বাণী
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগ ও তাল
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
কেন আজ নতুন ক’রে পরান তোমারে পাইতে চায়। এত কাছে আছো তবু কেন বুকে অসহ বিরহ হায়।। রূপ-সরসীতে ফুটালে পদ্মিনী বঁধু দিলে সুরভি রসঘন মধু, তবু শীর্ণা তনু কেন চায় গোধুলি রাঙা-শাড়ি - আল্তা পরিতে কেন সাধ যায়।। বনশ্রী কাঁদে প্রেম কণ্ঠ জড়ায়ে ওলো নিরাভরণা অথই জলে কাঁদে প্রেম ঘন কমল খোঁপায় কেন পর না, কেন তব সুরের কপোতী মুক্তামালা চুড়ি কাঁকন পরায়।।
রাগঃ
তালঃ
তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়) আমি দেব হার পরায়ে। মোর চোখে যদি জল করে টলমল আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ
হেরেমের বন্দিনী কাঁদিয়া ডাকে তুমি শুনিতে কি পাও? আখেরি নবী প্রিয় আল-আরবি বারেক ফিরে চাও।। পিঁজরার পাখি সম অন্ধকারায় বন্ধ থাকি' এ জীবন কেটে' যায়; কাঁদে প্রাণ ছুটে যেতে তব মদিনায় চরণের এই জিঞ্জির খুলে' দাও।। ফতেমার মেয়েদের হেরি' আঁখি-নীর বেহেশতে কেমনে আছ তুমি থির! যেতে নারি মসজিদে শুনিয়া আজান, বাহিরে ওয়াজ হয়, ঘরে কাঁদে প্রাণ ঝুটা এই বোরখার হোক অবসান — আঁধারে হেরেমে আশা-আলোক দেখাও।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি। তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।। শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী, ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি, না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।। তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী, ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি। তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম, রণরঙ্গিণী ফিরে এসো, তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

উভয়ে : কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই সুদূর বিমানে আমরা দু’জনে। কানন-কান্তর শিহরি’ ওঠে মোদের প্রণয়-মদির কূজনে।। স্ত্রী : ভ্রমর গুঞ্জে মঞ্জুল গীতি, হেরিয়া আমার বঁধূর প্রীতি, পুরুষ : আমার প্রিয়ার নয়নে চাহি’ কুসুম ফুটে ওঠে বিপিনে বিজনে।। স্ত্রী : তোমা ছাড়া স্বর্গ চাহি না, প্রিয়! মোদের প্রেমে চাঁদ আসে নেমে মাটির পাত্রে পান করি অমিয়।। পুরুষ : বিশ্ব ভুলায়ে ও-রাঙা পায়ে আমারে বেঁধেছে জীবনে মরণে।।
রাগঃ পিলু বারোয়াঁ
তালঃ ত্রিতাল
