বাণী
আমি রাজার কুমার পথ ভোলা, আমি পথ ভোলা, দখিন হাওয়া দাও দোলা! আজি প্রাণের ও মনের সকল দ্বার খোলা।। তরুলতা বনের পাখি তোদের ডাকি আয় শুনে যা শোন ঝর ঝর ঝর্না-ধারা, রাজার দুলাল আমি শোন রে ফুল-নদী উতরোলা।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি রাজার কুমার পথ ভোলা, আমি পথ ভোলা, দখিন হাওয়া দাও দোলা! আজি প্রাণের ও মনের সকল দ্বার খোলা।। তরুলতা বনের পাখি তোদের ডাকি আয় শুনে যা শোন ঝর ঝর ঝর্না-ধারা, রাজার দুলাল আমি শোন রে ফুল-নদী উতরোলা।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ
এসেছি তব দ্বারে ভক্তি-শূন্য প্রাণে। করুণাময় প্রভু! কর হে পূর্ণ দানে।। শক্তি বিহীন করে ধরেছি নিশান তব বহিতে পারি যেন দিও সে-গৌরব, দিবাকর কর সম ছড়ায়ে অভিনব অস্তে যাই যেন জীবন-বিহানে।। সাঁঝের আকাশে পূর্ণিমা চাঁদ সম রাঙায়ো আঁধার হৃদি-প্রেমের জোছনা বানে।।
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ ত্রিতাল

তুমি যখন এসেছিলে তখন আমার ঘুম ভাঙেনি মালা যখন চেয়েছিলে বনে তখন ফুল জাগেনি।। আমার আকাশ আঁধার কালো তোমার তখন রাত পোহালো তুমি এলে তরুণ-আলো তখন আমার মন রাঙেনি।। ওগো রুদ্ধ ছিল মোর বাতায়ন পূর্ণ শশী এলে যবে, আঁধার-ঘরে একেলা জাগি হে চাঁদ আবার আসবে কবে। আজকে আমার ঘুম টুটেছে বনে আমার ফুল ফুটেছে ফেলে যাওয়া তোমারি মালায় বেঁধেছি মোর বিনোদ-বেনী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।। মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।। নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।
রাগঃ
তালঃ ধামার

ব্যথার উপরে বঁধু ব্যথা দিও না দলিত এ হৃদি মম দ’লে যেয়ো না ॥ ল’য়ে কত সাধ আশা তোমার দুয়ারে আসা (বঁধু) দিলে যদি আলোবাসা ফিরে নিয়ো না॥ স্রোতের কুসুম প্রায় ভাসিতাম অসহায় তুলে নিয়ে বুকে তারে ফেলে দিলে পুনরায়। নিরদয় এ কি খেলা প্রাণ নিয়ে হেলাফেলা খেলার লাগিয়া ভালবাসিও না॥
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ দাদ্রা
অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম। মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্কে শ্যামকা নাম।। বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্ যাতি নাগন কালি কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্ মাঙ্গনে আতে লাখ্ যনম্। তুম, আতে ইস্ বৃজধাম।। চুপ্কে চুপ্কে তুম্রে হিরদয় ম বসতা বন্সীওয়ালা, আওর, ধীরে ধীরে উস্কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্কি জ্বালা। পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্, র্যহতে আস্ ল্যগায়ে আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্ হো জাতে বদনাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
