বাণী
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশির ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হানা–ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা।। তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল কোন্ হারা–মা ডাক্লো তোকে রে ঐ গগন–সীমায় সাঁঝের ছায়ায় — হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায় — উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেনবুক–ভরা ও’ গভীর স্নেহে ডাক দিয়ে যায়, ‘আয়, ওরে আয় আয় আয়, কোলে আয় রে আমার দুষ্টু খোকা! ওরে আমার পলাতকা।।‘ দখিন হাওয়ায় বনের কাঁপনে — দুলাল আমার! হাত–ইশারায় মা কি রে তোর ডাক দিয়েছে আজ? এতদিনে চিনলি কি রে পর ও আপনে! নিশি ভোরেই তাই কি আমার নামলো ঘরে সাঁঝ? ধানের শীষে, শ্যামার শিষে — যাদুমণি! বল্ সে কিসে রে, তুই শিউরে চেয়ে ছিঁড়্লি বাঁধন! চোখ ভরা তোর উছলে কাঁদন রে! তোরে কে পিয়ালো সবুজ স্নেহের কাঁচা বিষে রে! যেন আচম্কা কোন্ শশক–শিশু চম্কে ডাকে হায়, ‘ওরে আয় আয় আয় — বনে আয় ফিরে আয় বনের সখা। ওরে চপল পলাতকা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুধীন দাস

গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা কারেরী যমুনা ঐ বাহিয়া চলেছে আগের মতন, কই রে আগের মানুষ কই।। মৌনী স্তব্ধ সে হিমালয় তেমনি অটল মহিমময় নাই তার সাথে সেই ধ্যানী ঋষি, আমরাও আর সে জাতি নই।। আছে সে আকাশ ইন্দ্র নাই কৈলাসে সে যোগীন্দ্র নাই অন্নদা-সুত ভিক্ষা চাই কি কহিব এরে কপাল বই।। সেই আগ্রা সে দিল্লী ভাই প’ড়ে আছে, সেই বাদশা নাই নাই কোহিনুর ময়ূর-তখ্ত নাই সে বাহিনী বিশ্বজয়ী। আমরা জানি না, জানে না কেউ কূলে ব’সে কত গণিব ঢেউ দেখিয়াছি কত, দেখিব এও নিঠুর বিধির লীলা কতই।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ কল্পনা আনাম

বরষ গেল, আশ্বিন এলো, উমা এলো কই শূন্য ঘরে কেমন করে পরান বেঁধে রই।। ও গিরিরাজ! সবার মেয়ে মায়ের কোলে এলো ধেয়ে, আমারই ঘর রইল আঁধার, আমি কি মা নই? নাই শাশুড়ি ননদ উমার, আদর করার নাই (কেহ) মা অনাদরে কালী সেজে বেড়ায় নাকি তাই। মোর গৌরী বড় অভিমানী, সে বুঝবে না মার প্রাণ-পোড়ানী; আনতে তারে সাধতে হবে তার যে স্বভাব ঐ।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

স্বপনেএসেছিল মৃদু-ভাষিণী মৃদু-ভাষিণী মধু-হাসিনী। রূপের তৃষা মোর রূপ ধ'রে এসেছিল কল্পনা মনোবন-বাসিনী।। যে পরম সুন্দর আছে মোর অন্তরে তারি অভিসারে আসে উদাসিনী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ত্রিতাল

ফুলমালিনী! এনেছ কি মালা। এনেছ কি মালা, ভরি’, তনু-ডালা।। এনেছ পসারিণী নয়ন-পাতে প্রেমসুধা-রস মালারই সাথে, অধরের অনুরাগ রাঙা-পেয়ালা।। এনেছ প্রীতির মালতী বকুল, রসে টলমল রূপের মুকুল। গাঁথ পরান মম তব ফুলহারে মালার বিনিময়ে লহ আমারে, বৃথা না যায় শুভ লগ্ন নিরালা।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা
