আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের

বাণী

আমি	ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো।
আমি	অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের
		যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।।
আমি	পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর,
	অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর
আমি	উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর
		উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা

বাণী

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা
বনমালী এসো দুলায়ে বনমালা॥
তব পথে বকুল ঝরিছে উতল বায়ে
দলিয়া যাবে বলে অকরুণ রাঙা পায়ে
রচেছি আসন তরুণ তমাল ছায়ে
পলাশ শিমুলে রাঙা প্রদীপ জ্বালা॥
ময়ূরে নাচাও তুমি তোমারি নূপুর তালে
বেঁধেছি ঝুলনিয়া ফুলেল কদম ডালে
তোম বিনা বনমালী বিফল এ ফুল দোল
বাঁশি বাজাবে কবে উতলা ব্রজবালা॥

আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে

বাণী

আজি নতুন এ চাঁদের তিথিতে
কোন্ অতিথি এলো ফুল-বীথিতে॥
যদি বেদনা পায় বঁধু পথ চলিতে
তাই চেয়েছি বনপথ ফুল কলিতে
জানি ভাল জান হে বঁধু ফুল দলিতে
এসো বঁধু সুমধুর প্রীতিতে॥
এসো মনের মন্দিরে দেবতা আমার
লহ প্রেমের চন্দন আঁখি জলহার
আজি সফল করো সাধ আমার পূজার
চির জনম রহ মোর স্মৃতিতে॥

কোয়েলা কুহু কুহু ডাকে

বাণী

কোয়েলা কুহু কুহু ডাকে।
নব মুকুলিত আমের শাখে।।
	যাহার দরশ লাগি’
	একেলা কুটীরে জাগি,
মোর সাথে পাখিও কি ডাকিছে তাহাকে।।
চাঁদিনী নিভে যায় আমার চোখে,
চাঁদে মনে পড়ে চাঁদের আলোকে।
	কুহু স্বর প্রাণে মম
	বাজিতেছে তার সম,
চাঁদিনী নিশীথ মোর বিষাদ-মেঘে ঢাকে।।

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল

বাণী

আয় রণজয়ী পাহাড়ি দল
শক্তি-মাতাল বুনো পাগল
থৈ থৈ তা তা থৈ থৈ
নেচে আয় রে দৃপ্ত পায়।
গিরি দরি বন ভাসায় যেমন পার্বতীয়া ঝর্নাজল।
আন তীর ধনু বর্শা হান্ বাজা রে শিঙ্গা বাজা মাদল।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’

ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়

বাণী

	ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়।
তাই	বারে বারে আসি ফিরে তব আঙিনায়।।
	আজো ওঠে বাঁকা চাঁদ নীল গগনে
	আজো ফোটে রাঙা ফুল মম কাননে,
	‘পিয়া পিয়া’ গাহে পাখি পিয়াল শাখায়।।
	যে আলো বাজালে বেণু রঙীন ঊষায়,
	তাহারি পুলকে আজি পরান মাতায়।
	মরুর কামনা আজো দীপ-শিখা সম
	পরানে লাগে জাগিয়া আছে ওগো প্রিয়তম,
	অনুরাগে লাগে দোল, দোল দেহ-যমুনায়।।