে
বন-পথে যায় কে বালিকা, গলে শেফালিকা,
		মালতী মালিকা দোলে॥
চম্পা মুকুলগুলি চাহে নয়ন তুলি’
নাচে নট-বিহগ শিখী তরুতলে॥

ব্রজে আবার আসবে ফিরে আমার ননী-চোরা

বাণী

ব্রজে আবার আসবে ফিরে আমার ননী-চোরা
	আর কাঁদিস্‌নে গো তোরা।
স্বভাব যে ওর লুকিয়ে থেকে কাঁদিয়ে পাগল করা —
	আর কাঁদিস্‌নে গো তোরা।
	আমি যে তার মা যশোদা
	সে আমারেই কাঁদায় সদা,
যেই কাঁদি সে যায় যে ভুলে বনে বনে ঘোরা॥
মথুরাতে আমার গোপাল রাজা হ’ল নাকি,
যেখানে যায়, সে রাজা হয় (তোরে) ভুল দেখেনি আঁখি।
	সে রাজা যদি হয়েই থাকে
	তাই ব’লে কি ভুলবে মাকে,
আমি হব রাজ-মাতা, তাই ওর রাজবেশ পরা॥

সংসারেরি দোলনাতে মা ঘুম পাড়িয়ে

বাণী

সংসারেরি দোলনাতে মা ঘুম পাড়িয়ে কোথায় গেলি?
আমি অসহায় শিশুর মত ডাকি মা দুই বাহু মেলি’।।
	অন্য শক্তি নাই মা তারা
	‘মা’ বুলি আর কান্না ছাড়া,
তোরে না দেখলে কেঁদে উঠি, আবার কোল পেলে মা হাসি খেলি।।
(ও মা) ছেলেকে তোর তাড়ন করে মায়ারূপী সৎমা এসে।
আবার ছয় রিপুতে দেখায় মা ভয় পাপ এলো পুতনার বেশে।
	মরি ক্ষুধা তৃষ্ণাতে মা
	শ্যামা আমার কোলে নে মা।
আমি ক্ষণে চমকে উঠি ভাবি দয়াময়ী মা কি এলি।।

১. পাপবর্গী এলো দেশে।

বনে বনে জাগে কি আকুল হরষণ

বাণী

বনে বনে জাগে কি আকুল হরষণ।
ফুল-দেবতা এলো দিতে ফুল-পরশন।।
হরিৎতর আজি পল্লব বন-বাস
মুকুল-জাগানিয়া সমীরণ ফেলে শ্বাস,
বেপথু লতা যাচে মধুপের দরশন।।
কিশোর-হিয়া-মাঝে যৌবন-দেবতা,
গোপনে আনে নব জাগরণ-বারতা
বঁধূর সাথে খোঁজে বঁধু বন-নিরজন।।

যদি আমি তোমায় হারাই

বাণী

যদি আমি তোমায় হারাই, তুমি যেয়ো না নাথ হারিয়ে।
আমি পথ হারালে ধ’রো আমায় আঁধারে হাত বাড়িয়ে।।
	ঝড়-বাদলে নিশীথ-রাতে
	লুকিয়ে চ’লো আমার সাথে,
ফুলের কাছে নিয়ে যেয়ো কাঁটার বাধা ছাড়িয়ে।।
তোমায় দেওয়া এ প্রাণ যদি অন্যে চাহি দানিতে,
তুমি যেন ‘না’ বোলো না কঠোর আঘাত হানিতে।
	চঞ্চল মোর চিত্ত যেন
	তোমার পায়ে টেনে এনো
তোমার পূজা শিখায়ো নাথ তুমিই পাশে দাঁড়িয়ে।।

১. অন্ধকারে ধরো আমায় সহসা হাত বাড়িয়ে।।

আর্শিতে তোর নিজের রূপই দেখিস

বাণী

আর্শিতে তোর নিজের রূপই দেখিস চেয়ে' চেয়ে'
আমায় চেয়ে দেখিস না তাই রূপ-গরবী মেয়ে।
		ওলো রূপ-গরবী মেয়ে।।
	নাইতে গিয়ে নদীর জলে
	দেরি করিস নানান ছলে
ওরে	ভাবিস তোরে দেখতে কখন আসবে জোয়ার ধেয়ে।।
	চাদেঁর সাথে মিলিয়ে দেখিস চাঁদপানা মুখ তোর
	ভাবিস তুই-ই আসল শশী চাঁদ যেন চকোর
		ওলো চাঁদ যেন চকোর।
	বনের পথে আনমনে
	দাঁড়িয়ে থাকিস অকারণে
ওরে	ভাবিস তোরে দেখেই বুঝি বিহগ ওঠে গেয়ে'।