নাই হ'ল মা বসন ভূষণ এই ঈদে আমার

বাণী

নাই হ'ল মা বসন ভূষণ এই ঈদে আমার।
আল্লা আমার মাথার মুকুট রসুল গলার হার।।
নামাজ রোজার ওড়না শাড়ি, ওতেই আমায় মানায় ভারি,
কল্‌মা আমার কপালে টিপ, নাই তুলনা তার।।
হেরা গুহারই হীরার তাবিজ, কোরান বুকে দোলে
হাদিস্‌ ফেকাহ্‌ বাজুবন্দ্‌ দেখে পরাণ ভোলে।
হাতে সোনার চুড়ি যে মা, হাসান হোসেন মা ফাতেমা,
মোর অঙ্গুলিতে অঙ্গুরি, মা নবীর চার ইয়ার।।

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে

বাণী

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে।
বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।।
	কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে
	নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে,
কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।

নাটক : ‘সর্বহারা’

রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়

বাণী

রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়
ফুটিল শাখে মুকুল ও রাঙা চরণ-ঘায়।।
সে নাচে তটিনী-জল টলমল টলমল,
বনের বেণী উতল ফুলদল মুরছায়।।
বিজরি-জরীর আঁচল ঝলমল ঝলমল
নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।
তালীবন থৈ তাথৈ করতালি হানে ঐ, (হায় রে হায়)
‌‌‘কবি, তোর তমালী কই’ — শ্বসিছে পুবালি-বায়।।

অন্ধকারে এসে তুমি অন্ধকারে গেছ চ’লে

বাণী

অন্ধকারে এসে তুমি অন্ধকারে গেছ চ’লে।
তোমার পায়ের রেখা জাগে শূন্য গৃহের অঙ্গন-তলে।।
		কেন আমায় জাগালে না
		আঘাতে ঘুম ভাঙালে না,
দ’লে কেন গেলে না গো যাবার বেলা চরণ-তলে।।
কৃষ্ণা তিথির চাঁদের মত এসেছিলে গভীর রাতে,
আলোর পরশ বুলিয়ে দিলে ঘুমন্ত মোর নয়ন-পাতে;
		তাই রজনীগন্ধা সুখে
		চেয়ে আছে উর্ধ্ব মুখে,
ফুলগুলিরে জাগিয়ে গেলে নিঠুর আমায় গেলে ছ’লে।।

এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত

বাণী

এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত
বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রেচঞ্চল তরুণ দুরন্ত।।
		বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর
		পরজ বসন্তের সুর
পান্ডু কপোলে জাগে রঙ নব অনুরাগে রাঙা হ’ল ধূসর দিগন্ত।।
		কিশলয়ে পর্ণে অশান্ত
		ওড়ে তার অঞ্চল প্রান্ত
পলাশ কলিতে তার ফুল ধনু লঘু ভার ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।।
		এলোমেলো দখিনা মলয় রে
		প্রলাপ বকিছে বনময় রে
অকারণ মন-মাঝে বিরহের বেণু বাজে জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।

তরুণ অশান্ত কে বিরহী

বাণী

তরুণ অশান্ত কে বিরহী।
নিবিড় তমসায় ঘন ঘোর বরষায় —
দ্বারে হানিছ কর রহি রহি।।
ছিন্ন পাখা কাঁদে মেঘ-বলাকা
কাঁদে ঘোর অরণ্য আহত-শাখা
	চোখে আশা-বিদ্যুৎ
	এলে কোন মেঘদূত,
বিধূর বঁধূর মোর বারতা বহি’।।