আল্লা নামের বীজ বুনেছি

বাণী

আল্লা নামের বীজ বুনেছি এবার মনের মাঠে।
ফলবে ফসল বেচব তারে কেয়ামতের হাটে।।
	পত্তনীদার যে এ জমির
	খাজনা দিয়ে সেই নবীজীর
বেহেশতেরই তালুক কিনে বসব সোনার খাটে।।
মসজিদে মোর মরাই বাঁধা হবে নাকো চুরি,
মনকির নকির দুই ফেরেশতা হিসাব রাখে জুড়ি' রে;
	রাখবো হেফাজতের তরে
	ঈমানকে মোর সাথী করে,
রদ হবে না কিস্তি (মোর), জমি উঠবে না আর লাটে।।

নমো নমঃ রাম-খুঁটি

বাণী

নমো নমঃ রাম-খুঁটি!
তুমি গাদিয়া বসেছ আমাদের বুকে, সাধ্য নাই যে উঠি।।
	তুমি নির্বিকার হে পরম পুরুষ
	আপনাতে আছ আপনি বেহুঁশ,
তব বাঁধন ছিঁড়িতে বৃথা টানাটানি এই বৃথা মাথা কুটোকুটি।।
	এই আইন কানুন আচার বিচার
	বিধি ও নিষেধ স্ত্রী পরিবার
	(বাংলায় যাকে বলে Wife)
শত নামে তুমি জগৎ মাঝার চাপিয়া আছ যে টুটি।।
	কত রূপে তব লীলার প্রকাশ (রাম খুঁটো হে!)
	কভু হও খুঁটো কভু হও বাঁশ,
কভু হাঁড়ি-কাঠ কভু ঘানি-গাছ ঘোরাও ধরিয়া ঝুঁটি।।
কখনো পাঁচনী-রুপে পিঠে পড় (ওরে বাবারে)
	কখনো জোয়াল রূপে কাঁধে চড়,
	কখনো কঞ্চি, বাঁশ চেয়ে দড়
কভু গুঁতো কভু লাঠি (ওরে বাবারে)।
ঠুঁটো ত্রিভঙ্গ হে প্রভু, তোমার এই ভয়ে মোরা গুটিসুটি।।

‘খুঁটোর ভয়’

জগতের নাথ তুমি তুমি প্রভু প্রেমময়

বাণী

জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়।
আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।।
যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি,
(আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি।
সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।।
ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম —
তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম।
শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে —
তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে।
আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।

তোমারে চেয়েছি কত যুগ যুগ ধরি প্রিয়া

বাণী

পুরুষ	:	তোমারে চেয়েছি কত যুগ যুগ ধরি প্রিয়া।
স্ত্রী	:	এসেছি তাই ফিরে পুন পথিকের প্রীতি নিয়া॥
পুরুষ	:	তোমার নয়নে তাই চাহি ফিরে ফিরে,
স্ত্রী	:	হের তব ছবি প্রিয় মোর আঁখি নীরে।
উভয়ে	:	কত জনম শেষে এসেছি ধরণী তীরে
		কার অভিশাপে ছিনু হায় চির পাশরিয়া॥
স্ত্রী	:	আরো প্রিয় আরো হাতে এ নব বাসর রাতে,
পুরুষ	:	যেয়ো না স্বপন সম মিশায়ে নিশীথ প্রাতে।
স্ত্রী	:	তারার দীপালি জ্বলে হের গো গগন তলে
পুরুষ	:	হের শুক্লা একাদশী চাঁদের তরণী দোলে,
উভয়ে	:	মোদের মিলন হেরি নিখিল ওঠে দুলিয়া॥

আমি চাঁদ নহি চাঁদ নহি অভিশাপ

বাণী

	আমি চাঁদ নহি, চাঁদ নহি অভিশাপ
	শূন্য হৃদয়ে আজো নিরাশায় আকাশে করি বিলাপ।।
		শত জনমের অপূর্ণ সাধ ল'য়ে
আমি	গগনে কাদিঁ গো ভুবনের চাঁদ হয়ে
	জোছনা হইয়া ঝরে গো আমার অশ্রু বিরহ-তাপ।।
	কলঙ্কহয়ে বুকে দোলে মোর তোমার স্মৃতির ছায়া
	এত জোছনায় ঢাকিতে পারিনি তোমার মধুর মায়া।
		কোন সে সাগর মন্থন শেষে মোরে
		জড়াইয়া যেন উঠেছিলে প্রেমভরে
হায়	তুমি গেছ চলে বুকে তবু দোলে তব অঙ্গের ছাপ।।

করুণা তোর জানি মাগো আসবে শুভদিন

বাণী

		করুণা তোর জানি মাগো আসবে শুভদিন।
		হোক না আমার চরম ক্ষতি থাক না অভাব ঋণ।।
			আমায় ব্যথা দেওয়ার ছলে
			টানিস্ মা তোর অভয় কোলে,
		সন্তানে মা দুঃখ দিয়ে রয় কি উদাসীন।।
(তোর)	কঠোরতার চেয়ে বেশি দয়া জানি ব’লে,
		ভয় যত মা দেখাস্ তত লুকাই তোরই কোলে।
			সন্তানে ক্লেশ দিস্ যে এমন
			হয়ত মা তার আছে কারণ,
তুই		কাঁদাস্ ব’লে বল্‌ব কি মা হ’লাম মাতৃহীন।।