বাণী
অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর উলু দে রে শঙ্খ বাজা প্রদীপ তুলে ধর।। তপস্যাহীন পাপীর দেশে মা এসেছে ভালোবেসে, বিনা পূজায় মায়ের রূপে এলো বিধির বর।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
স্বরলিপি

অন্নপূর্ণা মা এসেছে অন্নহীনের ঘর উলু দে রে শঙ্খ বাজা প্রদীপ তুলে ধর।। তপস্যাহীন পাপীর দেশে মা এসেছে ভালোবেসে, বিনা পূজায় মায়ের রূপে এলো বিধির বর।।
নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বাদল বায়ে মোর নিভিয়া গেছে বাতি। তোমার ঘরে আজ উৎসবের রাতি।। তোমার আছে হাসি, আমার আঁখি-জল তোমার আছে চাঁদ, আমার মেঘ-দল, তোমার আছে ঘর, ঝড় আমার সাথী।। শূন্য করি’ মোর মনের বন-ভূমি, সেজেছ সেই ফুলে রানীর সাজে তুমি। নব বাসর-ঘরে যাও সে-সাজ প’রে, ঘুমাতে দাও মোরে কাঁটার সেজ পাতি’।।
রাগঃ দেশ
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি
এসো এসো রস-লোক বিহারী এসো মধুকর-দল। এসো নভোচারী — স্বপন-কুমার এসো ধ্যান-নিরমল।। এসো হে মরাল কমল-বিলাসী, বুলবুল পিক সুর-লোক-বাসী, এসো হে স্রষ্টা এসো অ-বিনাশী এসো জ্ঞান-প্রোজ্জ্বল।। দীওয়ানা প্রেমিক এসো মুসাফির — ধূলি-ম্লান তবু উন্নত শির, আমরা-অমৃত-জয়ী এসো বীর আনন্দ বিহ্বল।। মাতাল মানব করি’ মাতামাতি দশ হাতে যবে লুটে যশ খ্যাতি, তোমরা সৃজিলে নব দেশ জাতি অগোচর অচপল।। খেল চির-ভোলা শত ব্যথা স’য়ে সংঘাত ওঠে সঙ্গীত হ’য়ে, শত বেদনার শতদল ল’য়ে লীলা তব অবিরল।। ভুলি’ অবহেলা অভাব বিষাদ ধরণীতে আনো স্বর্গের স্বাদ, লভি’ তোমাদের পুণ্য প্রসাদ পেনু তীর্থের ফল।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ একতাল
দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার ঘনশ্যাম তোমারি নয়নে। আমি হেরি যে নিখিল বিশ্বরূপ-সম্ভার তোমারি নয়নে॥ তুমি পলকে ধর নাথ সংহার-বেশ হও পলকে করুণা-নিধান পরমেশ। নাথ ভরা যেন বিষ অমৃতের ভান্ডার তোমার দুই নয়নে॥ ওগো মহা-শিশু, তব খেলা-ঘরে একি বিরাট সৃষ্টি বিহার করে, সংসার চক্ষে তুমিই হে নাথ, সংসার তোমারি নয়নে॥ তুমি নিমেষে রচি নব বিশ্বছবি ফেল নিমেষে মুছিয়া হে মহাকবি, করে কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড ভুবন-সঞ্চার তোমারি নয়নে॥ তুমি ব্যাপক ব্রহ্ম চরাচরে জড় জীবজন্তু নারী-নরে, কর কমল-লোচন, তোমার রূপ বিস্তার হে আমারি নয়নে॥
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা

ব্রজের দুলাল ব্রজে আবার আসবে ফিরে কবে? জাগবে কি আর ব্রজবাসী ব্যাকুল বেণুর রবে? বাজবে নূপুর তমাল-ছায়ায় বইবে উজান হৃদ্-যমুনায়, অভাগিনী রাধার কি আর তেমন সুদিন হবে? সখী গো! গোঠে নাহি যায় রাখালেরা আর লুটায়ে কাঁদে পথের ধূলায়, ধেনু ছুটে যায় মথুরা পানে না হেরি গোঠে রাখাল-রাজায়। উড়িয়া গিয়াছে শুক-সারি পাখি শুনি না কৃষ্ণ-কথা (আর), শ্যাম-সহকার তরুরে না-হেরি শুকালো মাধবী-লতা। শ্যাম বিনে নাই সে শ্যাম-কান্তি, শুকায়েছে সব। কদম তমাল তরু পল্লব হাসি উৎসব শুকায়েছে সব। সখি গো — চির-বসন্ত ছিল যথা আজ সেথা শূন্যতা হাহাকার রবে কাঁদে শ্যাম (হে) ললিতা বিশাখা নাই, নাই চন্দ্রাবলী নাই ব্রজে শ্রীদাম সুদাম। (সখী গো)
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

শূন্য এ–বুকে পাখি মোর আয় ফিরে আয় ফিরে আয়! তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল অকালে ঝরিয়া যায়।। তুই নাই ব’লে ওরে উন্মাদ পান্ডুর হ’ল আকাশের চাঁদ, কেঁদে নদী–জল করুণ বিষাদ ডাকে: ‘আয় ফিরে আয়’।। গগনে মেলিয়া শত শত কর খোঁজে তোরে তরু, ওরে সুন্দর! তোর তরে বনে উঠিয়াছে ঝড় লুটায় লতা ধূলায়! তুই ফিরে এলে, ওরে চঞ্চল আবার ফুটিবে বন ফুল–দল ধূসর আকাশ হইবে সুনীল তোর চোখের চাওয়ায়।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল
শিল্পীঃ মনোময়
