ফুরাবে না এই মালা গাঁথা মোর

বাণী

ফুরাবে না এই মালা গাঁথা মোর ফুরাবে না এই ফুল
এই হাসি ঐ চাঁপার সুরভি ভুল নহে, ভুল নহে, নহে ভুল॥
		জানি জানি মোর জীবনের সঞ্চয়,
		রসঘন-মাধুরীতে হবে মধুময়
তবে কেন আমার বকুল-কুঞ্জে বাঁশরি হইল আকুল॥
		কৃষ্ণা তিথিতে নাই যদি হাসে চাঁদ,
		ফুরাবে না মোর পূর্ণ রসের সাধ
যমুনার ঢেউ থাকুক আমার (আমি) নাই দেখিলাম কূল॥

চলচ্চিত্রঃ ‘দিকশূল’

মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে

বাণী

মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে।
যাহারে না পাইনু কভু এ জীবনে
সে কেন গো কাঁদাতে আসে নিতি স্মরণে,
কুসুমের গন্ধে গো তারি সুবাস বাসে।।
কেন এ সমীরে সে আসে ফিরে ফিরে,
নয়ন নদীতীরে কেন জল উছাসে।।

ভুবনময়ী ভবনে এসো

বাণী

ভুবনময়ী ভবনে এসো সীমার মাঝে এসো অসীমা।
ভক্ত মনের মাধুরী দিয়ে গড়িয়াছি মা তোমার প্রতিমা।।
	চিন্ময়ী গো ধর মৃন্ময়ীরূপ
	কত যুগ মাগো জ্বলিবে পূজাধূপ
মানসপটে বোধন ঘটে হও চির আসীনা করুণাময়ী মা।।
সে কোন অতীতে সুদূর ত্রেতায় এসেছিলে মা অশিব নাশিনী
আসিলে না আর ধূলির ধরায় দিলে না মা বর অমৃত ভাষিণী।
	কত যুগ গেল কত বরষ মাস
	কত বিফল পূজা কত কাঁদন হুতাশ
জাগ যোগমায়া যোগনিদ্রা ভোল পুন বিশ্বে প্রচার হোক্‌ তব মহিমা।।

যায় ঢু’লে ঢু’লে এলোচুল কে বিষাদিনী

বাণী

যায় ঢু’লে ঢু’লে এলোচুল কে বিষাদিনী।
তার চোখে চেয়ে চেয়ে ম্লান হয়ে যায় গো চাঁদিনী।।
তার সোনার অঙ্গ অনাদরে হয়েছে কালি
হায় ধূলায় লুটায় নবীন যৌবন ফুলের ডালি,
কোন্ মদির আঁখির খেয়েছে তীর বন-হরিণী।।
তার চটুল চরণ নাচত যেন নোটন-কপোতী
মরুর বুকে ফুল ফোটাত তার দোদুল গতি,
আজ ধীরে সে যায় যেন শীতের মৃদুল তটিনী।।

আমার মা যে গোপাল-সুন্দরী

বাণী

	আমার মা যে গোপাল-সুন্দরী। 
যেন	এক বৃন্তে কৃষ্ণ-কলি অপরাজিতার মঞ্জরি।।
মা	আধেক পুরুষ অর্ধ অঙ্গে নারী
	আধেক কালি আধেক বংশীধারী,
	অর্ধ অঙ্গে পীতাম্বর আর অর্ধ অঙ্গে দিগম্বরী।।
মা	সেই পায়ে প্রেম-কুসুম ফোটায় নূপুর-পরা যে চরণ,
মা'র	সেই পায়ে রয় সর্প-বলয় যে পায়ে প্রলয়- মরণ। 
	মার আধ-ললাটে অগ্নি-তিলক জ্বলে
	চন্দ্রলেখা আধেক ললাট তলে,
	শক্তিতে আর ভক্তিতে মা আছেন যুগল রূপ ধরি'।।

আও আও স্যজনী

বাণী

আও আও স্যজনী
ম্যঙ্গল গাও শঙ্খ বাজাও
স্যফ্যল মানো র‍্যজনী।।
অ্যম্যর লোক্ সে কুসুম গিরাও
তীন লোক্ মে হ্যর‍্যষ মানাও
হঁস্যতী আজ ধরণী।।

নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী