কেন প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া

বাণী

কেন		প্রাণ ওঠে কাঁদিয়া
		কাঁদিয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া গো।
আমি		যত ভুলি ভুলি করি, তত আঁকড়িয়া ধরি
		শ্যামের সে রূপ ভোলা কি যায়, নিখিল শ্যামল যার শোভায়
		আকাশে সাগরে বনে কান্তারে লতায় পাতায় সে রূপ ভায়।
আমার		বঁধুর রূপের ছায়া বুকে ধরি’ আকাশ-আরশি নীল গো
বহে		ভুবন প্লাবিয়া কালারে ভাবিয়া কালো সাগর-সলিল গো। সখি গো —
		যদি ফুল হয়ে ফুটি তরু-শাখে, সে যে পল্লব হয়ে ঘিরে থাকে। সখি গো —
আমি		যেদিকে তাকাই হেরি ও-রূপ কেবল
সে যে		আমারি মাঝারে রহে করি’ নানা ছল
সে যে		বেণী হয়ে দোলে পিঠে চপল চতুর।
সে যে		আঁখির তারায় হাসে কপট নিঠুর।
		তারে কেমনে ভুলিব, সখি কেমনে ভুলিব।
থাকে		কবরী-বন্ধে কালো ডোর হয়ে কাল্‌ফণী কালো কেশে গো
থাকে		কপালের টিপে, চোখের কাজলে কপোলের তিলে মিশে’ গো!
আমার 	এ-কূল ও-কূল দু’কূল গেল।
		কূলে সই পড়িল কালি সেও কালো রূপে এলো।
রাখি		কি দিয়া মন বাঁধিয়া, বাঁধিয়া বাঁধিয়া বাঁধিয়া গো।।

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

বাণী

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়।
আয় রে সাগর আকাশ বাতাস দেখ্‌বি যদি আয়।।
ধূলির ধরা বেহেশ্‌তে আজ, জয় করিল দিল রে লাজ।
আজকে খুশির ঢল নেমেছে ধূসর সাহারায়।।
দেখ্‌ আমিনা মায়ের কোলে, দোলে শিশু ইসলাম দোলে।
কচি মুখে শাহাদাতের বাণী সে শোনায়।।
আজকে যত পাপী ও তাপী, সব গুনাহের পেল মাফী।
দুনিয়া হতে বে-ইনসাফী জুলুম নিল বিদায়।।
নিখিল দরুদ পড়ে লয়ে নাম, সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম।
জীন পরী ফেরেশ্‌তা সালাম জানায় নবীর পায়।।

খেলত বায়ু ফুলবন-মে আও প্রাণ-পিয়া

বাণী

খেলত বায়ু ফুলবন-মে, আও প্রাণ-পিয়া।।
আও মন-মে প্রেম-সাথি আজ রজনী, গাও প্রেম-পিয়া।।
মন-বন-মে প্রেম মিলি দোলত হ্যয় ফুল কলি
বোলত হ্যয় পিয়া পিয়া বাজে মুরলীয়া, আওয়ে শ্যাম পিয়া।।
মন্দির মে বাজত হ্যয় পিয়া তব মুরতি
প্রেম পূজা লেও পিয়া, আও প্রেম-সাথি।
চাঁদ হাসে তারা সাথে আও পিয়া প্রেম-রথে
সুন্দর হায় প্রেম-রাতি আও মোহনীয়া, আও প্রাণ পিয়া।।

নাচের নেশার ঘোর লেগেছে

বাণী

	নাচের নেশার ঘোর লেগেছে নয়ন পড়ে ঢু’লে (লো)।
	বুনোফুল পড়লো ঝ’রে নাচের ঘোরে
				দোলন-খোঁপা খুলে (লো)।।
	শুনে এই মাদল-বাজা
	নাচে চাঁদ রাতের রাজা নাচে লো নাচে —
	শালুকের কাঁকাল ধ’রে
	তাল-পুকুরের জলে হে’লে দু’লে (লো)।।
	আঁউরে গেল ঝুম্‌কো জবা লেগে গরম গালের ছোঁওয়া
	বাঁশি শুনে ঘুলায় মনে কয়লা-খাদের ধোঁওয়া (লো)।
সই	নাচ ফুরালে ফিরে’ ঘরে,
	রাত কাটাব কেমন ক’রে
	পড়বে মনে বাঁশুরিয়ার চোখ দু’টি টুলটুলে (লো)।।

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে

বাণী

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে
গগনমে উঠত যো বাণী সো হি জগজন গাহে॥
		রোবত ভারতকে ন্যরনারী
		বোলাতা জ্যগ মাই হামারী
দুঃখ-দৈন্য ভারতকো ঘেরি তুম অব সেবত কাহে॥
		নীল সিন্ধু তুম্‌হা লাগি
		গ্যরজত ঘন অনুরাগী
কেঁউ নাহি উঠত জাগি যব্ ভারত প্রেম গাহে॥

কেঁদে কেঁদে নিশি হল ভোর

বাণী

কেঁদে কেঁদে নিশি হল ভোর।
মিটিল না সাধ উঠিল না চাঁদ ফিরিল কেঁদে চকোর।।
	শিয়রে দীপ নিভিয়া আসে
	ভোরের বাতাস কাঁদে হতাশে,
মালার ফুল ঝরে নিরাশে — যেন মোর আঁখি লোর।।
	আমার নয়নে নয়ন রাখি’
	চাহে শুকতারা ছলছল আঁখি,
পাপিয়ার সনে পিয়া পিয়া ডাকি — এসো এসো চিতচোর।।