হায় স্মরণে আসে গো অতীত কথা

বাণী

হায় স্মরণে আসে গো অতীত কথা।
নয়নে জল ভরে তাই হৃদয় করে ব্যথা,
মুখ তার রহি’ রহি’ পড়ে মোর মনে।।
তার স্মৃতি ভুলিতে চাহি যতই
সখি মনে পড়ে তারে ততই,
সে কাঁদায় সখি মোরে ঘুমে জাগরণে।।
তার সাথে গেছে প্রাণ, দেহ আছে প’ড়ে,
বাঁচার অধিক আমি সখি গো আছি ম’রে।
নাহি ফুল, আছে কাঁটার স্মৃতি
নাহি আর সে-চাঁদিনী তিথি,
নাহি আর সুখ শান্তি সখি এ জীবনে।।

আমায় যারা ঘিরে আছে

বাণী

আমায় যারা ঘিরে আছে আমার মুখে চেয়ে।
তারা আমার নহে হে নাথ, (তারা) তোমার ছেলে মেয়ে।।
	ওদের তুমি রেখো সুখে
	ধ’রে তোমার আপন বুকে
বাঁচুক ওরা তোমার আশির্বাদের প্রসাদ পেয়ে।।
	আমায় দিও দুর্ভাবনার বোঝা যত আছে
(নাথ)	থাকুক পরম নির্ভরতায় ওরা আমার কাছে।
	শুধু তোমার ভরসাতে নাথ
	আমি ওদের ধরেছি হাত,
তোমার স্নেহ মায়ের মত থাকুক ওদের ছেয়ে।।

কে বলে গো তুমি আমার নাই

বাণী

কে বলে গো তুমি আমার নাই?
তোমার গানে পরশ তব পাই।।
তোমায়-আমায় এই নীরবে
জানাজানি অনুভবে,
তোমার সুরের গভীর রবে আমারি কথাই।।
হে বিরহী আমায় বারে বারে
স্মারণ করো সুরের সিন্ধু পারে
ওগো গুণী পেয়ে মায়
যদি তোমার গান থেমে যায়,
উঠবে কাঁদন সুরের সভায় চাই না কাছে তাই।।

আজকে শাদী বাদ্‌শাজাদীর পান করো

বাণী

আজকে শাদী বাদ্‌শাজাদীর পান করো শিরাজি।।
নেশার ঝোঁকে চোখে চোখে খেলুক আতস বাজি
	(সবে) পান করো শিরাজি।।
	সামনে মোরা যাকে পাব
	রঙিন পানি পান করাব
প্রাণে খুশির রঙ করাব নেচে খেয়ে আজি
	সবে পান করো শিরাজি।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘লায়লী মজনু’

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী

বাণী

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী।
রস-ঢলঢল বারি-সঞ্চারিণী।।
হৃদয়-গগন আজি তৃষ্ণা-ভরে
উতল হইল প্রেম-গঙ্গা-তরে,
মুদিত নয়ন খোলো বৈরাগিনী।।
বিরস ভুবন রাখ সঞ্জীবিতা
সজল সলিল আনো হিল্লোলিতা,
ঝর ঝর ঝর স্রোত-উন্মাদিনী।।

কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

বাণী

কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।