পাপে তাপে মগ্ন আমি জানি

বাণী

	পাপে তাপে মগ্ন আমি জানি জানি তবু।
	পাপের চেয়ে তোমার ক্ষমা অনেক অধিক প্রভু।।
	শিশু যেমন সারা বেলায় ধূলা মাখে
	খেলার শেষে সন্ধ্যাবেলায় মাকে ডাকে,
(ওগো)	ধূলায় মলিন সে ছেলেরে মা কি ত্যাজে কভু।।
	তোমার ক্ষমা যে দেখেছে হে মোর প্রেমময়,
	অশেষ পাপে পাপী হলেও করে না সে ভয়।
	মুছবে তুমি তুমিই যদি মাখাও ধূলি
	কাঁদাও যদি তুমি নেবে কোলে তুলি,
	আমি তাই করি যা করাও তুমি হে লীলাময় প্রভু।।

আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল

বাণী

		আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল।
		দিনে দিনে দিন গেল তোর দুনিয়াদারি ভোল।।
রোজ		কেয়ামতের নিয়ামত এই আল্লাহ-রসুল বাণী
তোর		আখেরের ভুখের খোরাক পিয়াসের ঐ পানি
তোর		দিল দরিয়ায় আল্লাহ-রসুল জপের লহর তোল।।
তোর		স্ত্রী-পুত্র ভাই-বেরাদর কেউ হবে না সাথি
   		আঁধার গোরে রইবি প’ড়ে জ্বালবে না কেউ বাতি।
যে		নামে হেসে পার হবি তুই পুল-সেরাতের পোল।।
(ওরে)		হাড়-ভাঙা খাটুনি খেটে ঘুরে ঘুরে পথে
		আনিস যা তুই লাগবে না তা তোর কাজে আকবতে।
যে		যে নাম জ’পে পাবি রে তুই মোস্তফারই কোল।।

বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে

বাণী

বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে।
তুমি আসিলে না, (হায়!) আশার সূর্য ডুবিল সাগর-নীরে।।
	চলে যাই যদি, চিরদিন মনে
	তোমার সে-কথা রহিবে স্মরণে
শুধু সেই কথা শোনার লাগিয়া হয়তো আসিব ফিরে।।
শুধু সেই আশে হয়তো এ তনু মরণে হবে না লীন
পথ চেয়ে চেয়ে, তব নাম গেয়ে বাজাব বিরহ-বীণ।
	হের গো, আমার যাবার সময় হলো
	তোমার সে-কথা মিথ্যা হবে না বলো,
কোন শুভক্ষণে নিমেষের তরে জড়াবে কন্ঠ ঘিরে।।

জনম জনম গেল আশা পথ চাহি

বাণী

জনম জনম গেল আশা–পথ চাহি’।
মরু–মুসাফির চলি, পার নাহি নাহি।।
বরষ পরে বরষ আসে যায় ফিরে,
পিপাসা মিটায়ে চলি নয়নের নীরে।
জ্বালিয়া আলেয়া–শিখা, নিরাশার মরীচিকা
ডাকে মরু–কাননিকা শত গীত গাহি’।।
এ মরু ছিল গো কবে সাগরের বারি
স্বপন হেরি গো তারি আজো মরুচারী।
সেই সে সাগর–তলে, যে তরী ডুবিল জলে
সে তরী–সাথীরে খুঁজি মরু–পথ বাহি’।।

মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম

বাণী

মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম শ্রীকৃষ্ণহি তন-মন-প্রাণ।
সব্‌সে নিয়ারে পিয়ারে শ্রীকৃষ্ণজী নয়নুঁকে তারে সমান॥
দুখ সুখ সব শ্রীকৃষ্ণ মাধব কৃষ্ণহি আত্মা জ্ঞান
কৃষ্ণ কণ্ঠহার আঁখকে কাজর কৃষ্ণ হৃদয়মে ধ্যান
শ্রীকৃষ্ণ ভাষা শ্রীকৃষ্ণ আশা মিটায়ে পিয়াস উয়ো নাম (মেরে)
স্বামী-সখা-পিতা-মাতা শ্রীকৃষ্ণজী ভ্রাতা-বন্ধু-সন্তান॥

সেই রবিয়ল আউয়ালেরই চাঁদ এসেছে ফিরে

বাণী

সেই রবিয়ল আউয়ালেরই চাঁদ এসেছে ফিরে
		ভেসে আকুল অশ্রুনীরে।
আজ মদিনার গোলাপ বাগে বাতাস বহে ধীরে
		ভেসে আকুল অশ্রুনীরে।।
	তপ্ত বুকে আজ সাহারার
	উঠেছে রে ঘোর হাহাকার
মরুর দেশে এলো আঁধার শোকের বাদল ঘিরে।।
চবুতরায় বিলাপ করে কবুতরগুলি খোঁজে নবীজীরে।
কাঁদিছে মেষশাবক, কাঁদে বনের বুলবুলি গোরস্থান ঘিরে।।
	মা ফাতেমা লুটিয়ে প’ড়ে
	কাঁদে নবীর বুকের পরে
আজ দুনিয়া জাহান কাঁদে কর হানি শিরে।।