স্যখিরী দেখেতো বাগমেঁ কামিনী

বাণী

স্যখিরী দেখেতো বাগমেঁ কামিনী
জুঁহি চাম্বেলী কি ক্যয়সী বাহার হ্যায়।।
আও আও হ্যর ডালি সে তোড়কে
ক্যচ্চি কলিও কো গুঁন্ধে হাম জোড়কে
প্রেমমালা পিন্‌হায়ে দিলদার ইয়ার কো
মাস্ত হোক্যর গলে মিলতী হ্যয় ডার হ্যায়।।
ম্যয় হুঁ সুন্দর নার নওয়েলী প্যরী
প্যহেনা ফুলোঁ কা গ্যহনা যো ম্যায়নে স্যখি
		দুলহান ব্যন গ্যই।
প্যয়ারে প্রীতমসে মিলনে কি আই ঘ্যড়ি
ইসী কারণ স্যখীরী ব্যনী সুন্দরী
আয় বাল্যম কে ম্যন কো লুভাউঙ্গী
ইসী আশা পে সারা ইয়ে সিঙ্গার হ্যয়।।

কত কথা ছিল বলিবার

বাণী

কত কথা ছিল বলিবার, বলা হ’ল না।
বুকে পাষাণ সম রহিল তারি বেদনা।।
	মনে রহিল মনের আশা
	মিটিল না প্রাণের পিপাসা,
বুকে শুকালো বুকের ভাষা — মুখে এলো না।।
	এত চোখের জল, এত গান
	এত আদর সোহাগ অভিমান,
কখন সে হ’ল অবসান — বোঝা গেল না।।
	ঝরিল কুসুম যদি হায়!
কেন স্মৃতির কাঁটাও নাহি যায়,
বুঝিল না কেহ কাহারো মন বিধির ছলনা।।

উজান বাওয়ার গান গো এবার

বাণী

উজান বাওয়ার গান গো এবার, গাস্‌নে ভাটিয়ালি
		আর গাস্‌নে ভাটিয়ালি।
নূতন আশার চাঁদ উঠেছে কুম্‌ড়ো জালির ফালি
		যেন কুম্‌ড়ো জালির ফালি।।
বান এসেছে, বাঁধ ভেঙেচে, নায়ে দোলা লাগে
আড়-বাঁশিতে তান ছেড়ে তুই দাঁড়্‌ বেয়ে চল্‌ আগে
দেখ্‌ জোয়ার-জলে ডু’বে গেছে চরের চোরাবালি।।
কালো বউ-এর চোখ যেন, দেখ্‌ মৌরলা মাছ ভাসে
গাঙ্‌চিল আর জল-পায়রা উড়ছে মুখের পাশে,
শোন্‌ বউ কথা কও পাখি, মোদের করছে দূতিয়ালি।।
জল নিয়ে বৌ দাঁড়িয়ে আছে, গাছে কচি ডাব
লোক্‌সানেরই হিসাব দেখিস, লাভের কথা ভাব্‌,
সাজ্‌ রে তামুক, নামুক দেয়া, দুক্ষু ত ইজমালি।।

গভীর নিশীথে জাগি’ খুঁজি তোমারে

বাণী

গভীর নিশীথে জাগি’ খুঁজি তোমারে।
দূর গগনে প্রিয় তিমির-‘পারে।।

জেগে যবে দেখি হায় তুমি নাই কাছে
আঙিনাতে ফুটে’ ফুল ঝ’রে পড়ে আছে,
বাণ-বেঁধা পাখি সম আহত এ প্রাণ মম —
লুটায়ে লুটায়ে কাঁদে অন্ধকারে।।

মৌন নিঝুম ধরা, ঘুমায়েছে সবে,
এসো প্রিয়, এই বেলা বক্ষে নীরবে।

কত কথা কাঁটা হ’য়ে বুকে আছে বিঁধে
কত আভিমান কত জ্বালা এই হৃদে,
দেখে যাও এসো প্রিয় কত সাধ ঝ’রে গেল —
কত আশা ম’রে গেল হাহাকারে।।

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে

বাণী

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই কেন মনে রাখো তা’রে।
ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।।
আমি গান গাহি আপনার দুখে
তুমি কেন আসি’ দাঁড়াও সুমুখে,
আলেয়ার মত ডাকিও না আর নিশীথ — অন্ধকারে।।
দয়া কর, মোরে দয়া কর, আর আমারে লইয়া খেলো না নিঠুর খেলা,
শত কাঁদিলেও ফিরিবে না প্রিয় শুভ লগনের বেলা।
আমি ফিরি পথে, তাহে কার ক্ষতি
তব চোখে কেন সজল মিনতি,
আমি কি ভুলেও কোনোদিন এসে’ দাঁড়ায়েছি তব দ্বারে।।

১. তারে

গীতিচিত্র: অতনুর দেশ

সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে

বাণী

সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে হেসেছ বুকে মোর মধু-হাসিনী।
পরেছ গলায় আমার দেওয়া ফুল সে কি গো সবি ভুল বিজন-বাসিনী।।
		যেচেছ কত না আদর সোহাগ
		ক্ষণে অভিমান ক্ষণে অনুরাগ,
কত প্রিয় নামে ডেকেছ আমায় সে কি গো গেছ ভুলে মধুভাষিণী।।
		আমার সাধ-আশ-সাধনা-সুখ-হাসি
		তোমার সনে প্রিয় সকলি গেছে ভাসি,
কেন ফেলে দিলে নিরাশার কূলে, কোন্ অপরাধে বল উদাসিনী।।