জোছনা-হসিত মাধবী নিশি

বাণী

জোছনা-হসিত মাধবী নিশি আজ।
পর পর প্রিয়া বাসন্তি-রাঙা সাজ।।
রাঙা কমল-কলি দিও কর্ণ-মূলে
পর সোনালি চেলি নব সোনাল্ ফুলে,
স্বর্ণলতার প’র সাতনরী-হার আজি উৎসব-রাত,
		রাখ রাখ গৃহ-কাজ।।
পর কবরী-মূলে নব আমের মুকুল
হাতে কাঁকন পর গেঁথে অতসীর ফুল,
দূরে গাহুক ডাহুক পাখি সখি, মুখর নিলাজ।।

বেদনা-বিহ্বল পাগল পূবালী পবনে

বাণী

বেদনা-বিহ্বল পাগল পূবালী পবনে
হায় নিদ-হারা তার আঁখি-তারা জাগে আনমনা একা বাতায়নে।।
	ঝরিছে অঝোর নভে বাদল,
	হিয়া দুরু দুরু মন উতল,
কাজলের বাঁধ নাহি মানে হায় — অশ্রুর নদী দু' নয়নে।।
	মন চলে গেছে দূর সুদূর —
	একা প্রিয় যথা ব্যথা-বিধুর,
এ বাদল-রাতি কাটে বিনা সাথী, তারি কথা শুধু পড়ে মনে।।

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন

বাণী

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন!
চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥
	বৃষ্টিধারা সম নব নবতম,
	সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম
রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥

চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’

ভাঙা মন (আর) জোড়া নাহি যায়

বাণী

ভাঙা মন (আর) জোড়া নাহি যায়
ওগো ঝরা ফুল আর ফেরে না শাখায়।।
	শীতের হাওয়ায় তুষার হয়ে
	গলি' খরতাপে বারি যায় ব'য়ে
গলে নাক' আর হৃদয়-তুষার এ উষ্ণ ছোঁওয়ায় ।।
	গাঁথি' ফুলমালা নাহি দিয়া গলে
	শুকালে নিঠুর তব মুঠি-তলে,
হাসিবে না সে ফুল শত আঁখি-জলে আর সে শোভায়।
	স্রোতের সলিলে
	যে বাঁধ বাঁধিলে
ভাঙিয়ে সে বাঁধ তোমারে ভাসায়।।

ও ভাই আমার এ না’ যাত্রী না লয়

বাণী

ও ভাই	আমার এ না’ যাত্রী না লয় ভাঙা আমার তরী।
আমি		আপনারে ল’য়ে রে ভাই এপার ওপার করি।।
আমি		এই জলেরি আয়নাতে ভাই দেখেছিলাম তায়
এখন		আয়না আছে প’ড়ে রে ভাই আয়নার মানুষ নাই।
তাই		চোখের জলে নদীর জলে রে আমি তারেই খুঁজে মরি।।
আমি		তারি আশে তরী নিয়ে ঘাটে ব’সে থাকি
আমার	তারির নাম ভাই জপমালা, তারেই কেঁদে ডাকি।
আমার	নয়ন-তারা লইয়া গেছে রে নয়ন নদীর জলে ভরি’।।
ঐ		নদীর জলও শুকায় রে ভাই, সে জল আসে ফিরে
আর		মানুষ গেলে ফিরে নাকি দিলে মাথার কিরে।
আমি		ভালোবেসে গেলাম ভেসে গো আমি হলাম দেশান্তরী।।

হে নিঠুর তোমাতে নাই আশার আলো

বাণী

হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো।
তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।।
তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা
চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা।
নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।

নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’