
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

জয়, আনন্দ-ভৈরব ডমরু পিনাক-পাণি, গঙ্গাধর চন্দ্র চূড় শিব তীব্র-ধ্যানী।। তব সূর্যকান্তি রাগে প্রাণে প্রভাত-শান্তি জাগে, পর প্রধান পূর্ণরূপ, হে শুদ্ধ জ্ঞানী।। সরল মতি শঙ্কর হে, নাচো গরল পিয়ে, আশুতোষ তুষ্ট তুমি বিল্বদল নিয়ে। মৃত্যু-ভীত বিশ্বজনে তমসা মগন ভুবনে, শোনাও আনন্দিত মাভৈঃ অভয়বাণী।।
রাগঃ আনন্দ-ভৈরব
তালঃ ঝাঁপতাল

আজো ফাল্গুনে বকুল কিংশুকের বনে কহে কোন্ কথা হৃদয় স্বপ্নে আনমনে।। মৃদু মর্মরে পথের পল্লবের সাথে গাহে কোন্ গীতি নিশীথে পান্সে জোছনাতে খোঁজে কার স্মৃতি নীরস শুভ্র চন্দনে।। গ্রহ চন্দ্রে কয়, সে কি গো মৃত্যুদ্বার খুলে হয়ে সৃষ্টিপার গিয়াছে অমৃতের কূলে, কাঁদে কোন্ লোকে পরম সুন্দরের সনে।।
রাগঃ
তালঃ মঞ্জুভাষিণী (১৮ মাত্রা)
মনে রাখার দিন গিয়েছে এখন ভোলার বেলা আর লাগে না ভালো আমার হৃদয় নিয়ে খেলা।। লগ্ন ছিল ছিল সময় পরান ভরা চিল প্রণয়, সেদিন যদি আসতে মলয় বসতো ফুলের মেলা।। সুকুমার সুন্দর যাহা চিল আমার মাঝে গেছে ম'রে নিরাশাতে ঝ'রে গেছে লাজে। আজ উদাসীন শূন্য মনে ঘুরে বেড়াই অকারণে তোমার চেয়েও আমি আমায় হানি অবহেলা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিলে না ধরা জীবনে যদি। বিশাল চোখে মিশায়ে মরু চাহিলে কেন গো বে–দরদী।। ছিনু অচেতন আপনা নিয়ে কেন জাগালে আঘাত দিয়ে তব আঁখিজল সে কি শুধু ছল একি মরু হায় নহে জলধি।। ওগো কত জনমের কত সে কাঁদন করে হাহাকার বুকেরি তলায় ওগো কত নিরাশায় কত অভিমান ফেনায়ে ওঠে গভীর ব্যথায়। মিলন হবে কোথায় সে কবে কাঁদিছে সাগর স্মরিয়া নদী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাবিহা মাহবুব

আর কত দুখ্ দেবে, বল মাধব বল বল মাধব বল। দুখ্ দিয়ে যদি সুখ পাও তুমি কেন আঁখি ছলছল॥ তব শ্রীচরণ তলে আমি চাহি ঠাঁই, তুমি কেন ঠেল বাহিরে সদাই; আমি কি এতই ভার এ জগতে যে, পাষাণ তুমিও টল॥ ক্ষুদ্র মানুষ অপরাধ ভোলে তুমি নাকি ভগবান, তোমার চেয়ে কি পাপ বেশি হ’ল (মোরে) দিলে না চরণে স্থান। হে নারায়ণ! আমি নারায়ণী সেনা, মোরে কুরুকুল দিতে ব্যথা কি বাজে না, (যদি) চার হাতে মেরে সাধ নাহি মেটে দু’চরণ দিয়ে দ’ল॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

ওরে ব্যাকুল বেণুবন! তোকে দিয়েই হতো শ্যামের মুরলি মোহন।। তোর শাখাতে লেগে আছে শ্যামের হাতের ছোঁওয়া। আজো কি তার পরশ-লোভে ডালগুলি তার নোওয়া। আমার পড়লো মনে তোরে দেখে ও-বেণুবন পড়লো মনে, বৃন্দাবনে যে সাতটি সুর বাজাত শ্যাম বাঁশির সনে।। তার প্রথম সুরে আয় আয় ব’লে গোপিকায় ডাকে দূরে, তার দ্বিতীয় সুরে বহে যমুনা উজান ব্রজকুমারী ঝুরে। তার তৃতীয় সুরে সেই সুরে বাজে তার পায়ের নূপুর সেই সুর শুনে নাচে বনের ময়ূর। শুনি চতুর্থ সুর গুরু-গম্ভীর রোল, মেঘে মৃদঙ্গ বাজে লাগে ঝুলনায় দোল্। পঞ্চম সুরে তার কোয়েলা বোলে ব্রজ-বসন্ত আসে মাতে হোরির রোলে। ষষ্ঠ সুরে কেঁদে ডাকে সে রাধায় সপ্তমে নিষাদ সে ভুবন কাঁদায়। আখর : [নিষাদ সে তাই সাধ মিটিল না ডাকিয়া বাঁশির সুরে বধে হরিণীরে — নিষাদ সে তারে ভালোবেসে সাধ মেটে না — নিষাদ সে।।]
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan