বাণী
কেন করুণ সুরে হৃদয় পুরে বাজিছে বাঁশরি ঘনায় গহন নীরদ সঘন নয়ন মন ভরি॥ বিজলি চমকে পবন দমকে পরান কাঁপে রে বুকের বঁধুরে বুকে বেঁধে ঝুরে বিধুরা কিশোরী॥
রাগ ও তাল
রাগঃ দেশ
তালঃ একতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন করুণ সুরে হৃদয় পুরে বাজিছে বাঁশরি ঘনায় গহন নীরদ সঘন নয়ন মন ভরি॥ বিজলি চমকে পবন দমকে পরান কাঁপে রে বুকের বঁধুরে বুকে বেঁধে ঝুরে বিধুরা কিশোরী॥
রাগঃ দেশ
তালঃ একতাল

মায়ের চেয়েও শান্তিময়ী মিষ্টি বেশি মেয়ের চেয়ে চঞ্চলা এই লীলাময়ী মুক্তকেশী কালো মেয়ে।। সে মিষ্টি যত দুষ্টু তত এই কালো মেয়ে গিরিঝর্ণা সম এলো ধেয়ে এই পাবর্তী মেয়ে করুণা অমৃত ধারায় ভুবন ছেয়ে এলো এই কালো মেয়ে।। মাকে চোখে চোখে রাখি যদি কভু দেয় সে ফাঁকি আমি ভয়ে ভয়ে থাকি গো এই মায়াময়ী মেয়ে নিয়ে ভয়ে ভয়ে থাকি গো। আমি বহু সাধ্য-সাধনাতে পেয়েছি এই মা-কে রে কোটি জনম তপস্যাতে পেয়েছি এই মা-কে রে কোথায় রাখি, আমি কাঙালিনী কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে আমি কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দেশ গৌড়-বিজয়ে দেবরাজ গগনে এলো বুঝি সমর-সাজে। তাহারি মেঘ-মৃদঙ্গ গুরু গুরু আষাঢ়-প্রভাতে সহসা বাজে।। গহন কৃষ্ণ ঐরাবত-দল রবিরে আবরি’ ঘিরিল নভতল, হানে খরশর বৃষ্টি ধারা জল — পবন-বেগে প্রতি ভবন-মাঝে।। বনের এলোকেশ বিজলি-পাশে বাঁধিয়া দেব্-সেনা অট্রহাসে। শ্যামল গৌড়ের অমল হাসি শস্যে-কুসুমে ওঠে প্রকাশি’, অঙ্গে তাহার আঘাত-রাশি — দেব-আশীর্বাদ হয়ে বিরাজে।।
রাগঃ দেশ-গৌড়
তালঃ তেওড়া

অরুণ কিরণ সুধা-স্রোতে, ভাসাও প্রভু মোরে। গ্লানি পাপ তাপ মলিনতা, যাক ধুয়ে চিরতরে।। প্রশান্ত স্নিগ্ধ তব হাসি, ঝরুক অশান্তি প্রাণে বুকে১ প্রভাত আলোর ধারা, যেমন ঝরে সব ঘরে।। যেমন বিহগেরা জাগি ভোরে, আলোর নেশার ঘোরে আকাশ পানে ..., বন্দে প্রেম-মনোহরে২।।
১. পান্ডুলিপিতে পরিবর্ত লাইন হিসেবে ‘সবারে আজ যেন ভালোবাসি’ লেখা আছে।
২. পান্ডুলিপিতে গানটির সঙ্গে কবি-কৃত স্বরলিপি আছে।
রাগঃ কুকুভ বিলাবল
তালঃ একতাল
পুরুষ : যাও হেলে দুলে এলোচুলে কে গো বিদেশিনী কাহার আশে কাহার অনুরাগিনী। স্ত্রী : আমি কনক চাঁপার দেশের মেয়ে এনু ঊষার রঙের গান গেয়ে আমি মল্লিকা গো পল্লীবাসিনী। পুরুষ : চিনি চিনি ওই চুড়ি কাঁকনের রিনিকি রিনি তুমি ভোর বেলা দাও স্বপনে দেখা। স্ত্রী : তোমার রঙে কবি আঁক আমারি ছবি তুমি দেবতা রবি আমি তব পূজারিণী। পুরুষ : এসো ধরণীর দুলালী আলোর দেশে যথা তারার সাথে চাঁদ গোপনে মেশে স্ত্রী : আনো আলোক তরী আমি যাই গো ভেসে দ্বৈত : চলো যাই ধরণী ধূলির ঊর্ধে পুরুষ : যথা বয় অনন্ত স্ত্রী : প্রেম মন্দারিণী পুরুষ : যথা বয় অনন্ত দ্বৈত : প্রেম মন্দারিণী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মওলা আমার সালাম লহ এ সংসারের কাজে। দ্বীন-দুনিয়ার দুই কাজে মোর থেকো হিয়ার মাঝে।। কাজা ক’রে নামাজ রোজা না বই যেন পাপের বোঝা, দুনিয়াদারী ভুলে যেন দহি’ দুঃখ-লাজে।। সঞ্চিত দৌলতের কিছু দান জাকাতে যেন ফের, দান ক’রে মোর সব না হারাই, শক্তি রেখো দানে। কোরান হ’তে নীতি নিয়ে কাজে যেন দেই বিলিয়ে, যে কাবার পথে হই বিবাগী মোসাফিরের সাজে।।
রাগঃ মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা