বাণী
ওরে অবোধ আঁখি! আর কতদিন রইবি রূপে ভুলে। অরূপ সাগর দেখলি না তুই দাঁড়িয়ে রূপের কুলে।। যে সুন্দর চুপে চুপে লীলা করেন রূপে রূপে, তুই দেখলি না সেই অপরূপে রূপের দুয়ার খুলে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ওরে অবোধ আঁখি! আর কতদিন রইবি রূপে ভুলে। অরূপ সাগর দেখলি না তুই দাঁড়িয়ে রূপের কুলে।। যে সুন্দর চুপে চুপে লীলা করেন রূপে রূপে, তুই দেখলি না সেই অপরূপে রূপের দুয়ার খুলে।।
রাগঃ
তালঃ
মোর হৃদি-ব্যথার কেউ সাথী নাহি। ল’য়ে আহত প্রাণ একা গান গাহি।। দিবস বরষ মাস বুকে চাপি’ হা-হুতাশ, চলি মরুপথে মেঘ-ছায়া চাহি’।। কানন রচি বৃথা, কুসুম নাহি ফোটে বাসি হয় গাঁথা মালা পথের ধূলায় লোটে, কবে বহিবে নিঝর-ধারা পাষাণ বাহি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দাদ্রা
ঝর ঝর বারি ঝরে অম্বর ব্যাপিয়া এসো এসো মেঘমালা প্রিয়া প্রিয়া।। দূরে থেকো না এই শ্রাবণ নিশীথে কাঁদে তব তরে পিয়াসি হিয়া।। বিজলি খুঁজে ফেরে সুদূর আকাশে হৃদয়ে কাঁদে প্রেম পাপিয়া পিয়া।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল

পরি’ জাফরানি ঘাগরি চলে শিরাজের পরী ইরানি কিশোরী হেসে’ হেসে’।। চপল চটুল রঙ্গে রঙ্গিলা নৃত্য বিভঙ্গে চলিছে সহেলি এলোকেশে।। পাপিয়া পিয়া পিয়া ডকে শাখে — পিয়া পিয়া পিয়া পিয়া কাহারে ভালোবেসে।। মনে সে শিরাজির নেশা লাগায় আঁখি-ইঙ্গিতে গোলাপ ফোটায়। তারি সুরে রহি’ রহি’ বিরহীর রবাব ঝুরে বুলবুলি পথ ভুলি’ ইহারি লাগি’ এলো এ দেশে।।
আরবি সুর
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফাতেমা-তুজ-জোহরা

মালার ডোরে বেঁধো না গো বাহুর ডোরে বাঁধো। কাঁদোই যদি, আমার বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদো।। তোমার পূজার আসন হতে নামাও এবার ধূলির পথে, দেবতা ব’লে সেধো না গো, প্রিয় ব’লে সাধো।। পূজারিণী, জাগো জাগো — হৃদয় দুয়ার খোলো। নিবেদনের ফুলে বরণ-মালা গেঁথে তোলো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তব বাঁশরি কি হরি শুনিতে পাব না পাশরিয়া আছি বলে। তব রাস উৎসবে ভিখারির মত বসে আছি পথ তলে।। যে ডাকে, যদি তারি হও একা ডাকে না যে, সে কি পাইবে না দেখা, কাঁদে না যে ছেলে জননী কি তারে ডাকিয়া লয় না কোলে।। (হরি!) পথ ভুলিয়া যে ঘোরে অরণ্যে দেখাবে না তারে পথ (তুমি) সেদিনো ফিরায়ে দাওনি কংস দুর্যোধনের রথ। হরি! তুমি যদি নাহি ডাক আগে তাহার কি কভু হরি-প্রেম জাগে? না শুনিয়া বাঁশি ব্রজবাসিনীরা যেত কি যমুনার জলে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
