বাণী
পুষ্পিত মোর তনুর কাননে হায়। ওগো ফুলধনু, লগ্ন যে ব’য়ে যায়।। আজি ফাগুন ঋতু উৎসবে এ দেহ দেউল শূন্য কি রবে, রতির আরতি ধূপ কি পুড়িবে বিফল কামনায়।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পুষ্পিত মোর তনুর কাননে হায়। ওগো ফুলধনু, লগ্ন যে ব’য়ে যায়।। আজি ফাগুন ঋতু উৎসবে এ দেহ দেউল শূন্য কি রবে, রতির আরতি ধূপ কি পুড়িবে বিফল কামনায়।।
রাগঃ
তালঃ
আজি নন্দদুলালের সাথে ঐ খেলে ব্রজনারী হোরি। কুঙ্কুম-আবির হাতে দেখ, খেলে শ্যামল খেলে গোরী।। থালে রাঙা ফাগ, নয়নে রাঙা রাগ, ঝরিছে রাঙা সোহাগ রাঙা পিচ্কারি ভরি।। পলাশ শিমুলে ডালিম ফুলে রঙনে অশোকে মরি মরি। ফাগ-আবির ঝরে তরুলতা চরাচরে, খেলে কিশোর কিশোরী।।
রাগঃ খাম্বাজ-কাফি
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

নীলাম্বরী–শাড়ি পরি’ নীল যমুনায় কে যায়? যেন জলে চলে থল–কমলিনী ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।। কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে, চমকায় উন্মন চম্পা বনকে, দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে, পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।। অঙ্গের ছন্দে পলাশ–মাধবী অশোক ফোটে, নূপুর শুনি’ বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে। মেঘ–বিজড়িত রাঙা গোধূলি নামিয়া এলো বুঝি পথ ভুলি, তাহার অঙ্গ তরঙ্গ–বিভঙ্গে কুলে কুলে নদী জল উথলায়।।
রাগঃ নীলাম্বরী
তালঃ ত্রিতাল

ছন্দের বন্যা হরিণী অরণ্যা চলে গিরি-কন্যা চঞ্চল ঝর্ণা নন্দন-পথ-ভোলা চন্দন-বর্ণা।। গাহে গান ছায়ানটে, পর্বতে শিলাতটে লুটায়ে পড়ে তীরে শ্যামল ওড়না।। ঝিরি ঝিরি হাওয়ায় ধীরি ধীরি বাজে তরঙ্গ-নূপুর বন-পথ মাঝে। এঁকেবেকে নেচে যায় সর্পিল ভঙ্গে কুরঙ্গ সঙ্গে অপরূপ রঙ্গে গুরু গুরু বাজে তাল মেঘ-মৃদঙ্গে তরলিত জোছনা-বালিকা অপর্ণা।।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

তোমার সৃষ্টি মাঝে হরি হেরিতে যে নিতি পাই তোমায়। তোমার রূপের আবছায়া ভাসে গগনে, সাগরে, তরুলতায়॥ চন্দ্রে তোমার মধুর হাসি, সূর্যে তোমার জ্যোতি প্রকাশ; করুণা সিন্ধু তব আভাস বারি-বিন্দুতে হিমকণায়॥ ফোটা ফুলে হরি, তোমার তনুর গোপী-চন্দন গন্ধ পাই, হাওয়ায় তোমার স্নেহের পরশ অন্নে তোমার প্রসাদ খাই। রাসবিহারী তোমার রূপ গোলে, দুঃখ শোকের হিন্দোলে, তুমি, ঠাঁই দাও যবে ধর কোলে মোর বন্ধু স্বজন কেঁদে ভাসায়॥
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

নতুন চাঁদের তক্বীর শোন্ কয় ডেকে ঐ মুয়াজ্জিন — আসমানে ফের ঈদুজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন।। এলো স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুজ্জোহার এই সে চাঁদ, তোরা ভোগের পাত্র ফেল্ রে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। প্রাণের যা তোর প্রিয়তম আজকে সে সব আন্, খোদারই রাহে আজ তাহাদের কর রে কোরবান্। কি হবে ঐ বনের পশু খোদারে দিয়ে, তোর কাম-ক্রোধাদি মনের পশু জবেহ্ কর্ নিয়ে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। বিলিয়ে দেওয়ার খুশির শিরনি তশ্তরিতে আন, পর্ রে তোরা সবাই ত্যাগের রঙিন পিরহান্। মোদের যা কিছু প্রিয় বিলাব সবে নবীর উম্মত তবে সকলে কবে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
