ভগবান শিব জাগো জাগো

বাণী

ভগবান শিব জাগো জাগো, ছাড়িয়া গেছেন দেবী শিবানী সতী।
শক্তিহীন আজি সৃষ্টি চন্দ্র-সূর্য তারা হীন-জ্যোতি।।
	হে শিব, সতীহারা হয়ে নিষ্প্রাণ
	ভূ-ভারত হইয়াছে শবের শ্মশান,
কোলে ল’য়ে প্রাণহীন জড়-সন্তান — শিবনাম জপে ধ’রা অশ্রুমতী।।

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু

বাণী

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু ও কে আসে হায়,
সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা খুলে খুলে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
তার ভাবে বিভোল রাঙা পায়ের তলে
পর্বত জঙ্গম টলমল টলে,
খোরমা খেজুর বাদাম জাফরানি ফুল ঝ’রে ঝ’রে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
আসমানে মেঘ চলে ছায়া দিতে,
পাহাড়ের আঁসু গলে ঝরনার পানিতে,
বিজলি চায় মালা হতে,
পূর্ণিমার চাঁদ তার মুকুট হতে চায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম

বাণী

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম নামের তরী
মায়া মোহের ঝড় বাদলে এবার আমি ভয় না করি।
	যে নাম লেখা তারায় তারায়
	যে নাম ঝরে অশ্রুধারায়
যাত্রা শুরু সেই নামেরি জপমালা বক্ষে ধরি।।
এই আঁধারের অন্তরালে লক্ষ রবি চন্দ্র জ্বলে
নিত্য ফোটে আলোর কমল জানি তোমার চরণ তলে।
	এবার ওগো অশিব নাশন
	থামাও তোমার ঢেউর নাচন
সেই ত অমর মরণ যদি ধ্যান সাগরে ডুবে মরি।।

এরি লাগি তপস্যা কি করে

বাণী

এরি লাগি তপস্যা কি করে আঁধার রাতি।।
সই দেখলো চেয়ে রূপ-সায়রে জ্বলে এ কোন্ বাতি
লক্ষ চাঁদের জোছনা হেথা কে রেখেছে পাতি’?

নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)

কার ঝর ঝর বর্ষণ বাণী

বাণী

(কার)	ঝর ঝর বর্ষণ বাণী
	যায় দিক দিগন্তে বেদনা হানি’।।
	করুণ সুরে দূর অলকায়
	যেন অবিরল বীণা বাজায়
		বিরহের বীণাপাণি।।
	গীত পিপাসিত বসুন্ধরা
	শোনে সেই সুর প্রাণ উদাস করা।
	তারি ভাষায় বেদনা আভাস
	কাঁদায় ভুবন আকাশ বাতাস
		পথ প্রান্তর বনানী।।

ছেড়ে দাও মোরে আর হাত ধরিও না

বাণী

ছেড়ে দাও মোরে আর হাত ধরিও না
প্রেম যারে দিতে পারিলে না
	তারে আর কৃপা করিও না।।
আমি  করুনা চাহিনি কভু কারো কাছে
বহু লোক পারে, তব কৃপা যারা যাচে
যারে  হৃদয়ে দিলে না ঠাঁই
	তার তরে কাদিঁও আখিঁজল ঝুরিও না।।
ভুল করেছিনু যেথা শুধু বিষ অসুন্দরের ভিড়,
সেই   পৃথিবীতে কেঁদেছি খুজিঁয়া প্রেম-যমুনার তীর।
যার তরণী ভাসিল বিরহের পারাবারে
পিছু ডেকে আর ফিরাতে চেয়ো না তারে
আমারে পাষাণ-বিগ্রহ ক'রে
	আর মালা পরিও না।।