বাণী
মা! আমার মনে আমার বনে ফোটে যত কুসুম দল সে ফুল মাগো তোরই তরে পূজ্তে তোরই চরণতল।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
মা! আমার মনে আমার বনে ফোটে যত কুসুম দল সে ফুল মাগো তোরই তরে পূজ্তে তোরই চরণতল।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগঃ
তালঃ
(মা) ওমা তোর ভুবনে জ্বলে এত আলো আমি কেন অন্ধ মাগো দেখি শুধু কালো॥ মা সর্বলোকে শক্তি ফিরিস নাচি ওমা আমি কেন পঙ্গু হয়ে আছি ওমা ছেলে কেন মন্দ হল জননী যার ভালো॥ তুই নিত্য মহা প্রসাদ বিলাস কৃপার দুয়ার খুলি চির শুন্য রইল কেন আমার ভিক্ষা ঝুলি। বিন্দু বারি পেলাম না মা সিন্ধুজলে রয়ে মা ও তোর চোখের কাছে পড়ে আছি চোখের বালি হয়ে মোর জীবন্মৃত এই দেহে মা চিতার আগুন জ্বালো॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ এসো এসো পথ ভোলা, সবাই দুয়ার বন্ধ করেছে (আছে) আমার দুয়ার খোলা।। সৃষ্টি ডুবায়ে ঝরুক বৃষ্টি, ঘন মেঘে ঢাকো সবার দৃষ্টি, ভুলিয়া ভুবন দুলিব দু'জন গাহি' প্রেম হিন্দোলা।। সব পথ যবে হারাইয়া যায় দুর্দিনে মেঘে ঝড়ে, কোন পথে এসে সহসা সেদিন দোলো মোরে বুকে ধ'রে। নিরাশা-তিমিরে ঢাকা দশ দিশি, এলো যদি আজ মিলনের নিশি, আষাঢ়-ঝুলনা বাঁধিয়া শ্রীহরি দাও দাও মোরে দোলা।।
গীতি-আলেখ্য: ‘হিন্দোলা’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মুখে তোমার মধুর হাসি হাতে কুটিল ফাঁসি। সুন্দর চোর, চিনি তোমায় তবু ভালোবাসি।। শত ব্রজে কেঁদে মরে শত রাধা তোমার তরে, কত গোকুল ডুবলো অকূল আঁখির নীরে ভাসি'।। কত নারীর মন গেঁথে, নাথ, পরলে বন-মালা, যমুনাতে ডুবালে শ্যাম কত কুলের বালা। দেখাও আসল হাত দু'খানি- করাল গদার চক্রপাণি, তব এ দু'টি হাত ছলনা, নাথ, বাজাও যে হাতে বাঁশি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল

বিদায়ের বেলা মোর ঘনায়ে আসে। দিনের চিতা জ্বলে অস্ত আকাশে।। দিন শেষে শুভদিন এলো বুঝি মম মরণের রূপে এলে মোর প্রিয়তম, গোধূলির রঙে তাই দশ দিশি হাসে।। দিন গুণে নিরাশার পথ-চাওয়া ফুরালো, শ্রান্ত এ জীবনের জ্বালা আজ জুড়ালো। ওপার হ’তে কে এলো তরী বাহি’ হেরিলাম সুন্দরে, আর ভয় নাহি, আঁধারের ’পারে তার চাঁদ-মুখ ভাসে।।
রাগঃ পূরবী
তালঃ ত্রিতাল