বাণী
হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো। তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।। তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা। নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

হে নিঠুর ! তোমাতে নাই আশার আলো। তাই কি তোমার রূপ কৃষ্ণ কালো।। তুমি ত্রিভঙ্গ তাই তব সকলি বাঁকা চোখে তব কাজলের ছলনা মাখা। নিষাদের হাতে বাঁশি সেজেছে ভালো।।
নাটকঃ ‘বিদ্যাপতি’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝুলন ঝুলায়ে ঝাউ ঝক্ ঝোরে, দেখো সখি চম্পা লচ্কে বাদরা গরজে দামিনী দমকে আও বৃজকি কোঙারী ওড়ে নীল সাড়ি, নীল কমল-কলিকে পহনে ঝুমকে।। হায়রে ধান কি লও মে হো বালি ওড়নী রাঙাও সতরঙ্গী আলি, ঝুলা ঝুলো ডালি ডালি। আও প্রেম কোঙারী মন ভাও, প্যারে প্যারে সুরমে শাওনী সুনাও। রিমঝিম রিমঝিম পড়তে কোয়ারে সুন্ পিয়া পিয়া কহে মুরলী পুকারে, ওহি বোলী সে হিরদয় খটকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কোথায় গেলি মাগো আমার খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রেখে ক্লান্ত আমি খেলে খেলে এ সংসারে ও-মা ধুলা মেখে।। বলেছিলি সন্ধ্যা হ'লে ধুলা মুছে নিবি কোলে ও-মা ছেলেরে তুই গেলি ছ'লে পাইনে সাড়া ডেকে' ডেকে'।। এ কি খেলার পুতুল মা গো দিয়েছিলি মন ভুলাতে আধেক তাহার হারিয়ে গেছে আধেক ভেঙে আছে হাতে। এ পুতুলও লাগছে মা ভার তোর পুতুল তুই নে গো এবার এখন সন্ধ্যা হলো ও-মা সন্ধ্যা হলো নামলো আঁধার ঘুম পাড়া মা আঁচল ঢেকে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ দাদ্রা

বহিছে সাহারায় শোকেরই 'লু' হাওয়া দোলে অসীম আকাশ আকুল রোদনে। নূহের প্লাবন আসিল ফিরে যেন, ঘোর অশ্রু-শ্রাবণ ধারা ঝরে সঘনে।। 'হায় হোসেনা' 'হায় হোসেনা' বলি' কাঁদে গিরি নদী, কাঁদে বনস্থলী কাঁদে পশু ও পাখী তরুলতার সনে।। ফকির বাদশাহ গরীব ওমরাহে কাঁদে তেমনি আজো তাঁরি মর্সিয়া গাহে, বিশ্বে যাবে মুছে মুছিবে না এ আঁসু, চিরকাল ঝরিবে কালের নয়নে।। সেই সে কারবালা সেই ফোরাত নদী কুল-মুসলিম-হৃদে গাহিছে নিরবধি, আসমান জমীন রহিবে যতদিন সবে কাঁদিবে এমনি আকুল কাঁদনে।।
রাগঃ দেশ
তালঃ কাহার্বা

রক্ষা-কালীর রক্ষা-কবচ আছে আমায় ঘিরে মায়ের পায়ের ফুল কুড়িয়ে বেঁধেছি মোর শিরে॥ মা’র চরণামৃত খেয়ে অমৃতে প্রাণ আছে ছেয়ে, দুঃখ অভাব ভাবনার ভার দিয়েছি মা ভবানীরে॥ তারা নামের নামাবলী জড়িয়ে আমার বুকে, মায়ের কোলে শিশুর মত ঘুমাই পরম সুখে। মা’র ভক্তের চরণ ধূলি নিয়েছি মোর বক্ষে তুরি মায়ের পূজার প্রসাদ পেতে আমি আসি ফিরে ফিরে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আল্লাহ থাকেন দূর আরশে, নবীজী রয় প্রাণের কাছে। প্রাণের কাছে রয় যে প্রিয়, সেই নবীরে পরান যাচে।। পয়গম্বরও পায় না খোদায় মোর নবীরে সকলে পায়, নবীজী মোর তাবিজ হ’য়ে আমার বুকে জড়িয়ে আছে।। খোদার নামে সেজ্দা করি, নবীরে মোর ভালোবাসি, খোদা যেন নূরের সূরয, নবী যেন চাঁদের হাসি। নবীরে মোর কাছে পেতে হয় না পাহাড়-বনে যেতে, বৃথা ফকির-দরবেশ মরে পু’ড়ে খোদার আগুন-আঁচে।।
রাগঃ
তালঃ