নীল সরসীর জলে চতুর্দশীর চাঁদ

বাণী

নীল সরসীর জলে চতুর্দশীর চাঁদ ডোবে আর উঠে গো।
এলোকেশে ঢেউয়ে জড়াজড়ি ক’রে পড়ে লুটে গো।।
	নীল-শাড়ি-বিজড়িত কিশোরী
	কলসী ল’য়ে ফেরে সাঁতরি’
চাঁদ ভেবে মুদিত কুঁড়ি হেসে ওঠে ফুটে গো।।
	সরসির পড়শি পলাশ, পারুল
	সুরভিত সমীরণ হাসিয়া আকুল,
	কলষে কঙ্কণে রিনিঝিনি সুর
	বাজে-তরঙ্গে সজল বিধুর,
কমলিনী হরষে ঢ’লে পড়ে পরশে অধর-পুটে গো।।

এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে

বাণী

এলে কি বঁধু ফুল-ভবনে।
মেলিয়া পাখা নীল গগনে।।
একা কিশোরী লাজ বিসরি’
তোমারে স্মরি সঙ্গোপনে,
এসো গোধূলির রাঙা লগনে।।
পাতার আসন শাখায় পাত,
বালিকা কলির মালিকা গাঁথ,
দিনু গন্ধ-লিপি ভোর-পবনে।।

কথা কইবে না বউ

বাণী

কথা কইবে না বউ, তোর সাথে তার আড়ি,
বউ মান করেছে, আজি চলে যাবে বাপের বাড়ি।।
বউ কসনে কথা কসনে,
এত অল্পে অধীর হ'সনে
ও নতুন ফুলের খবর পেলে
পালিয়ে যাবে তোকে ফেলে,
ওর মন্দ স্বভাব ভারি।।

ছায়াছবিঃ ‌‘সাপুড়ে’

বেদনার সিন্ধু-মন্থন শেষ হে ইন্দ্রানী

বাণী

বেদনার সিন্ধু-মন্থন শেষ, হে ইন্দ্রানী,
জাগো, জাগো করে সুধা-পাত্রখানি।।
রোদন-সায়রে ধুয়ে পুষ্পতনু
এসো অশ্রুর বরষার ইন্দ্র-ধনু,
হের কুলে অনুরাগে জীবন-দেবতা জাগে
	ধরিবে বলিয়া তব পদ্মপাণি।।
তব দুখ-রাত্রির তপস্যা শেষ- এলো শুভ দিন,
অতল-তমসা-লক্ষ্মী গো তুমি অমরার
এসো এসো পার হ'য়ে ব্যথার পাথার।
অশ্রুত অশ্রুর নীরবতা কর দূর
	কূলে কূলে হাসির তরঙ্গ হানি।।

ব্যথিত প্রাণে দানো শান্তি

বাণী

ব্যথিত প্রাণে দানো শান্তি, চিরন্তন, ধ্রুব-জ্যোতি।
দুখ-তাপ-পীড়িত-শোকার্ত এই চিত যাচে তব সান্ত্বনা ত্রিভুবন-পতি।।
বেদনা যাতনা ক্লেশ মুক্ত কর, বিপদ নিবার, সব বিঘ্ন হর,
আঁধার পথে তুমি হাত ধরো, প্রভু অগতির গতি।।
সকল গ্লানি হতে হে নাথ বাঁচাও, চিত্তে অটল প্রসন্নতা দাও
যেন সুখে ও দুখে সদানন্দে থাকি, অবিচল থাকে যেন তব পদে মতি।।

কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে

বাণী

কে গো গানে গানে হিয়া ভরালে।
নিরাশা ভুলায়ে আশা ধরালে।।
	বল বল মোরে
	কেন এমন ক’রে
পলকে পুলকে আঁখি ঝরালে।।