বাণী
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
আমি যদি বাবা হতুম বাবা হ’ত খোকা না হলে তার নাম্তা পড়া মারতাম মাথায় টোকা।। রোজ যদি হ’ত রবিবার! কি মজাটাই হ’ত গো আমার! কেবল ছুটি! থাকত নাক’ নামতা লেখাজোঁখা থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অঙ্কে ধর্ত পোকা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশির ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হানা–ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা।। তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল কোন্ হারা–মা ডাক্লো তোকে রে ঐ গগন–সীমায় সাঁঝের ছায়ায় — হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায় — উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেনবুক–ভরা ও’ গভীর স্নেহে ডাক দিয়ে যায়, ‘আয়, ওরে আয় আয় আয়, কোলে আয় রে আমার দুষ্টু খোকা! ওরে আমার পলাতকা।।‘ দখিন হাওয়ায় বনের কাঁপনে — দুলাল আমার! হাত–ইশারায় মা কি রে তোর ডাক দিয়েছে আজ? এতদিনে চিনলি কি রে পর ও আপনে! নিশি ভোরেই তাই কি আমার নামলো ঘরে সাঁঝ? ধানের শীষে, শ্যামার শিষে — যাদুমণি! বল্ সে কিসে রে, তুই শিউরে চেয়ে ছিঁড়্লি বাঁধন! চোখ ভরা তোর উছলে কাঁদন রে! তোরে কে পিয়ালো সবুজ স্নেহের কাঁচা বিষে রে! যেন আচম্কা কোন্ শশক–শিশু চম্কে ডাকে হায়, ‘ওরে আয় আয় আয় — বনে আয় ফিরে আয় বনের সখা। ওরে চপল পলাতকা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুধীন দাস

বেলা শেষে গিরি-পথের ছায়ে। কলস ভরে কুঁড়েয় ফেরে সার বেঁধে ঐ বনের কালো মেয়ে।। তাদের পায়ে বাজে মল চলন-দোলায় নয়ন ভোলায় উছ্লে পড়ে জল, তারা আপন মনে পথের টানে চলে রে গান গেয়ে।। গাইল যে রে উদাস-করা গান, বিভোর ক’রে বনের মন-প্রাণ, সুরে ভুবন হ’ল মগন, আকাশ গেল ছেয়ে।। তাদের ফুলে বাঁধা কেশ কাজল-নয়ন, হৃদয়-হরণ বন-দেবীর বেশ, তাদের কালো রূপের ধারায় নেয়ে পাষাণ রহে চেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ
মন দিয়ে যে দেখি তোমায় তাই দেখিনে নয়ন দিয়ে। পরান আছে বিভোর হয়ে তোমার নামের ধেয়ান নিয়ে॥ হৃদয় জুড়ে আছ ব’লে, এড়িয়ে চলি নানান ছলে। আছ আমার অন্তরে, তাই অন্তরালে রই লুকিয়ে॥ আমার কথা শুনাই না গো তোমার কথা শোনার আশায়, ভরে আছে অন্তর মোর বন্ধু তোমার ভালোবাসায়। তোমায় ভালো বাসতে পেরে পেয়েছি মোর আনন্দেরে অমর হলাম হে প্রিয় মোর তোমার প্রেমের সুধা পিয়ে॥
রাগঃ কাফি-সিন্ধু
তালঃ যৎ (৮ মাত্রা)

তোর রাঙা পায়ে নে মা শ্যামা আমার প্রথম পূজার ফুল। ভজন, পূজন জানি না মা হয়ত হবে কতই ভুল।। দাঁড়িয়ে দ্বারে ‘মা মা’ বলে ভাসি আমি নয়ন জলে। ভয় হয় মা ছুঁই কেমনে মা তোর পূজার বেদী-মূল।। আশ্রয় মোর নাই জননী ত্রিভুবনে কোথাও হায়! দাঁড়াই মাগো কাহার কাছে তুইও যদি ঠেলিস পায়। হানে হেলা সবাই যা’রে তুই নাকি কোল দিস্ মা তা’রে আমি সেই আশাতে এসেছি মা অকূলে তুই দে মা কূল।।
রাগঃ কাফি-সিন্ধু
তালঃ যৎ
নিশীথ রাতে ডাক্লে আমায়, কে গো তুমি কে? কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে, কে গো তুমি কে।। তোমার আকুল করুণ স্বরে আজকে তা’রেই মনে পড়ে, এম্নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।। দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি১ তারার পানে দূরে, আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্নি করুণ সুরে। একটি কথা শুন্ব ব’লে রাত কেটে যায় চোখের জলে, দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।
১. থাকি
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা