বাণী
প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া
ভিডিও
স্বরলিপি

প্রভাত বীণা তব বাজে হে উদার অম্বর মাঝে হে।। তুষার কান্তি তব প্রশান্তি শুভ্র আলোকে রাজে হে।। তব আনন্দিত গভীর বাণী শোনে ত্রিভুবন যুক্ত পাণি মন্ত্রমুগ্ধ ভাব গঙ্গা নিস্তরঙ্গা লাজে হে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তোওড়া

প্রেমের হাওয়া বইল যখন মুকুল গেল ঝ’রে। প্রদীপ নিভে রইল, যখন তুমি এলে ঘরে।। তোমার আসার লগ্ন এলো যে-দিন আশা ফুরিয়ে গেল, মন গিয়াছে ম’রে যখন পেলাম মনোহরে।। আঘাত দিয়ে দিয়ে যে-দিন করলে পাষাণ মোরে, সেদিন নিয়ে বসালে হায়! তোমার ঠাকুর ঘরে। তোমার শুভ দৃষ্টি লাগি’ বহু সে-যুগ ছিলাম জাগি’ আজি কি বেলা-শেষে তুমি এলে স্বয়ম্বরে।।
রাগঃ
তালঃ
হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

যুগ যুগ ধরি লোকে-লোকে মোর প্রভুরে খুঁজিয়া বেড়াই; সংসারে গেহে , প্রীতি ও স্নেহে আমার স্বামী বিনে নাই সুখ নাই।। তার চরণ পাবার আশা ল'য়ে মনে ফুটিলাম ফুল হয়ে কত বার বনে, পাখি হয়ে তার নাম শত বার গাহিলাম তবু হায় কভু তার দেখা নাহি পাই।। গ্রহ তারা হয়ে খুঁজেছি আকাশে, দিকে দিকে ছুটেছি মিশিয়া বাতাসে, পর্বত হয়ে নাম কোটি যুগ ধিয়ালাম, নদী হয়ে কাঁদিলাম খুঁজিয়া বৃথাই।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা

ত্রাণ কর মওলা মদিনার, উম্মত তোমার গুনাহ্গার কাঁদে। তব প্রিয় মুসলিম দুনিয়া পড়েছে আবার গুনাহের ফাঁদে।। নাহি কেউ ঈমানদার, নাহি নিশান-বরদার, মুসলিম জাহানে নাহি আর পরহেজগার, জামাত শামিল হতে যায় না মসজিদে, পড়ে নাকো কোরআন মানে না মুর্শিদে; ভুলিয়াছে কল্মা শাহাদাত, পড়ে না নামাজ ঈদের চাঁদে।। নাহি দান খয়রাত, ভুলে মোহ ফাঁসে মেতে আছে সবে বিভবে বিলাসে; বসিয়াছে জালিম শাহী তখ্তে তব — মজলুমের এ ফরিয়াদ আর কাহে কব, তলোয়ার নাহি আর, পায়ে গোলামীর জিঞ্জির বাঁধে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোরা যারে এখনি হালিমার কাছে লয়ে ক্ষীর সর ননী আমি খোয়াবে দেখেছি কাঁদিছে মা বলে আমার নয়ন-মণি॥ মোর শিশু আহমদে যেদিন কাঁদিয়া হালিমার হাতে দিয়াছি সঁপিয়া সেই দিন হ’তে কেঁদে কেঁদে মোর কাটিছে দিন রজনী॥ পিতৃহীন সে সন্তান হায় বঞ্চিত মা’র স্নেহে তারে ফেলে দূরে কোল খালি করে (আমি) থাকিতে পারি না গেহে। অভাগিনী তার মা আমিনায় মনে করে সে কি আজো কাঁদে হায় বলিস তাহারি আসার আশায় দিবানিশি দিন গণি॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
