তোমার বিবাহে আপনার হাতে

বাণী

তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়)
	আমি দেব হার পরায়ে।
মোর চোখে যদি জল করে টলমল
	আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।

নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’

আমি মদিনা মহারাজার মেয়ে

বাণী

আমি মদিনা মহারাজার মেয়ে সকলের জানা আছে।
নৌজোয়ান! তুমি কার ছেলে তুমি কেন এলে মোর কাছে।।
	আমি গান গাইতে জানি
	তুমি কি গান লিখতে জান?
তাহলে তুমি বাড়ি গিয়ে আমার তরে অনেক গান লিখে আন।
তাহলে তোমায় মালা গেঁথে দিব —
মোর গুল বাগানে অনেক ফুল ফুটেছে ফুলের গাছে।।
	তুমি মহারাজার, বাদশার ছেলে হও
	তাহলে আমার ঘরে এসে কথা কও,
	তব ভালো নাম কি হে কবি
	তাহলে আঁকব আমি তোমার ছবি,
আমি পর্দানশীন কুমারী, মোরে এখনো কেউ নাহি যাচে।।

নাট্যগীতি: ‌‘মদিনা’

রুম ঝুম রুম ঝুম কে বাজায়

বাণী

রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্‌ঝুমি।
চমকিয়া জাগে ঘুমন্ত বনভূমি ॥
		দুরন্ত অরণ্যা গিরি- নির্ঝরিণী
		রঙ্গে সঙ্গে ল’য়ে বনের হরিণী,
শাখায় শাখায় ঘুম ভাঙায় ভীরু মুকুলের কপোল চুমি’ ॥
কুহু-কুহু কুহরে পাহাড়ি কুহু পিয়াল-ডালে,
পল্লব-বীণা বাজায় ঝিরিঝিরি সমীরণ তা’রি তালে তালে।
		সেই জল-ছলছল সুরে জাগিয়া
		সাড়া দেয় বন-পারে বাঁশি রাখালিয়া’,
পল্লীর প্রান্তর ওঠে শিহরি’ বলে —  ‘চঞ্চলা কে গো তুমি’ ॥

১. ‘বউ কথা কও কোকিল পাপিয়া’ পঙক্তিটি অতিরিক্ত আছে।

প্রণমামী শ্রীদুর্গে নারায়ণী গৌরী

বাণী

প্রণমামী শ্রীদুর্গে নারায়ণী গৌরী শিবে সিদ্ধি বিধায়িনী
মহামায়া অম্বিকা আদ্যাশক্তি ধর্ম-অর্থ-কাম মোক্ষ-প্রদায়িনী।।
শুম্ভ নিশুম্ভ বিমর্দিনী চন্ডী নমো নমঃ দশপ্রহরণ ধারিণী
দেবী সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়-বিধাত্রী জয় মহিষাসুর সংহারিণী।
			জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।।
যুগে যুগে দনুজ দলনী মহাশক্তি যোগনিদ্রা মধুকৈটভ নাশিনী
বেদ-উদ্ধারিণী মণি-দীপ বাসিনী শ্রীরাম অবতারে বরাভয় দায়িনী।
			জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।।

ব্যথার উপরে বঁধু ব্যথা দিও না

বাণী

ব্যথার উপরে বঁধু ব্যথা দিও না
দলিত এ হৃদি মম দ’লে যেয়ো না ॥
		ল’য়ে কত সাধ আশা
		তোমার দুয়ারে আসা
(বঁধু) দিলে যদি আলোবাসা ফিরে নিয়ো না॥
স্রোতের কুসুম প্রায় ভাসিতাম অসহায়
তুলে নিয়ে বুকে তারে ফেলে দিলে পুনরায়।
		নিরদয় এ কি খেলা
		প্রাণ নিয়ে হেলাফেলা
খেলার লাগিয়া ভালবাসিও না॥

মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ

বাণী

মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে
রঙের ঘোর জেগেছে পারুল কনক-চাঁপার চোখে।।
মুহু মুহু বোলে কুহু কুহু কোয়েলা, মুকুলিত আমের ডালে
				গাল রেখে ফুলের গালে।
দোয়েলা দোল দিয়ে যায়, ডালিম ফুলের নব-কোরকে।।
ফুলের পরাগ ফাগের রেণু ঝুরু ঝুরু ঝরিছে গায়ে
				ঝিরি ঝিরি চৈতী বায়ে
বকুল বনে ঝিমায় মধুপ মদির নেশার ঝোঁকে।।
হরিত বনে হরষিত মনে হোরির হর্‌রা জাগে
				রঙিলা অনুরাগে
নূতন প্রণয়-সাধ জাগে চাঁদের রাঙা আলোকে।।