বাণী
বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা

‘দেশপ্রিয় নাই’ শুনি ক্রন্দন সহসা প্রভাতে জাগি’। আকাশে ললাট হানিয়া কাঁদিছে ভারত চির-অভাগী।। বহুদিন পরে আপনার ঘরে মা’র কোলে মাথা রাখি’, ঘুমাতে এসেছে শ্রান্ত সেননী, জাগায়ো না তারে ডাকি’। দেশের লাগিয়া দিয়াছে সকলি, দেয়নি নিজেরে ফাঁকি — তাহারি শুভ্র শান্ত হাসিটি অধরে রয়েছে লাগি’।। স্বার্থ অর্থ বিলাস বিভব গৌরব সম্মান মায়ের চরণে দিয়াছে সে-বীর অকাতরে বলিদান, রাজ-ভিখারির ছিল সম্বল শুধু দেহ আর প্রাণ তাই দিয়ে দিল শেষ অঞ্জলি দানবীর বৈরাগী।।
প্রথম খন্ড
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ বৈতালিক

সংসারেরি দোলনাতে মা ঘুম পাড়িয়ে কোথায় গেলি? আমি অসহায় শিশুর মত ডাকি মা দুই বাহু মেলি’।। অন্য শক্তি নাই মা তারা ‘মা’ বুলি আর কান্না ছাড়া, তোরে না দেখলে কেঁদে উঠি, আবার কোল পেলে মা হাসি খেলি।। (ও মা) ছেলেকে তোর তাড়ন করে মায়ারূপী সৎমা এসে। আবার ছয় রিপুতে দেখায় মা ভয় পাপ এলো পুতনার বেশে।১ মরি ক্ষুধা তৃষ্ণাতে মা শ্যামা আমার কোলে নে মা। আমি ক্ষণে চমকে উঠি ভাবি দয়াময়ী মা কি এলি।।
১. পাপবর্গী এলো দেশে।
রাগঃ রাগেশ্রী
তালঃ দাদ্রা

আর লুকাবি কোথা মা কালী বিশ্ব-ভুবন আঁধার ক’রে তোর রূপে মা সব ডুবালি।। সুখের গৃহ শ্মশান ক’রে বেড়াস্ মা তায় আগুন জ্বালি’ দুঃখ দেবার রূপে মা তোর ভুবন-ভরা রূপ দেখালি।। পূজা ক’রে, পাইনি তোরে মা গো এবার চোখের জলে এলি বুকের ব্যথায় আসন পাতা ব’স্ মা সেথা দুখ্-দুলালী।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ একতাল
১.

২.

ও-রে শাদা মেঘ! তোর পাখা নাই তবু কেমনে ভাসিয়া বেড়াস্ শান্ত শারদ-গগনে।। আমি তোর মত লঘু হ’ব আমি ধূলির ঊর্দ্ধে রব, আমি দেখিয়া গৌরী-শঙ্কর-শোভা গলিয়া পড়িব চরণে।। আমি নিশির কপোলে শিশিরের স্বেদ হেরিব, আমি রংধনু হ’য়ে চাঁদের চাহনি ঘেরিব। সে কি নিশীথে বাঁশিতে ডাকে তাই সে কি জানে, মেঘ হতে কেন চাই, যদি আমার বুকে দামিনী পায় — সে নবীন নীরদ-বরণে।।
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
প্রাণের ঠাকুর লীলা করে আমার দেহের আঙিনাতে রসের লুকোচুরি খেলা নিত্য আমার তারই সাথে।। তারে নয়ন দিয়ে খুঁজি যখন অন্তরে সে লুকায় তখন অন্তরে তায় ধরতে গেলে লুকায় গিয়ে নয়ন-পাতে।। ঐ দেখি তার হাসির ঝিলিক আমার ধ্যানের ললাট-মাঝে ধরতে গেলে দেখি সে নাই কোন্ সুদূরে নূপুর বাজে। এত কাছে রয় সে তবু পাই না তারে হাতে হাতে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
