বাণী
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
বন্ধু তোমার দুয়ার বন্ধ। তবু তোমার গৃহের পথে ছুটে কমল-গন্ধ॥ বন্ধু তোমার অলক-উড়া মনে পড়ে মনে পড়ে, বন্ধু তোমার পুলক ঝরা আজও আছে বক্ষে ঝ’রে। প্রথম যেদিন দুয়ার খোলা দেখি তোমায় আপন ভোলা; রাজপথেতে লোকের মেলা তুমি আপন সুরে অন্ধ॥ বন্ধু তুমি ভুলে যাওয়া গানের বুঝি সুর হারিয়ে পাওয়া আলোকপুরের স্বপ্ন সুমধুর, বন্ধু তোমার হাতের বীণা তোমার মতই লজ্জাহীনা তোমার মতই ছিন্ন ভিনা তোমার মতই হত-ছন্দ॥
[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি. এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]
রাগঃ
তালঃ
জাগো জাগো শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী। কাঁদে ধরিত্রী নিপীড়িতা, কাঁদে ভয়ার্ত নরনারী।। আনো আরবার ন্যায়ের দণ্ড দৈত্য-ত্রাসন ভীম প্রচণ্ড, অসুর-বিনাশী উদ্যত আসি ধর ধর দানবারি।। ঐ বাজে তব আরতি বোধন, কোটি অসহায় কণ্ঠে রোদন! ব্যথিত হৃদয়ে ফেলিয়া চরণ বেদনা-বিহারী এসো নারায়ণ, রুদ্ধ কারার অন্ধ প্রাকার-বন্ধন অপসারি’।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ চৌতাল
রাখিস্নে ধরিয়া মোরে, ডেকেছে মদিনা আমায়। আরাফাত্ময়দান হতে তারি তক্বীর শোনা যায়।। কেটেছে পায়ের বেড়ি, পেয়েছি আজাদী ফরমান, কাটিল জিন্দেগী বৃথাই দুনিয়ার জিন্দান-খানায়।। ফুটিল নবীর মুখে যেখানে খোদার বাণী উঠিল প্রথম তক্বীর ‘আল্লাহ্ আকবর’ ধ্বনি, যে দেশে পাহাড়ে মুসা দেখিল খোদার জ্যোতি — রব না দারুল হরবে যেতে দে যেতে দে সেথায়।। যে দেশে ধূলিতে আছে হজরতের চরণ-ধূলি সে ধূলি করিব সুরমা চুমিব নয়নে তুলি’, যে দেশের মাটিতে আছে নবীজীর মাজার শরিফ — নবীজীর দেহের পুষ্প ভাসে রে যে দেশের হাওয়ায়।।
রাগঃ আশাবরী-পিলু
তালঃ কাহার্বা

কত কথা ছিল বলিবার, বলা হ’ল না। বুকে পাষাণ সম রহিল তারি বেদনা।। মনে রহিল মনের আশা মিটিল না প্রাণের পিপাসা, বুকে শুকালো বুকের ভাষা — মুখে এলো না।। এত চোখের জল, এত গান এত আদর সোহাগ অভিমান, কখন সে হ’ল অবসান — বোঝা গেল না।। ঝরিল কুসুম যদি হায়! কেন স্মৃতির কাঁটাও নাহি যায়, বুঝিল না কেহ কাহারো মন বিধির ছলনা।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা

স্বপনে দেখেছি ভারত-জননী তুই যেন রাজরাজেশ্বরী। নবীন ভারত! নবীন ভারত! স্তব-গান ওঠে ভুবন ভরি’।। শস্যে ফসলে ডেকেছে মা বান মাঠে ও খামারে ধরে নাকো ধান মুখভরা হাসি, হসিভরা প্রাণ নদী ভরা যেন পণ্যতরী।। পড়ুয়ারা পড়ে বকুল-ছায়ে সুস্থ সবল আদুল গায়ে মেয়েরা ফিরিছে মুক্ত বায়ে কল-গীতে দিক মুখর করি’। ভুলিয়া ঈর্ষা ভোগ আসক্তি ধরার ক্লান্ত অসুর-শক্তি এসেছে শিখিতে প্রেম ও ভক্তি নব-ভারতের চরণ ধরি’।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ একতাল
