ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে

বাণী

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া।
সখি ক্যওন উও বন্‌শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র‍্যহন্‌ যায়,
মন্‌ ভ্যয়ে উদাস্‌ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।।
নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি
চ্যরণন্‌ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্‌ মন্‌ প্রাণ ডোলে রি
প্রেম্‌সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।।
স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি
যাঁহা ব্যন্‌চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার
চ্যরণন্‌ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার —
নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্‌ গাউঙ্গি র‍্যসিয়ারি।।

আশা-নিরাশায় দিন কেটে যায় হে প্রিয় কবে আসিবে

বাণী

আশা-নিরাশায় দিন কেটে যায় হে প্রিয় কবে আসিবে?
প্রতি নিঃশ্বাসে নয়ন প্রদীপ মোর আসিছে নিভে।।
		ফুল ঝরে যায় হায়, পুন ফুল ফোটে
		কৃষ্ণা তিথির শেষে চাঁদ হেসে ওঠে
আমারি নিশীথের অসীম আঁধার ওগো চাঁদ কবে নাসিবে।।
শীত যায় মনোবনে ফাল্গুন আসে গো আসিল না আমারই ফাল্গুন
চাঁদের কিরণে পৃথিবী শীতল হায় মোর বুকে জ্বালে সে আগুন।
		নিশীথে বকুল শাখে
		পিয়া পিয়া পাপিয়া ডাকে
আমারই প্রিয়তম ‘জাগো পিয়া’ বলে কবে ডাকিবে।।

পথে কি দেখলে যেতে আমার

বাণী

পথে কি দেখলে যেতে আমার গৌর দেবতারে।
যা’রে কোল যায় না দেওয়া, কোল দেয় সে ডেকে তারে।।
নবীন সন্ন্যাসী সে রূপে তার পাগল করে
আঁখির ঝিনুকে তা’র অবিরল মুক্তা ঝরে।
কেঁদে সে কৃষ্ণের প্রেম ভিক্ষা মাগে দ্বারে দ্বারে।।
জগতের জগাই-মাধাই মগ্ন যারা পাপের পাঁকে
সকলের পাপ নিয়ে সে সোনার গৌর-অঙ্গে মাখে।
উদার বক্ষে তাহার ঠাঁই দেয় সকল জাতে
দেখেছ প্রেমের ঠাকুর সচল জগন্নাথে?
একবার বললে হরি যায় নিয়ে সে ভবপারে।।

বেদনার বেদীতলে পেতেছি আসন

বাণী

বেদনার বেদীতলে পেতেছি আসন, হে দেবতা!
সেথা আর কেহ নাই আমরা দু’জন, কহিব কথা।।
	বাহির ভুবনে তব কত পূজারি
	সেথায় মনের কথা কহিতে নারি,
তাই হৃদয় দেউলে রেখে’ দিয়েছি আগল —
সেথা তোমার চরণ-তলে জানাব গোপন প্রাণের ব্যথা।।
	পূজা-মন্দির হ’তে এসে চুপে চুপে
	হে দেবতা! সাজায়েছি প্রিয় রূপে!
সবার সমুখে তাই মালা দিতে লাজ পাই —
প্রেমের বাসর ঘরে পরাব বরণ-মালা, হব প্রণতা।।

মালার ডোরে বেঁধো না গো

বাণী

মালার ডোরে বেঁধো না গো বাহুর ডোরে বাঁধো।
কাঁদোই যদি, আমার বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদো।।
	তোমার পূজার আসন হতে
	নামাও এবার ধূলির পথে,
দেবতা ব’লে সেধো না গো, প্রিয় ব’লে সাধো।।
পূজারিণী, জাগো জাগো — হৃদয় দুয়ার খোলো।
নিবেদনের ফুলে বরণ-মালা গেঁথে তোলো।।

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা

বাণী

সাঁঝের আঁচলে রহিল হে প্রিয় ঢাকা।
ফুলগুলি মোর বেদনার রং মাখা।।
		আসিবে যখন ফিরে
		আবার এ মন্দিরে,
চরণে দলিও আলপনা মোর অশ্রুর জলে আঁকা।।
বিরহ-মলিন বন-তুলসীর শুকানো মালিকাখানি,
ফেলিবার আগে ধন্য করিও একটু পরশ দানি’।
		যেতে এই পথ ’পরে
		যদি মোরে মনে পড়ে,
যমুনার জলে ভাসাইয়া দিও একটি মাধবী শাখা।।