বাণী
মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ
ভিডিও
স্বরলিপি

মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ

নিত্য শুদ্ধ কল্যাণ রূপে আছ তুমি মোর সাথে। সান্দ্র নিবিড় সন্ধ্যায় যেই পথ ভুলি’, ধর হাতে।। প্রদোষে স্বরগ-পাশে তোমার করুণা ভাসে, স্নিগ্ধ শান্ত চাঁদ হ’য়ে, প্রভু, আঁধারে পথ দেখাতে।। মান তাজিয়া যে যায় প্রভু তোমার চরণ-তলে, পূর্ণ-রূপে নেমে আস তার হৃদয়-পদ্ম-দলে। অবতার হও ভুপালিতে প্রভু প্রেম-যমুনার পারে রহ কভু, দগ্ধ-পরানে বিরাজ হে স্বামী, দুঃখ-জ্বালা জুড়াতে।।
রাগঃ শুদ্ধ-কল্যাণ (কল্যাণ ঠাট)
তালঃ একতাল
ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে। বুকে মোর এয়্ খোদা তোমারি এশ্ক ল’য়ে।। তোমার নামের তস্বিহ্ ল’য়ে ফিরি গলে দুনিয়াদার বোঝে না মোরে পাগল বলে, ওরা চাহে ধনজন, আমি চাহি প্রেমময়ে।। আছ সকল ঠাঁয়ে শু’নে বলে সবে এমনি চোখে তোমার দিদার কবে হবে আমি মনসুর নহি যে পাগল হব ‘আনাল্ হক’ ক’য়ে।। তোমার হবিবের আমি উম্মত্ এয়্ খোদা তাই ত দেখিতে তোমায় সাধ জাগে সদা, আমি মুসা নহি যে বেহোঁশ্ হয়ে পড়ব ভয়ে।। তোমারি করুণায় যাবই তোমায় জেনে বসাব মোর হৃদে তোমার আর্শ এনে, আমি চাই না বেহেশ্ত, র’ব বেহেশ্তের মালিক ল’য়ে।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
একাকিনী বিরহিণী জাগি আধো রাতে। বঁধু নাহি পাশে, নিদ নাহি আসে, কণ্টক ফোটে হায় ফুল-বিছানায়। আবার ফুটিবে ফুল উঠিবে চাঁদ, আমারি মনের হায় মিটিল না সাধ, যামিনীর ফুল যেন এ রূপ-যৌবন নিশীথে ফুটিয়া লাজে ঝ’রে যায় প্রাতে।।
নাটক : ‘দেবী দুর্গা’
রাগঃ
তালঃ
ব্যথা দিয়ে প্রাণ ব্যথা না পায় — ওগো, অকরুণ, লহ বিদায়।। এ পথে যায় না পথিক, ভুল করে রূপ-সন্ধানে, এ মেঘে নাই বরিষণ, চম্কে চিকুর বাজ হানে। কাঁটা-নিকুঞ্জে এ মোর আর না মুকুল মুঞ্জরে, উদাসীর মন বেঁধে না আর নয়নের ফুল-শরে। ভুলে গেছে পাখি তার সুর-সাধায়।। আমারে চাও না যদি চাও মালিকার বন্ধনে, পূজারীর প্রাণ না চাও খালি ধূপ-চন্দনে। ফিরে যাও যাও মধুকর, আর নিলাজের গুঞ্জনে, ছলনার জাল বুনো না এই বেদনার-ফুল-বনে। মিছে চেয়ে থাকা মোর মন কাঁদায়।।
রাগঃ
তালঃ
দ্বৈত : ওগো নন্দ দুলাল নাচে ছন্দতালে স্ত্রী : মধু মঞ্জির বোলে মণি কুন্তল দোলে পুরুষ : চন্দন লেখা শোভে চারুভালে॥ স্ত্রী : রস যমুনায় জাগে ঢেউ উতরোল পুরুষ : ব্রজগোপিকার প্রাণে লাগে তারি হিল্লোল দ্বৈত : রাস পূর্ণিমা রাতে শিখী নাচে সাথে সাথে ফুল দোলে কুঞ্জেরই বকুল ডালে॥ স্ত্রী : নাচে নন্দ দুলাল বাজে মোহন বেণূ পুরুষ : অঙ্গের লাবনিতে আলো করে অবনিতে দ্বৈত : হাসিতে ঝরায় ফুল পরাগ রেণু। স্ত্রী : রাঙা পায়ে রুমুঝুমু বাজে মধুর পুরুষ : জীবন মরণ তার যুগল নূপুর দ্বৈত : মুগ্ধ তারকা শশী রাতের দেউলে বসি আরতি প্রদীপ শিখা নিত্য জ্বালে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
