ওমা ফিরে এলে কানাই মোদের

বাণী

ওমা	ফিরে এলে কানাই মোদের এবার ছেড়ে দিস্‌নে তায়।
	তোর সাথে সব রাখাল মিলে বাঁধ্‌ব সে-ননী চোরায়।।
	তা’রে	তুই যখন মা রাখতিস্ বেঁধে
		ছাড়ায়েছি কেঁদে কেঁদে’,
তখন	জান্‌তো কে, যে খুললে বাঁধন পালিয়ে যাবে মথুরায়।।
এবার	আমরা এসে ডাকলে শ্যামে গোঠে যেতে দিস্‌নে তায়,
	ঐ পথে অক্রুর মুনির সাথে পালিয়ে যাবে শ্যামরায়।।
মোরা	কেউ যাব না বনে মা আর খেল্‌ব তার এই আঙিনায়,
শুধু	খেলব লুকোচুরি লো আগ্‌লাতে চোরের রাজায়।।

জয় বিগলিত করূণা রূপিণী গঙ্গে

বাণী

জয় বিগলিত করূণা রূপিণী গঙ্গে
জয় কলুষহারিণী পতিতপাবনী
নিত্যা পবিত্রা যোগী-ঋষি সঙ্গে॥
হরি শ্রীচরণ ছুঁয়ে আপন-হারা,
পরম প্রেমে হ’লে দ্রবীভূত ধারা;
ত্রিলোকের ত্রিতাপ পাপ তুমি নিলে মা,
নির্মলে, তোমার পবিত্র অঙ্গে॥

রুমু রুমু রুমু ঝুমু ঝুমু বাজে নূপুর

বাণী

রুমু রুমু রুমু ঝুমু ঝুমু বাজে নূপুর
তালে তালে দোদুল দোলে নাচের নেশায় চুর।।
চঞ্চল বায়ে আঁচল উড়ায়ে
চপল পায়ে ও কে যায়
নাটনী কল তটিনীর প্রায়
চিনি বিদেশিনী চিনি গো তায়
শুনি’ ছন্দ তারি এ হিয়া ভরপুর।।
নাচন শিখালে ময়ুর মরালে
মরিচী-মায়া মরুতে ছড়ালে
বন-মৃগের মন হেসে ভুলালে
ডাগর আঁখির নাচে সাগর দুলালে।
গিরিদরি বনে গো দোল লাগে নাচনের শুনে তারি সুর।।

টারালা টারালা টারালা টা টারালা

বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

কও কথা কও কথা, কথা কও

বাণী

কও কথা কও কথা, কথা কও হে দেবতা।
তুমি তো জানো স্বামী আমার প্রাণে কত ব্যথা।।
		মোর তরে আজি সকল দুয়ার
		হইল বন্ধ হে প্রভু আমার
তুমি খোলো দ্বার! সহে না যে আর সহে না এ নীরবতা।।
		শুনি অসহায় মোর ক্রন্দন
		গলিবে না পাষাণের নারায়ণ
ভোলো অভিমান চরণে লুটায় পূজারিণী আশাহতা।।

নাটিকাঃ ‍‌'মীরাবাঈ'

আমার দুখের বন্ধু তোমার কাছে

বাণী

আমার	দুখের বন্ধু, তোমার কাছে চাইনি ত’ এ সুখ।
আমি	জানিনি ত বুকে পেয়েও কাঁদবে এ মন বুক।।
		আমার শাখায় যবে ফোটেনি ফুল
		আমি চেয়েছি পথ আশায় আকুল,
আজ	ফোটা ফুলে কাঁদে কেন কুসুম ঝরার দুখ।।
প্রিয়	মিলন-আশায় ছিনু সুখে ছিলে যবে দূর,
আজ	কাছে পেয়ে পরান কাঁদে বিদায়-ভয়াতুর।
		এ যে অমৃতে গরল মিশা
		প্রাণে কেবলি বাড়িছে তৃষা,
আমার	স্বর্গে কেন মলিন ধরার বেদন জাগরূক।।