বাণী
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগঃ
তালঃ
কেন আসে, কেন তা’রা চ’লে যায় ক্ষণেক তরে। কুসুম না ফুটিতে কেন ফুল-মালি ছিঁড়িয়া সাজি ভরে, কানন ক’রে খালি, কাঁটার স্মৃতি বেঁধে লতার বুকে, হায়, ব্যথা-ভরে।। ছাড়িয়া স্নেহ-নীড় সুদূর বনছায় বিহগ-শিশু কেন সহসা উ’ড়ে যায়, কাঁদে জননী তা’র ঝরা পালকখানি বুকে ঘ’রে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ মধ্যমান
কারার ঐ লৌহ-কপাট ভেঙ্গে ফেল্ কর্ রে লোপাট রক্ত-জমাট শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী! ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥ গাজনের বাজনা বাজা! কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে? হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী — শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে? ওরে ও পাগ্লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে। মার্ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥ নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি? দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’। লাথি মার, ভাঙ্রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় — আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥
সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নিশি-পবন! নিশি-পবন! ফুলের দেশে যাও ফুলের বনে ঘুমায় কন্যা তাহারে জাগাও — যাও যাও যাও।। মৌ-টুস্টুস্ মুখখানি তার ঢেউ-খেলানো চুল (ওরে) ভোমরার ঝাঁক-ঘেরা যেন ভোরের পদ্ম-ফুল হাসিতে তার মাঠের সরল বাঁশির আভাস পাও যাও যাও যাও।। চাঁপা ফুলের পুত্লি-ঘেরা চাঁপা রঙের শাড়ি তারেই দেখতে আকাশ-গাঙে (ওরে) চাঁদ দেয় রে পাড়ি। তার একটুখানি চোখের আদল বাদল-মেঘে পাও। যাও যাও যাও।। ধীরে ধীরে জাগাইয়ো তায় ঝরা-কুসুম ফেলিয়া গায় জাগলে কন্যা যেন রে মোর পত্রখানি দাও — যাও যাও যাও।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার। জনমে জনমে চলে তাই মোর অনন্ত অভিসার।। বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল গেয়েছিনু গান আমি বুল্বুল্, ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার।। তব সংগীতে আমি ছিনু সুর নৃত্যে নূপুর–ছন্দ, আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুল–গন্ধ। কত বসন্তে কত বরষায় খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায়, আজিও এসেছি তেমনি আশায় ল’য়ে স্মৃতি–সম্ভার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
আকাশে ভাই চাঁদ উঠেছে (আহা) দেখবি যদি আয় না! রূপে পরান পাগল করে, তারে হাতে ধরা যায় না। হাতে ধরা যায় না – আমার সাধের ‘আয়না’ – আমার বুকে ফুট্লো রে ভাই কোন্ বাগিচার ফুল কোন্ সে দেশের হাসনুহানা কোন্ বসোরার গুল্, ওরে গন্ধে পরান পাগল করে, তারে গলায় পরা যায় না।।
নাটিকা : ‘কাফন-চোরা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
