কে তুমি এলে হেলে দুলে

বাণী

কে তুমি এলে হেলে দুলে।
প্রাণের গাঙে লহর তুলে।।
তোমার চটুল চরণ ছন্দে
মন-ময়ূর নাচে আনন্দে,
ঝরে ফুলদল বেণীর বন্ধে —
মেঘের মাধুরী এলোচুলে।।
আমার গানে আমার সুরে
প্রাণে আনে তব নূপুরে,
রূপ-তরঙ্গ খেলিছে রঙ্গে —
ব্যাকুল তনুর কূলে কূলে।।

ইয়া আল্লাহ তুমি রক্ষা কর দুনিয়া ও দ্বীন

বাণী

		ইয়া আল্লাহ, তুমি রক্ষা কর দুনিয়া ও দ্বীন।
		শান-শওকতে হোক পূর্ণ আবার নিখিল মুসলেমিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
(খোদা)	মুষ্টিমেয় আরববাসী যে ঈমানের জোরে
তোমার	নামের ডঙ্কা বাজিয়েছিল দুনিয়াকে জয় ক’রে
(খোদা)	দাও সে ঈমান, সেই তরক্কী, দাও সে একিন।
			খোদা দাও সে একিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
হায়!		যে-জাতির খলিফা ওমর শাহানশাহ হয়ে
		ছেঁড়া কাপড় প’রে গেলেন উপবাসী র’য়ে
		আবার মোদের সেই ত্যাগ দাও, খোদা
		ভোগ-বিলাসে মোদের জীবন ক’রো না মলিন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।
(খোদা)	তুমি ছাড়া বিশ্বে কারো করতাম না ভয়
		তাই বিশ্বে হয়নি মোদের কভু পরাজয়
		দাও সেই দিক্ষা শক্তি সেই ভক্তি দ্বিধাহীন।
			আমিন আল্লাহুম্মা আমিন।।

এত জল ও কাজল চোখে

বাণী

এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
[যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 

কাছে আমার নাইবা এলে হে বিরহী

বাণী

কাছে আমার নাইবা এলে হে বিরহী দূর ভালো।
নাই কহিলে কথা তুমি ব'লো গানে সুর ভালো।।
	নাই দাঁড়ালে কাছে আসি'
	দূরে থেকেই বাজিয়ো বাঁশি।
চরণ তোমার নাই বা পেলাম চরণের নূপুর ভালো।।
ওগো পথে পাওয়ার চেয়ে আমায় চাওয়ায় যেন পথ-বঁধু
দুই কূলেতে রইব দুজন বইবে মাঝে স্রোত-বঁধূ।
	পরশ তোমার চাই না প্রিয়
	তোমার হাতের আঘাত দিও
মিলন তোমার সইতে নারি বেদনা-বিধুর ভালো।।

ঝরঝর অঝোর ধারায় ঝুরছে

বাণী

ঝরঝর অঝোর ধারায় ঝুরছে মনে রঙের ঝুরি।
দোলন-খোঁপায় দোল্ দিয়ে যায় দুলাল-চাঁপার তরুণ কুঁড়ি।।
চঞ্চলতার আবেশ লেগে আঁচল আমার রয় না গায়ে,
জরীন্ ফিতার বাঁধন টু’টে ব্যাকুল বেণী লুটায় পায়ে।
খেল্‌ছে চোখে মন্মথ আজ রতির সাথে লুকোচুরি,
নাচের তালে আপনি বাজে চপল হাতে কাঁকন চুড়ি।।

তুমি হেসে চ’লে গেলে বন্ধু

বাণী

তুমি হেসে চ’লে গেলে বন্ধু তোমার কাঁটার পথে।
কাঁদিতে আমায় রেখে গেলে একলা ফুলের রথে।।
ও পথের বন্ধু! তোমার পথে যদি নিয়ে যেতে
পথের কাঁটা ঢেকে দিতাম আমার এ বুকে পেতে,
আজ সুখের রথে কাঁদি বন্ধু (তোমার) দুখের সাথী হতে।।

নাটক : ‘মধুমালা’