বাণী
ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা (সুখ) স্বপন যাবে টুটে। ফুল-শয্যার ফুটবে কাঁটা প্রভাতবেলা উঠে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঘুম যবে ভাঙবে কন্যা (সুখ) স্বপন যাবে টুটে। ফুল-শয্যার ফুটবে কাঁটা প্রভাতবেলা উঠে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে। বলিও আমার পরদেশী রে।। সে দেশে যবে বাদল ঝরে কাঁদে নাকি প্রাণ একেলা ঘরে, বিরহ-ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।। বাদল-রাতে ডাকিলে ‘পিয়া পিয়া পাপিয়া’, বেদনায় ভ’রে ওঠে নাকি রে কাহারো হিয়া। ফোটে যবে ফুল, ওঠে যবে চাঁদ জাগে না সেথা কি প্রাণে কোন সাধ, দেয় না কেহ গুরু গঞ্জনা সে দেশে বুঝি কুলবতী রে।।
রাগঃ সিংহেন্দ্র মধ্যম (দক্ষিণী রাগ)
তালঃ আদ্ধা
শিল্পীঃ ইন্দ্রানী গাঙ্গুলি
বি. দ্র.: স্বরলিপি অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত

কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে। সুখের বাসরে কেন, প্রাণ ওঠে বিষাদে ভ’রে।। কেন মিলন রাতে, সলিল আঁখি পাতে, কেন ফাগুন প্রাতে, সহসা বারি ঝরে।। ডাকিয়া ফুলবনে, থাকে সে আনমনে, কাঁদায় নিরজনে, কাঁদে কে কিসের তরে।।
রাগঃ মিশ্র পিলু-খাম্বাজ-দূর্গা
তালঃ কাহার্বা

নৃত্যময়ী নৃত্যকালী নিত্য নাচে হেলে দুলে। তার রূপের ছটায়, নাচের ঘটায় শম্ভু লুটায় চরণ-মূলে।। সেই নাচেরি ছন্দ-ধারা, চন্দ্র, রবি, গ্রহ, তারা, সেই, নাচনের ঢেউ খেলে যায় সিন্ধু জলে পত্রে ফুলে।। সে মুখ ফিরায়ে নাচে যখন ধরায় দিবা হয় রে তখন, এ বিশ্ব হয় তিমির-মগন মুক্তকেশীর এলোচুলে।। শক্তি যথায়, যথায় গতি; মা সেথাই নাচে মূর্তিমতী কবে দেখব সে নাচ অগ্নি-শিখায় আমার শবে চিতার কূলে।।
রাগঃ
তালঃ
ব্রজবাসী মোরা এসেছি মথুরা, দ্বার ছেড়ে দাও দ্বারী। মথুরার রাজা হ’য়েছে মোদের কানাই গোঠ বিহারী।। [মথুরার রাজা হয়েছে হায় তোমাদের রাজা হয়েছে ভাই — কানাই গোঠ বিহারী, দ্বার ছেড়ে দাও দ্বারী।]* রাজ-দণ্ড কেমন মানায় শোভিত যে হাতে বাঁশি [শোভিত যে হাতে বাঁশি]* মুকুট মাথায় কেমন দেখায় শিরে শিখী-পাখা ধারী।। [সে শিরে শিখী-পাখা ধারী দ্বার ছেড়ে দাও দ্বারী।]* শ্যামলী ধেনুর দুগ্ধের ক্ষীর এনেছি কানুর লাগিয়া পাঠায়েছে তারে মথিয়া নবনী, যশোদা-নিশীথ জাগিয়া, বনমালী লাগি নব-নীপ-মালা আনিয়াছি হের [মোরা] গাঁথিয়া, কুড়ায়ে এনেছি ফেলে এসেছিল যে বাঁশরি বনচারী।। ব্রজের দুলাল রাখাল ব’সেছে রাজার আসন ’পরে, সারা গোকুলের এনেছি আশিস তাই রে তাহার তরে। পাঠায়েছে গোপী-চন্দন তাই রাই অনুরাগ ভরে (পাঠায়েছে রাই অনুরাগ ভরা গোপী চন্দন, পাঠায়েছে রাই [তাই] হরির লাগিয়া হরি চন্দন।) নয়ন-যমুনা ছানিয়া এনেছি আকুল অশ্রুবারি।। [দ্বার ছেড়ে দাও দ্বারী।।]*
* রেকর্ডে গীত
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মাকে আদর করে কালী বলি সে সত্যি কালো নয় রে। তার ঈষৎ হাসির এক ঝলকে জগৎ আলো হয় রে, ত্রি-জগৎ আলো হয় রে।। (কালো নয় কালো নয়, চরণে যার মহাকাল পায়ের নখে চাঁদের মালা, কালো নয় কালো নয়) সত্যি কালো নয় রে।। (আমরা) আপনভোলা পাগলী গিরিবালা মুন্ডামালায় মনে করে কুন্দফুলের মালা; (রয়) মরা-ছেলে বুকের ধ’রে শ্মশানে তন্ময় রে, রয় শ্মশানে তন্ময় রে। শ্মশানে সে থাকে ব’লে ভয়ঙ্করী নয় রে! (ভবের) খেলা-শেষে সকলেরে দেয় সে বরাভয় রে।। (সে) মারে যাকে, মালা করে তারেও পরে রয় রে! (সেই) তামসিকও যায়রে তরে (মাকে) তামসী যে কয় রে।।
রাগঃ
তালঃ ফেরতা (দাদ্রা ও কাহার্বা)
