বাণী
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অন্ধকারে দেখাও আলো কৃষ্ণ নয়ন-তারা। কালো মেঘে অন্ধ-আকাশ পথিক পথ-হারা।। ভক্ত কাঁদে অকূল ভবে, গোকূলে তায় ডাকবে কবে। অশান্ত এ চিত্তে হরি বহাও শান্তি-ধারা।।
রাগঃ
তালঃ
শোনো লো বাঁশিতে ডাকে আমারে শ্যাম। গুমরিয়া কাঁদে বাঁশি ল’য়ে ‘রাধা রাধা’ নাম।। পিঞ্জরে পাখি যেন লুটাইয়া কাঁদে মন, আশে পাশে গুরুজন বাম।।
রাগঃ মালকৌষ
তালঃ সেতারখানি
রাধা-তুলসী, প্রেম-পিয়াসি, গোলকবাসী শ্রীকৃষ্ণ নারায়ণ। নাম জপ মুখে, মূরতি রাখ বুকে ধ্যান দেখ তারি রপ মোহন।। অমৃত রসঘন কিশোর-সুন্দর, নব নীরদ শ্যাম মদন মনোহর — সৃষ্টি প্রলয় যুগল নূপুর শোভিত যাহার রাঙা চরণ।। মগ্ন সদা যিনি লীলারসে, যে লীলা-রস ভরা গোপী-কলসে, কান্না-হাসির আলো-ছায়ার মায়ায় যাহার মোহিত ভূবন।।
রাগঃ আনন্দ-ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল

যার মেয়ে ঘরে ফিরল না আজ তার ঘরে তুই যা মা উমা! আজ ঘুম নাই যে মায়ের চোখে সেই মাকে তুই জড়িয়ে ঘুমা॥ (মা) এমন আনন্দেরই হাটে কেঁদে যাহার দিবস কাটে ‘মা আমি এসেছি’ বলে, সেই জননীর খা মা চুমা॥ যে মা’র বুক শূন্য আজি, কাঁদে আয় রে গোপাল বলে, মা! তোর দুই কুমার নিয়ে, তুলে দে সেই শূন্য কোলে। ওমা! এই কটি দিন বিপুল স্নেহে তুমি বিরাজ কর প্রতি গেহে; সকল অভাব পূর্ণ ক’রে আনন্দ দে শান্তি দে মা॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

পুরুষ : বন-দেবী এসো গহন-বন-ছায়ে। স্ত্রী : এসো বসন্তের রাজা নূপুর-মুখর পায়ে।। পুরুষ : তুমি কুসুম-ফাঁদ স্ত্রী : তুমি মাধবী চাঁদ, উভয়ে : আমরা আবেশ ফাল্গুনের ভাসিয়া চলি স্বপন-নায়ে।। পুরুষ : কল্প-লোকের তুমি রূপবাণী লো প্রিয়া, অপাঙ্গে ফোটাও যুঁই চম্পা টগর মোতিয়া। স্ত্রী : নিষ্ঠুর পরশ তব (হায়) যাচিয়া জাগে বনভূমি ফুলদল পড়ে ঝরি’ তব চারু পদ চুমি’, উভয়ে : সুন্দরের পথ সাজাই ঝরা-কুসুম-দল বিছায়ে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

যাবার বেলায় সালাম লহ হে পাক রমজান। তব বিদায় ব্যথায় কাঁদিছে নিখিল মুসলিম জাহান।। পাপীর তরে তুমি পারের তরী ছিলে দুনিয়ায়, তোমারি গুণে দোজখের আগুন নিভে যায়, তোমারি ভয়ে লুকায়ে ছিল দূরে শয়তান।। ওগো রমজান, তোমারি তরে মুসলিম যত রাখিয়া রোজা ছিল জাগিয়া চাহি' তবু পথ, আনিয়াছিলে দুনিয়াতে তুমি পবিত্র কোরআন।। পরহেজগারের তুমি যে প্রিয় প্রাণের সাথী, মসজিদে প্রাণের তুমি যে জ্বালাও দ্বীনের বাতি, উড়িয়ে গেলে যাবার বেলায় নতুন ঈদের চাঁদের নিশান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
