বাণী
কেন চঞ্চল অঞ্চল দুলিয়া ওঠে রহি’ রহি’। মুহু মুহু কুহু কুহু কুহু যে কহে এলে কে বিরহী।। কেন নূপুর বেজে ওঠে ছন্দে দোলা লাগে অঙ্গে আনন্দে, দখিন হাওয়া কেন অধীর হল হেন — কুসুমের কানে যায় কি কথা কহি’।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কেন চঞ্চল অঞ্চল দুলিয়া ওঠে রহি’ রহি’। মুহু মুহু কুহু কুহু কুহু যে কহে এলে কে বিরহী।। কেন নূপুর বেজে ওঠে ছন্দে দোলা লাগে অঙ্গে আনন্দে, দখিন হাওয়া কেন অধীর হল হেন — কুসুমের কানে যায় কি কথা কহি’।।
রাগঃ
তালঃ
পিউ পিউ পিউ বোলে পাপিয়া বুকে তারি পিয়ারে চাপিয়া।। বাতাবি নেবুর ফুলেলা কুঞ্জে মাতাল সমীরণ প্রলাপ গুঞ্জে ফুলের মহলায় চাঁদিনী শিহরায় নদীকূলে ঢেউ ওঠে ছাপিয়া।। এমনি নেবু ফুল এমনি মধুরাতে পরাতো বঁধু মোর বিনোদ খোঁপাতে, বাতায়নে পাখি করিত ডাকাডাকি মনে পড়ে তায় উঠি কাঁপিয়া।।
রাগঃ দেশ-খাম্বাজ
তালঃ ত্রিতাল / আদ্ধা-কাওয়ালি

জগতে আজিকে যারা আগে চলে ভয়-হারা ডেকে যায় আজি তারা, চল্ রে সুমুখে চল। পিছু পানে চেয়ে’ মিছে প’ড়ে আছি সব নীচে, চাস্নে রে তোরা পিছে অগ্র-পথিক দল।। চলার বেগে উঠবে জেগে বনে নূতন পথ বর্তমানের পানে মোদের চল্বে অরুণ-রথ, অতীত আজি পতিত রে ভাই, রচ্ব ভবিষ্যৎ। স্বর্গ মোরা আন্ব, না হয় যাব রসাতল।। রইব না পিছে প’ড়ে অতীতের কঙ্কাল ধ’রে, বইবে নব জীবন-স্রোত যৌবন-চঞ্চল। বিশ্ব-সভাঙ্গনে সকল জাতির সনে বসিব সম-আসনে গৌরব-উজ্জ্বল।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥ দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।। রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে, তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে। মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।
রাগঃ যোগিয়া মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

গরজে গম্ভীর গগনে কম্বু। নাচিছে সুন্দর নাচে স্বয়ম্ভূ।। সে-নাচে-হিল্লোলে জটা-আবর্তনে সাগর ছুটে আসে গগন-প্রাঙ্গণে। আকাশে শূল হানি’ শোনাও নব বাণী, তরাসে কাঁপে প্রাণী প্রসীদ-শম্ভু। ললাট-শশী টলি’ জটায় পড়ে ঢলি’, সে-শশী-চমকে গো বিজুলি ওঠে ঝলি’। ঝাঁপে নীলাঞ্চলে মুখ দিগঙ্গনা, মূরছে ভয়-ভীতা নিশি নিরঞ্জনা। আঁধারে পথহারা চাতকী কেঁদে সারা, যাচিছে বারিধারা ধরা নিরম্বু।।
রাগঃ মালকোষ
তালঃ তেওড়া
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

আমি যেদিন রইব না গো লইব চির-বিদায়। চিরতরে স্মৃতি আমার জানি মুছে যাবে হায়।। এই ধরণীর খেলা-ঘরে, মনে রাখে কে কারে দুলে সাগর চাঁদ-সোহাগে, মরু মরে পিপাসায়।। রবি যবে ওঠে নভে, চাঁদে কে মনে রাখে এ কূল ভাঙে ও কূল গড়ে, মানুষের মন নদীর প্রায়। মোর সমাধির বুকে প্রিয়, উঠবে তোমার বাসর ঘর, হায়, অসহায় ভিখারি মন, কাঁদে তবু সেই ব্যথায়।।
রাগঃ আশাবরী
তালঃ লাউনি
