বাণী
ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন ভুবন গভীর বিষাদ মগন।। নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।
নাটক: সাবিত্রী
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

ঘোর ঘন ঘটা ছাইল গগন ভুবন গভীর বিষাদ মগন।। নাহি রবি শশী নাহি গ্রহ তারা নিখিল নয়নে শ্রাবণের ধারা সৃষ্টি ডুবালো গো’ স্রোতের প্লাবন।।
নাটক: সাবিত্রী
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

জাগো যোগমায়া জাগো মৃন্ময়ী চিন্ময়ী রূপে জাগো, তব কনিষ্ঠা কন্যা ধরণী কাঁদে আর ডাকে মা গো।। বরষ বরষ কৃথা কেঁদে যাই কৃথাই মা তোর আগমনী গাই সেই কবে মা আসিলি ত্রেতায় আর আসিলি না গো।। কোটী নয়নের নীল পদ্ম মা ছিঁড়িয়া দিলাম চরণে তোর, জাগিলিনে তুই, এলিনে ধরায় মা কবে হয় হেন কঠোর। দশ ভুজে দশ গ্রহরণ ধরি’ আয় মা দশ দিক আলো করি’ দশ হাতে আন্ কল্যাণ ভরি’ নিশীথ-শেষে ঊষা গো।।
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ একতাল

নন্দকুমার বিনে সই আজি বৃন্দাবন অন্ধকার নাহি ব্রজে আনন্দ আর। যমুনার জল দ্বিগুণ বেড়েছে ঝরি’ গোকূলে অশ্রুধার।। শীতল জানিয়া মেঘ-বরণ শ্যামের শরণ লইয়া সই তৃষিতা চাতকী জ্বলে মরি হায় বিরহ-দাহনে ভস্ম হই। শীতল মেঘে অশনি থাকে কে জানিত সখি সজল কাজল শীতল মেঘে অশনি থাকে। ব্রজে বাজে না বেণু আর চরে না ধেনু (আর) পড়ে না গোকুলে শ্যাম চরণ রেণু তার ফেলে যাওয়া বাঁশি নিয়ে শ্রীদাম সুদাম ধায় মথুরার পথে আর কাঁদে অবিরাম। কৃষ্ণে না হেরি দূর বন পার উড়ে গেছে শুক সারি কৃষ্ণ যেথায় সেই মথুরায় চলো যাই ব্রজনারী।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা, তেওড়া, কাহার্বা ও ঝাঁপতাল)

নমো নমঃ রাম-খুঁটি! তুমি গাদিয়া বসেছ আমাদের বুকে, সাধ্য নাই যে উঠি।। তুমি নির্বিকার হে পরম পুরুষ আপনাতে আছ আপনি বেহুঁশ, তব বাঁধন ছিঁড়িতে বৃথা টানাটানি এই বৃথা মাথা কুটোকুটি।। এই আইন কানুন আচার বিচার বিধি ও নিষেধ স্ত্রী পরিবার (বাংলায় যাকে বলে Wife) শত নামে তুমি জগৎ মাঝার চাপিয়া আছ যে টুটি।। কত রূপে তব লীলার প্রকাশ (রাম খুঁটো হে!) কভু হও খুঁটো কভু হও বাঁশ, কভু হাঁড়ি-কাঠ কভু ঘানি-গাছ ঘোরাও ধরিয়া ঝুঁটি।। কখনো পাঁচনী-রুপে পিঠে পড় (ওরে বাবারে) কখনো জোয়াল রূপে কাঁধে চড়, কখনো কঞ্চি, বাঁশ চেয়ে দড় কভু গুঁতো কভু লাঠি (ওরে বাবারে)। ঠুঁটো ত্রিভঙ্গ হে প্রভু, তোমার এই ভয়ে মোরা গুটিসুটি।।
‘খুঁটোর ভয়’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

প্রিয়তম হে, বিদায় আর রাখিতে নারি, আশা-দীপ নিভে যায় দুরন্ত বায়।। কত ছিল বলিবার, হায় হ’লো না বলা ঝুঁরিতেছে চামেলির বন উতলা যেন অনন্ত দিনের দিকে হায় হায়।। কে কাঁদে দিকে দিকে হায় হায়।। রহিল ছড়ানো মোর প্রাণের তিয়াস হুতাস পবনে; জড়ানো রহিল মোর করুণ প্রীতি ধূসর গগনে। তুমি মোরে স্মরিও যদি এই পথে কোনদিন চলিতে প্রিয় নিশিভোরে ঝরা ফুল দ’লে যাও পায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

রাধা-তুলসী, প্রেম-পিয়াসি, গোলকবাসী শ্রীকৃষ্ণ নারায়ণ। নাম জপ মুখে, মূরতি রাখ বুকে ধ্যান দেখ তারি রপ মোহন।। অমৃত রসঘন কিশোর-সুন্দর, নব নীরদ শ্যাম মদন মনোহর — সৃষ্টি প্রলয় যুগল নূপুর শোভিত যাহার রাঙা চরণ।। মগ্ন সদা যিনি লীলারসে, যে লীলা-রস ভরা গোপী-কলসে, কান্না-হাসির আলো-ছায়ার মায়ায় যাহার মোহিত ভূবন।।
রাগঃ আনন্দ-ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল
