বাণী
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগ ও তাল
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
চমকে চপলা মেঘে মগন গগন। গরজিছে রহি’ রহি’ অশনি সঘন।। লুকায়েছে গ্রহ-তারা দিবসে ঘনায় রাতি শূন্য কুটিরে কাঁদি, কোথায় ব্যথার সাথী, ভীত চমকিত-চিত, সচকিত শ্রবণ।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ ত্রিতাল
পথিক ওগো চল্তে পথে তোমায় আমায় পথের দেখা। ঐ দেখাতে দুইটি হিয়ায় জাগ্ল প্রেমের গভীর রেখা।। এই যে দেখা শরৎ-শেষে পথের মাঝে অচিন্ দেশে, কে জানে ভাই কখন কে সে চল্ব আবার পথটি একা।। এই যে মোদের একটু চেনার আবছায়াতেই বেদন জাগে ফাগুন হাওয়ার মদির ছোঁওয়া পূবের হাওয়ার কাঁপন লাগে। হয়ত মোদের শেষ দেখা এই এম্নি ক’রে পথের বাঁকেই রইল স্মৃতি চারটি আঁখেই চেনার বেদন নিবি লেখা।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ ঝাঁপতাল

জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছিস্ মা, শ্যামা কি তুই জেলের মেয়ে। (তোর) মায়ার জালে মহামায়া, বিশ্বভুবন আছে ছেয়ে॥ প’ড়ে মা তোর মায়ার ফাঁদে কোটি নরনারী কাঁদে; তোর মায়াজাল ততই বাঁধে পালাতে চায় যত ধেয়ে॥ চতুর যে-মীন সে জানে মা জাল থেকে যে মুক্তি আছে; (তাই) জেলে যখন জাল ফেলে মা সে লুকায় জেলের পায়ের কাছে। জাল এড়িয়ে তাই সে বাঁচে। তাই মা আমি নিলাম শরণ তোর ও দুটি রাঙা চরণ, এড়িয়ে গেলাম মায়ার বাঁধন মা তোর অভয়-চরণ পেয়ে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

খেলো না আর আমায় নিয়ে, প্রিয় অলস খেলা। নিঠুর খেলা খেল এবার ফুরায় খেলার বেলা।। (তুমি) অন্ধকারের আড়াল হতে লও হে টানি’ বাহির পথে, চঞ্চলতার বিপুল স্রোতে, দাও ভাসাতে ভেলা।। (তুমি) সবার চেয়ে ভালোবাসো, আঘাত যারে হানো, স্মরণ যারে করো তারে মরণ টানে টানো। ঠাঁই যারে দাও চরণ-তলে ভোলাও না তায় সুখের ছলে, মালার নামে দাও না গলে তোমার অবহেলা।।
রাগঃ
তালঃ
আজিকে তোমারে স্মরণ করি’ মৃত্যু আড়ালে জীবন তোমার ওঠে অপরূপ মহিমায় ভরি’।। জীবন তোমার তটিনীর মত বয়ে গেছে বাধা উপল-আহত আত্মারে রাখি চির জাগ্রত অম্বরে শির রেখেছিলে ধরি’।। তোমার এ স্মৃতি বাসরে আমরা তোমারে শ্রদ্ধা তর্পণ দানি, তোমার ধর্ম তোমার কর্ম দিক অভিনব মহিমা আনি। এসো আমাদের করুণ স্মৃতিতে নয়নের জলে বিষাদিত চিতে জীবনের পরপার হতে পড়ুক আশিস সান্ত্বনা বারি।।
রাগঃ আশাবরী মিশ্র
তালঃ একতাল
জয়-জগৎ-জননী, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বন্দিতা, জয় মা-ত্রিলোক তারিণী। জয় আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী নন্দন-লোক-নন্দিতা জয় দুর্গতিহারিণী।। তোমাতে সর্বজীবের বসতি, সর্বাশ্রয় তুমি মা, জয় হয় সব বন্ধন পাপ-তাপ তব পদ চুমি’ মা। তুমি শাশ্বতী, সৃষ্টি-স্থিতি, তুমি মা প্রলয়কারিণী।। তুমি মা শ্রদ্ধা, প্রেম, ভক্তি তুমি কল্যাণ সিদ্ধি ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ তুমি তিন-জন ঋদ্ধি, জয় বরাভয়া ত্রিগুণময়ী দশ-প্রহরণ-ধারিণী।।
নাটক : ‘বিদ্যাপতি’ (স্তব)
রাগঃ
তালঃ