বাণী
বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর। পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।। আসে সে ঐ চুপে চুপে আমার মধুর মরণ রূপে আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক
ভিডিও
স্বরলিপি

বরের বেশে আসবে জানি আজ মম সুন্দর। পার হ’য়ে দূর বিরহ-লোক বহু যুগের পর।। আসে সে ঐ চুপে চুপে আমার মধুর মরণ রূপে আর সে ছেড়ে যাবে না গো আমার-ঘর।।
নাটকঃ ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

রহি' রহি' কেন সে-মুখ পড়ে মনে ফিরায়ে দিয়াছি যারে অনাদরে অকারণে। উদাসী অলস দুপুরে মন উড়ে' যেতে চায় সুদূরে যে বন-পথে সে ভিখারির বেশে করুণা জাগায়ে ছিল সকরুণ নয়নে।। তার বুকে ছিল তৃষ্ণা মোর ঘটে ছিল বারি পিয়াসি ফটিকজল জল পাইল না গো ঢলিয়া পড়িল হায় জলদ নেহারি। তার অহ্জলির ফুল পথ-ধূলিতে ছড়ায়েছি-সেই ব্যথা নারি ভুলিতে অন্তরালে যারে রাখিনু চিরদিন অন্তর জুড়িয়া কেন কাঁদে সে গোপনে।।
রাগঃ মিশ্র নারায়ণী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি

নাচো শ্যাম-নটবর কিশোর-মুরলীধর অঙ্গ মিশায়ে মম অঙ্গে। তোমার নাচের শ্রী ফুটুক আমার এই নৃত্য-বিভঙ্গে।। মম রক্তে বাজুক তব পায়ের নূপুর আমার কণ্ঠে দাও বাঁশরির সুর, তব বাঁশরির সুর। লীলায়িত হয়ে উঠুক এ তনু তোমার প্রেম-আনন্দ-তরঙ্গে।। আমার মাঝে হরি, নাচো যবে তুমি আমি নাচি আপনা ভুলি’ হরি আমি নাচি আপনা ভুলি’ শরম ভরম যায় এই দেহ যমুনায় ছন্দের হিল্লোল তুলি’। মনে হয় আমি যেন রাসের রাধা জনম জনম আমি নাচি তব সঙ্গে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নীলাম্বরী–শাড়ি পরি’ নীল যমুনায় কে যায়? যেন জলে চলে থল–কমলিনী ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।। কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে, চমকায় উন্মন চম্পা বনকে, দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে, পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।। অঙ্গের ছন্দে পলাশ–মাধবী অশোক ফোটে, নূপুর শুনি’ বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে। মেঘ–বিজড়িত রাঙা গোধূলি নামিয়া এলো বুঝি পথ ভুলি, তাহার অঙ্গ তরঙ্গ–বিভঙ্গে কুলে কুলে নদী জল উথলায়।।
রাগঃ নীলাম্বরী
তালঃ ত্রিতাল

ও কে উদাসী বেণু বাজায় ডাকে করুণ সুরে আয় আয়।। ও সে বাঁধন হারা বাহির বিলাসী গৃহীরে করে সে পরবাসী রস যমুনায় উজান বহায়।। মম মনের ব্রজে ওসে কিশোর রাখাল যেন বাজায় বাঁশি শুনি অনাদিকাল তার সরল বাঁশি তার তরল তাল অন্তরে গরল-সুধা মেশায়।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

ইয়া মোহাম্মদ, বেহেশেত্ হতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখাও এই দুনিয়ার দুঃখ থেকে এবার আমায় নাজাত দাও।। পীর মুর্শীদ পাইনি আমি, তাই তোমায় ডাকি দিবস-যামী, তোমারই নাম হউক হজরত আমার পরপারের নাও।। অর্থ-বিভব-যশ-সম্মান চেয়ে চেয়ে নিশিদিন দুঃখে শোকে জ্ব’লে মরি পরান কাঁদে শ্রান্তিহীন। আল্লা ছাড়া ত্রিভুবনে, শান্তি পাওয়া যায় না মনে কোথায় পাব সে আবহায়াত ইয়া নবীজী রাহ্ বাতাও।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
