বাণী
পতিত উধারণ জয় নারায়ণ কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্ব-ভ্যয়-হ্যর্যণ জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পতিত উধারণ জয় নারায়ণ কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্ব-ভ্যয়-হ্যর্যণ জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।
নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ
বিজন গোঠে কে রাখাল বাজায় বেণু আমি সুর শুনে তা'র বাউল হয়ে এনু (গো)।। ঐ সুরে পড়ে মনে কোন সুদুর বৃন্দাবনে যেত নন্দ-দুলাল ব্রজ-গোপাল বাজিয়ে বেণু বনে পথে লুটতো কেঁদে গোপাবালা, ভূরতো তৃণ-ধেণু গো কেঁদে ভুলতো তৃণ-ধেণু।। কবে নদীয়াতে গোরা ও ভাই ডেকেছিল এমনি সুরে এমনি পাগল-করা। কেঁদে ডাকতো বৃথাই শচীমাতা, সাধতো বসুন্ধরা, প্রেমে গ'লে যত নর-নারী যাচতো পদ-বেণু গো তারা যাচতো পদ-রেণু।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মৌরি ফুলের মিঠে সুবাস বাতায়নে এলো ভেসে পথ দিয়ে কে সোনার মেয়ে জলকে গেল এলোকেশে।। (কি) ফুল ছিল তার কবরীতে মদির তাহার সুরভিতে, উদাস ক’রে মনকে আমার নিয়ে গেল ফুলের দেশে।। দখিন হাওয়া মর্মরিয়া খোঁজে তারে বনে বনে, ভ্রমর ফেরে গুঞ্জরিয়া তারি তরে আনমনে। কালো দীঘির কালো জলে তারি তরে ঢেউ উথলে, তারি পায়ের আল্তা হতে আকাশ রাঙে দিনের শেষে।।
রাগঃ
তালঃ
আমার কথা লুকিয়ে থাকে আমার গানের আড়ালে। সেই কথাটি জানার লাগি’ কে গো এসে দাঁড়ালে।। শূন্য মনের নাই কেহ মোর সাথি গান গেয়ে তাই কাটাই দিবারাতি, সেই হৃদয়ের গভীর বনে কে তুমি পথ হারালে।। হৃদয় নিয়ে নিদয় খেলার হয় যেখানে অভিনয়, চেও না সেই হাটের মাঝে আমার মনের পরিচয়। যে বেদনার আগুন বুকে ল’য়ে জ্বলি আমি প্রদীপ-শিখা হ’য়ে, সেই বেদনা জুড়াতে মোর কে তুমি হাত বাড়ালে।।
গীতিচিত্র: ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

খেলি আয় পুতুল-খেলা ব’য়ে যায় খেলার বেলা সই। বাবা ঐ যান আপিসে ভাবনা কিসের খোকারা দোলায় ঘুমোয় ঐ।। দাদা যান ইস্কুলেতে, মা খুড়ি মা রান্না করেন ঐ হেঁসেলে ঠানদি দাওয়ায় ঝীমায় ব’সে ফোকলা বদন মেলে। আয় লো ভুলি পঞ্চি টুলি পটলি খেঁদি কই।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

প’রো প’রো চৈতালি-সাঁজে কুস্মি শাড়ি। আজি তোমার রূপের সাথে চাঁদের আড়ি॥ প’রো ললাটে কাঁচপোকার টিপ, তুমি আলতা প’রো পায়ে হৃদি নিঙাড়ি’॥ প্রজাপতির ডানা-ঝরা সোনার টোপাতে, ভাঙা ভুরু জোড়া দিও বাতুল শোভাতে। বেল-যূথিকার গ’ড়ে মালা প’রো খোঁপাতে দিও উত্তরীয় শিউলি-বোঁটার রঙে ছোপাতে, রাঙা সাঁঝের সতিনী তুমি রূপ-কুমারী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা
