জোছনা-হসিত মাধবী নিশি

বাণী

জোছনা-হসিত মাধবী নিশি আজ।
পর পর প্রিয়া বাসন্তি-রাঙা সাজ।।
রাঙা কমল-কলি দিও কর্ণ-মূলে
পর সোনালি চেলি নব সোনাল্ ফুলে,
স্বর্ণলতার প’র সাতনরী-হার আজি উৎসব-রাত,
		রাখ রাখ গৃহ-কাজ।।
পর কবরী-মূলে নব আমের মুকুল
হাতে কাঁকন পর গেঁথে অতসীর ফুল,
দূরে গাহুক ডাহুক পাখি সখি, মুখর নিলাজ।।

আমি কুল ছেড়ে চলিলাম ভেসে বলিস ননদীরে

বাণী

আমি	কুল ছেড়ে চলিলাম ভেসে বলিস ননদীরে সই, বলিস ননদীরে।
	শ্রীকৃষ্ণ নামের তরণীতে প্রেম-যমুনার তীরে বলিস ননদীরে
				সই, বলিস্‌ ননদীরে।।
	সংসারে মোর মন ছিল না, তবু মানের দায়ে
আমি	ঘর করেছি সংসারেরি শিকল বেঁধে পায়ে
	শিক্‌লি-কাটা পাখি কি আর পিঞ্জরে সই ফিরে।।
	বলিস গিয়ে কৃষ্ণ নামের কলসি বেঁধে গলে
	হডুবেছে রাই কলঙ্কিনী কালিদহের জলে।
	কলঙ্কেরই পাল তুলে সই, চললেম অকূল-পানে
	নদী কি সই, থাকতে পারে সাগর যখন টানে।
	রেখে গেলাম এই গোকুলে কুলের বৌ-ঝিরে।।

ভারতলক্ষ্মী মা আয় ফিরে এ ভারতে

বাণী

ভারতলক্ষ্মী মা আয় ফিরে এ ভারতে
ব্যথায় মোদের চরণ ফেলে অরুণ আশার সোনার রথে॥
অশ্রু গঙ্গার জলে ধুই মা তোর চরণ নিতি
ত্রিশ কোটি কণ্ঠে বাজে রোদনে তোর বোধনগীতি
আয় মা দলিত রাঙা হৃদয় বিছানো পথে॥
বিজয়া তোর হ’ল কবে শতাব্দী চলিয়া যায়
ভারত-বিজয়-লক্ষ্মী ভারতে ফিরিয়া আয়
বিসর্জনের কান্না মা এবার তুই এসে থামা
সফল কর এ তপস্যা মা স্থান দে স্বাধীন জগতে॥

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন

বাণী

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন শিকায় ঝুলে
কাচের জারে বেচারা তুই মরিস কেন ফেঁপে ফু’লে।।
কাঁচা তেঁতুল পেয়ারা আম
ডাঁশা জামরুল আর গোলাপ জাম —
যেমনি তোরে দেখিলাম অমনি সব গেলাম ভুলে।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

এসো এসো এসো ওগো মরণ

বাণী

	এসো এসো এসো ওগো মরণ!
এই	মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।।
	না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে
	বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে,
তাতা	থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে —
ভীম	রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।।
		দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি
		মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’।
	কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ
	নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ,
সে	দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ,
সেথা	জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।।
		হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’,
		এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’।
	মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো!
	শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ।
	মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো —
এই	শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।।
		জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া,
		নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া!
	মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে;
	মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে।
	জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে,
তাই	শিকল বিকল মাগ্‌ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।

‘মরণ-বরণ’

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে

বাণী

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া।
সখি ক্যওন উও বন্‌শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র‍্যহন্‌ যায়,
মন্‌ ভ্যয়ে উদাস্‌ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।।
নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি
চ্যরণন্‌ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্‌ মন্‌ প্রাণ ডোলে রি
প্রেম্‌সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।।
স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি
যাঁহা ব্যন্‌চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার
চ্যরণন্‌ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার —
নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্‌ গাউঙ্গি র‍্যসিয়ারি।।