বাণী
জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগ ও তাল
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি
ভিডিও
স্বরলিপি

জানি পাব না তোমায় হে প্রিয় আমার এ জীবনে আর॥ এ আমার ললাট লেখা আমি রব চির একা নিমেষের দিয়ে দেখা কাঁদাবে আবার॥ তুব হে জীবন স্বামী তোমারি আশায় আমি আসিব এ ধরণীতে যুগে যুগে অনিবার॥
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালি

গিরিধারী লাল কৃষ্ণ গোপাল যুগে যুগে হ’য়ো প্রিয় জনমে জনমে বঁধু তব প্রেমে আমারে ঝুরিতে দিও॥ তুমি চির চঞ্চল চির পলাতকা প্রেমে বাঁধা প’ড়ে হ’য়ো মোর সখা মোর জাতি কুল মান তনু মন প্রাণ হে কিশোর হ’রে নিও॥ রাধিকার সম কুব্জার সম রুক্সিণী সম মোরে গোকুল মথুরা দ্বারকায় নাথ রেখো তব সাথী করে। গোপনে চেয়ো সব শত গোপীকায় চন্দ্রাবলী ও সত্যভামায় তেমনি হে নাথ চাহিও আমায় লুকায়ে ভালেবাসিও॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
১.

২.

এত দিনে ধরা দিলে বনের পাখি। কেথায় রাখি, কোন্ প্রিয় নামে ডাকি।। সদাই জাগে ভয়, দুরু দুরু হিয়া কখন উড়ে যাবে বনের পাপিয়া জেগে থাকি তাই সদা ঘুমহারা আঁখি।। নয়নে রাখিলে, হিয়া কাঁদে অভিমানে হিয়ায় রাখিলে, বারি ঝরে নয়নে, তুমি ব’লে দাও প্রিয় কোথায় রাখি।।
নাটক : ‘অর্জুন-বিজয়’
রাগঃ
তালঃ
কালো পাহাড় আলো করে কে ও কে কালো শশী, নিতুই এসে লো বাজায় বাঁশি কদম তলায় বসি।। সই লো মানা কর্ না ওকে, ও চায় না যেন অমন চোখে, ওর চাউনি দেখে অলপ বয়সে হলাম দোষী।। গুরুজনের সে ভয় করে না, বাঁকিয়ে ভুরু ডাকে — সে ডাকে, আমারে সে ডাকে। রাতের বেলায় চোরের মত চাহে বেড়ার ফাঁকে। আমি না চাহিলে নূপুর ছুঁড়ে কলসি ভেঙে পালায় দূরে, আমি মরেছি সই প'রে তাহার বনমালার রশি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর ধ্যান। শ্রীকৃষ্ণ বসন শ্রীকৃষ্ণ ভূষণ ধরম করম মোর জ্ঞান।। শয়নে স্বপনে ঘুমে জাগরণে বিজড়িত শ্রীকৃষ্ণ নাম (মোর) কৃষ্ণ আত্মা মম কৃষ্ণ প্রিয়তম ওই নাম দেহ মন প্রাণ।। কৃষ্ণ নয়ন-ধার কৃষ্ণ গলার হার এ হৃদয় তাঁরি ব্রজধাম ঐ নাম-কলঙ্ক ললাটে আঁকিয়া গো ত্যাজিয়াছি লাজ কুল মান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এখনো মেটেনি আশা এখনো মেটেনি সাধ। এখনো নয়ন মানে নাই তার চাহনির অপরাধ।। আজো ঢেউগুলি নীল সায়রের কোলে জল-তরঙ্গে ঝঙ্কার তোলে পিয়াসি চাতক আজো চেয়ে ফেরে বরষার পরসাদ।। কবে ফুটছিল রূপের কুসুম বনানীর লতা-গাছে, আজো গৌরী-চাঁপার রঙটুকু তার মরমে লাগিয়া আছে। চ'লে গেছে চাঁদ আলো আবছায় দাগ ফেলে হিয়া-আয়নার গায় থেমেছে কানুর বাঁশরি থামেনি যমুনার কলনাদ।। ঢাল পিয়ালে লাল সিরাজী নিত্য দোদুল তালে তালে আঁকবো বুকে প্রীতির ব্যথা রঙ্গিন নেশায় রঙ্গিন জালে।। মত্ত হবো চিত্ত হারা বেদনা ভরা বদমেজাজি করলে পাগল ব্যর্থ আশায় করলে প্রেমরে দাগাবাজি।। রঙ্গিন বঁধু তুমি শুধু, তুমি শুধু সত্যি হবে রঙ্গিন নেশায় রঙ্গিন পথে তুমি শুধু সাথী হবে।। শুল্ক তালু কণ্ঠ আমার দে রে আমার রুগ্ন গালে দে রে সাকি দে রে ঢেলে নিত্য দোদুল তালে তালে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
