কুসুম ফুলের মালা গেঁথে

বাণী

কুসুম ফুলের মালা গেঁথে দুলিয়ে দিছি গলে।
অশ্রু দিয়ে গাঁথা মালা রইলো বুকের তলে।।
বন্ধু আমার আস্‌বে যখন ফিরে’ বিজয় রথে
মরা ফুলের সাথে আমি রইবো প’ড়ে পথে,
যাবার বেলা চরণ দিয়ে যাবে আমায় দ’লে।।
তাহার প্রিয়ার মুখে দেবো আমার হাসি ল’য়ে
রইব না গো তাহার সুখে পথের কাঁটা হ’য়ে,
তা’র বাসরে আলো দেবো প্রদীপ হ’য়ে জ্ব’লে।।

আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন

বাণী

আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্‌ গয়ি।
বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্‌ক্‌ মেরা কস্‌ গয়ি।।
	তোমার কেশের গন্ধ কখন,
	লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন
বেহুঁশ হো কর্‌ গির্‌ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্‌ গয়ি।।
	কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া,
	আঁখ্‌, ফিরা দিয়া চোরী কর্‌ নিদিয়া,
দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্‌ গয়ি।।

বন্ধু বিদায় যাই চ’লে যাই

বাণী

বন্ধু বিদায় —
যাই চ’লে যাই — তোমার গলার মালা পরায়ে তোমায়।।
	ফুল ঝ’রে যে পথে হারায়
	অশ্রু ঝ’রে যে পথে লুকায়,
যাই যাই — যে আঁধার পথে আশার বাতি নিভে যায়
				বন্ধু বিদায়।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরী স্বপনপরীর গান)

শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও

বাণী

শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও।
দুখ্ দিয়ে কাঁদালে যদি তুমি হে নাথ সে দুখ ভোলাও।।
যে হাত দিয়ে হানলে আঘাত
তুমিঅশ্রু মোছাও সেই হাতে নাথ
বুকের মানিক হ’রলে যা’র —
	তারে তোমার শীতল বক্ষে নাও।।
তোমার যে চরণ প্রলয় ঘটায়
সেই চরণ কমল ফোটায়
শূন্য করলে তুমি যে বুক
	সেথা তুমি এসে বুক জুড়াও।।

এই আমাদের বাংলাদেশ

বাণী

এই আমাদের বাংলাদেশ এই আমাদের বাংলাদেশ
যে দিকে চাই স্নিগ্ধ শ্যামল চোখ জুড়ানো রূপ অশেষ।।
চন্দনিত শীতল বাতাস বয় এ দেশে নিরন্তর
জোছনা সম কোমল হয়ে আসে হেথায় রবির কর
জীবন হেথায় স্নেহ সরস সরল হৃদয় সহজ বেশ।।
নিত্য হেথা করছে মেঘে স্বর্গ হতে শান্তি জল
মাঠে ঘাটে লক্ষ্মী হেথায় ছড়িয়ে রাখে ফুল কমল।
হাঙ্গোর কুমির শার্দুল সাপ খেলার সাথি এই জাতির
দিল্লির যশ করল হরণ এই দেশেরি প্রতাপ বীর
একদা এই দেশের ছেলে জয় করেছে দেশ বিদেশ।।

রেকর্ড: ‘প্রতাপদিত্য’, (নাটিকার: যোগেশ চৌধুরী)

ওরে কে বলে আরবে নদী নাই

বাণী

ওরে	কে বলে আরবে নদী নাই
যথা	রহমতের ঢল বহে অবিরল
দেখি	প্রেমে-দরিয়ার পানি
		যেদিকে চাই।।
যাঁর	ক্বাবা ঘরের পাশে আব-এ-জমজম
যথা	আল্লা-নামের বাদল ঝরে হরদম,
		যথা ঝরে হরদম-
যার	জোয়ার এসে দুনিয়ার দেশে দেশে
(ওরে)	পুণ্যের গুলিস্তান রচিল দেখিতে পাই।।
যার	ফোরাতের পানি আজো ধরার ‘পরে
	নিখিল নর-নারীর চোখে ঝরে
(ওরে)	শুকায় না যে নদী দুনিয়ায়,
যার	শক্তি বন্যার তরঙ্গ-বেগে
যত	বিষণ্ন-প্রাণ ওরে আনন্দে উঠল জেগে
যাঁর	প্রেম-নদীতে,যাঁর পুণ্য-তরীতে
		মোরা ত'রে যাই।।