হেড মাস্টারের ছড়ি সেকেন্ড মাস্টারের দাড়ি

বাণী

হেড মাস্টারের ছড়ি, সেকেন্ড মাস্টারের দাড়ি
থার্ড মাস্টারের টেড়ি, কারে দেখি কারে ছাড়ি।
হেড-পণ্ডিতের টিকির সাথে ওদের যেন আড়ি।
	দাঁড়াইয়া ঐ হাই বেঞ্চে
	হাসি রে মুখ ভেংচে ভেংচে,
খোঁড়া সেকেন্ড পণ্ডিত যায় লেংচে হুঁকো হাতে বাড়ি
তার মুখ নয় তেলো হাড়ি, মোর হেসে ছিড়ে যায় নাড়ি।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

আমি বুকের ভিতর থাকি

বাণী

আমি বুকের ভিতর থাকি তবু ওরা ডাকে দেখা দাও ব’লে।
ওরা চিনিতে পারে না কত রূপে আমি দেখা দিই কত ছলে।।
চোর চোর খেলি মনে বসে, ওরা বনে যায় খুঁজিতে;
কোলে থাকি আমি খোকা হয়ে, ওরা মন্দিরে যায় পূজিতে।
মোরে পাষাণ করিয়া ফেলে রাখে, ওরা আঁধার দেউল তলে।।
(ওরা ডাকিয়া লয় না কোলে গো আমি কোল্ যে বড় ভালবাসি।)
			কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।।
ওরা দেবতা ভাবিয়া পূজা দেয় যাহা, আমি তাহা নাহি খাই;
লুকায়ে ভিখারি সাজিয়া ওদের পাতের অন্ন চাই।
ওরা প্রভু ব’লে মোরে দূরে রাখে, তাই কেঁদে দূরে যাই চ’লে।
(ওরা গোপাল বলিয়া ডাকে না মোরে, কেন বুকে বেঁধে রাখে না।)
আমি তাই দূরে যাই চ’লে, কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।।

নাটক : ‌‘অন্নপূর্ণা’

কত জনম যাবে তোমার বিরহে

বাণী

কত	জনম যাবে তোমার বিরহে
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।
	শূন্য গেহ মোর শূন্য জীবনে,
একা	থাকারি ব্যথা কত সহে (ওগো)
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।
	দিয়েছি যে জ্বালা জীবন ভরি' হায়
	গলি নয়ন -ধারায় সে ব্যথা বহে
	স্মৃতির জ্বালা পরান দহে।।

যাদের তরে এ সংসারে খাটনু জনম ভর

বাণী

যাদের তরে এ সংসারে খাটনু জনম ভর,
তাদের কেউ হবে না হে নাথ মরণ-সাথি মোর।।
	শত পাপ শত অধর্ম ক’রে
বিভব রতন আনলেম ঘরে
সে সকল ভাগ বাটোয়ারা ক’রে খাবে পাঁচ ভুত চোর।।
জীবনে তোমার লই নাই নাম তোমাতে হয় নাই মতি
মরণ-বেলায় তাই কাঁদি প্রভু কি হবে মোর গতি।
	চেয়ে দেখি আজ  যাবার বেলায়
	কর্ম কেবল মোর সাথে যায়
তরিবার আর না দেখি উপায় বিনা পদতরী তোর।।

সাজে অভিনব সাজে রাই

বাণী

সাজে অভিনব সাজে রাই, — শ্যাম পাগলিনী
নয়ন টিপিয়া হাসে চারিপাশে আহিরিণী
আনমনে মনের ভুলে বাঁধে চূড়া বেণী খুলে
সিঁথি-মৌর ফেলে পরে শিখী-পাখা বিনোদিনী রাই সাজে একি সাজে রে
তারে হেরিয়া কি বনে শ্যাম লুকাইল লাজে রে।
গাগরি বিসরি বাজায় সে বাঁশরি,
পায়েলা পরা-পায়ে নূপুর বাজে রে।
পরিহরি নীলশাড়ি এলো পীত ধরা পরি
হেরিয়া কিশোর হরি মুখে বলে ‘হরি হরি’
আয় রে শ্রীদাম যা রে দেখে, আয় রে সুবল যা রে দেখে,
আয় বিরজা যা রে দেখে, আয় বিশাখা যা রে দেখে,
কার-চাঁদে তোরা দেখেছিস্‌ এবার গোরাচাঁদে তোরা যা লো দেখে।
উছলে রূপের ছটা কোটি রবি-শশী জিনি।।

ওকি ঈদের চাঁদ গো

বাণী

	ওকি ঈদের চাঁদ গো! চলে মদিনারই পথে গো!
যেন	হাসিন্ য়ুসোফ্ ফিরে এলো ফিরদৌস হতে গো।।
	যাহারা তার রূপ দেখে তারা ঝুরিছে আস্‌মানে
	গুল্ ভুলে তাই বুল্‌বুলি চেয়ে আছে গুলিস্তানে।
	বুঝি বেহেশ্‌তেরই বাদশাজাদা এলো সোনার রথে গো।।
	সাদা কবুতরের মত চরণ দুটি ছুঁয়ে,
	গোলাপ চাঁপা উঠছে ফুটে ধূলিমাখা ভুঁয়ে গো।
সেই	চাঁদের মুখে জোছনা সম খোদার কালাম ঝরে
তা’র	রূপ দেখে, তা’র গুণ শুনে মোর মন রহে না ঘরে লো,
আমি	উন্মাদিনী সেই মাদানী নবীর মোহব্বতে গো।।