বাণী
ঘেরিয়া গগন মেঘ আসে। বিহ্বল ধরণী, দশ দিশি কাঁপে তরাসে।। বিদ্যুৎ ঝলকে, ঝামর অলকে, ঝমঝম ঝাঁঝর বাজে ঘন আকাশে।। শিখী নাচে হরষে বারিধারা বরষে, চাতক চাতকী পাগল পিয়াসে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ মেঘ
তালঃ ত্রিতাল (দ্রুতগতি)
ঘেরিয়া গগন মেঘ আসে। বিহ্বল ধরণী, দশ দিশি কাঁপে তরাসে।। বিদ্যুৎ ঝলকে, ঝামর অলকে, ঝমঝম ঝাঁঝর বাজে ঘন আকাশে।। শিখী নাচে হরষে বারিধারা বরষে, চাতক চাতকী পাগল পিয়াসে।।
রাগঃ মেঘ
তালঃ ত্রিতাল (দ্রুতগতি)
মওলা আমার সালাম লহ এ সংসারের কাজে। দ্বীন-দুনিয়ার দুই কাজে মোর থেকো হিয়ার মাঝে।। কাজা ক’রে নামাজ রোজা না বই যেন পাপের বোঝা, দুনিয়াদারী ভুলে যেন দহি’ দুঃখ-লাজে।। সঞ্চিত দৌলতের কিছু দান জাকাতে যেন ফের, দান ক’রে মোর সব না হারাই, শক্তি রেখো দানে। কোরান হ’তে নীতি নিয়ে কাজে যেন দেই বিলিয়ে, যে কাবার পথে হই বিবাগী মোসাফিরের সাজে।।
রাগঃ মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
আজি বাদল বঁধূ এলো শ্রাবণ-সাঁঝে — নীপের দীপ ঢাকি’ আঁচল ভাঁজে।। জ্বালি’ হেনার ধুনা যাচি’ কার করুণা বন-তুলসী তলে এলে পূজারিণী সাজে।। সেদিন এমনি সাঁঝে মোর বেদীর মূলে প্রিয়া জ্বালিলে এ দীপ, তাহা গেছ কি ভুলে? সেই সন্ধ্যা-স্মৃতি সে যে করুণ গীতি, দূরে দাদুরি আনে বহি’ মরম মাঝে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

প্রিয় তুমি কোথায় আজি কত সে দূর। প্রাণ কাঁদে ব্যথায় বিরহ-বিধুর।। স্বপন-কুমারী, স্বপনে এসে মিশাইলে কোন্ ঘুমের দেশে তড়িত-শিখা ক্ষণিক হেসে লুকালে মেঘে আঁধারি’ হৃদি-পুর।। আপনা নিয়ে ছিনু একেলা কোন্ সে কূলে ভিড়ালে ভেলা জীবন নিয়ে মরণ-খেলা খেলিতে কেন আসিলে নিঠুর।। ঊষার গাঙে গাহন করি’ দাঁড়ালে নভে রঙের পরী প্রেমের অরুণ উদিল যবে মিশালে নভে, হে লীল-চতুর।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

তুমি সুন্দর হতে সুন্দর মম মুগ্ধ মানস-মাঝে।। ধ্যানে, জ্ঞানে, মম হিয়ার মাঝারে তোমারি মূরতি রাজে।। তোমারি বিহনে হৃদয় আঁধার তোমারি বিরহে বহে আঁখি-ধার, আকাশে বাতাসে নিখিল ভুবনে বেদনার বাঁশি বাজে — পাব কি গো দেখা বারেকের তরে আমার জীবন-সাঁঝে।।
রাগঃ দেশ
তালঃ একতাল

তব ঐ দু’টি চঞ্চল আঁখি। আদর সোহাগ প্রেম-অনুরাগ — মান অভিমান মাখামাখি।। বুঝিতে পারি না তারই ভাষা তবু মনে বুঝিবার আশা, তাই বুঝি হায় নিল বাসা — ওরই মাঝে মোরই আঁখি।। মুদিত কমলে ভ্রমর যেন বন্দি হইয়া রহি হেন, আঁখি ফিরাতে পারি না কেন — ওরই মাঝে ডুবে থাকি।।
রাগঃ মিশ্র রাগেশ্রী
তালঃ ত্রিতাল