বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া

বাণী

বালা যোবান মোরি স্যখিরি পরদেশে পিয়া।
ক্যায়সে স্যামহালু সোলা ব্যরস উম্যারিয়ারি পরদেশে পিয়া।।
ব্যয়রি ভ্যয়রি যোবান দিলমে নাহি চ্যয়ন
দিল ন্য লাগে কামমে জাগি কাটে রয়ন
সোতে ড্যর লাগে একেলী স্যবরিয়া রি পরদেশে পিয়া।।
ফিকা লাগে খানা পিনা ন্যয়নোমে নিদ ন্যহিরি
যাঁহা মোরি বিদেশিয়া লেবা মোহে ওয়াহিরি।
আয়ে ফাগুন চৈত স্যখি খিলা যোবান ফুল মোর
স্যতায়ে নিসদিন মোহে বুলবুল আওর ফুলচোর
ক্যয়সে ছিপাউ উও ফুল প্যতরি আঙ্গিঁয়ারি পরদেশে পিয়া।।

ভোরে ঝিলের জলে শালুক-পদ্ম

বাণী

ভোরে ঝিলের জলে শালুক-পদ্ম তোলে কে
		ভ্রমর-কুন্তলা কিশোরী
ফুল দেখে বেভুল সিনান বিসরি’।।
একি নূতন লীলা আঁখিতে দেখি ভুল
কমল ফুল যেন তোলে কমল ফুল
ভাসায়ে আকাশ-গাঙে অরুণ-গাগরি।।
ঝিলের নিথর জলে আবেশে ঢল ঢল
গ’লে পড়ে শত সে তরঙ্গে,
শারদ-আকাশে দলে দলে আসে
মেঘ, বলাকার খেলিতে সঙ্গে।
আলোক-মঞ্জরি প্রভাত বেলা
বিকশি’ জলে কি গো করিছে খেলা
বুকের আঁচলে ফুল উঠিছে শিহরি’।।

সখি সে হরি কেমন বল্‌

বাণী

সখি, সে হরি কেমন বল্‌। 
নাম শুনে যা’র এত প্রেম জাগে চোখে আনে এত জল।।
সখি	সে কি আসে এই পৃথিবীতে
	গাহি’ রাধা নাম বাঁশরিতে?
যা’র অনুরাগে বিরহ-যমুনা হয়ে ওঠে চঞ্চল।।
তা’রে কি নামে ডাকিলে আসে
কোন্‌ রূপ কোন্‌ গুন পাইলে, সে রাধা সম ভালোবাসে?
	সখি শুনেছি সে নাকি কালো
	জ্বালে কেমনে সে এত আলো,
মায়া ভুলাইতে মায়াবী সে নাকি করে গো মায়ার ছল।।

আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে

বাণী

	আমারে সকল ক্ষুদ্রতা হ’তে বাঁচাও প্রভু উদার!
	হে প্রভু, শেখাও নীচতার চেয়ে নীচ পাপ নাহি আর।।
		যদি শতেক জন্ম-পাপে হই পাপী
		যুগ-যুগান্ত নরকেও যাপি,
	জানি জানি প্রভু, তারও আছে ক্ষমা, ক্ষমা নাই নীচতার।।
	ক্ষুদ্র করো না, হে প্রভু, আমার হৃদয়ের পরিসর,
যেন	হৃদয়ে আমার সম ঠাঁই পায় শত্রু-মিত্র-পর।
		নিন্দা না করি ঈর্ষায় কারো
		অন্যের সুখে সুখ পাই আরো,
	কাঁদি তাঁ’রি তরে অশেষ দুঃখী ক্ষুদ্র আত্মা যার।।

‘মোনাজাত’

নাচের নেশার ঘোর লেগেছে

বাণী

	নাচের নেশার ঘোর লেগেছে নয়ন পড়ে ঢু’লে (লো)।
	বুনোফুল পড়লো ঝ’রে নাচের ঘোরে
				দোলন-খোঁপা খুলে (লো)।।
	শুনে এই মাদল-বাজা
	নাচে চাঁদ রাতের রাজা নাচে লো নাচে —
	শালুকের কাঁকাল ধ’রে
	তাল-পুকুরের জলে হে’লে দু’লে (লো)।।
	আঁউরে গেল ঝুম্‌কো জবা লেগে গরম গালের ছোঁওয়া
	বাঁশি শুনে ঘুলায় মনে কয়লা-খাদের ধোঁওয়া (লো)।
সই	নাচ ফুরালে ফিরে’ ঘরে,
	রাত কাটাব কেমন ক’রে
	পড়বে মনে বাঁশুরিয়ার চোখ দু’টি টুলটুলে (লো)।।

কাণ্ডারি গো কর কর পার

বাণী

কাণ্ডারি গো কর কর পার এই অকূল ভব-পারাবার।
তোমার চরণ-তরী বিনা, প্রভু পারের আশা নাহি আর।।
	পাপের তাপের ঝড় তুফানে
	শান্তি নাহি আমার প্রাণে।
আমি যেদিকে চাই দেখি কেবল নিরাশারি অন্ধকার।।
	দিন থাকতে আমার মতো
		কেউ নাহি সম্ভাষে,
	হে প্রভু তোমায়
		কেউ নাহি সম্ভাষে
	দিন ফুরালে খাটে শুয়ে
		এই ঘাটে সবাই আসে।
	লয়ে তোমারি নামের কড়ি
	সাধু পেল চরন-তরী
সে কড়ি নাই যে কাঙ্গালের হও হে দীনবন্ধু তার॥