আমায় রাখিস্‌নে আর ধ’রে

বাণী

আমায় রাখিস্‌নে আর ধ’রে।
পারের ঠাকুর (ওরে) ডাক দিয়েছে
এই পারেরই অন্ধকারে মন যে কেমন করে।।
		আয়ু-রবির অস্ত-পথে
		এলো এলো ঠাকুর কনক-রথে,
গোধূলি-রঙ হাসিটি তার ঝরছে চোখের ’পরে।।
		চোখ দু’টি মোর ভরে’ জলে
		বলব ঠাকুর নাও গো কোলে,
রইতে নারি (আমি তোমায় ছেড়ে) রইতে নারি।
আমার এ প্রাণ (পূজার ফুলের মত)
		(তোমার) পায়ে পড়ুক ঝ’রে।।

ওগো মুর্শিদ পীর বলো বলো

বাণী

ওগো মুর্শিদ পীর! বলো বলো রসুল কোথায় থাকে।
কোথায় গেলে কেমন ক’রে দেখতে পাব তাঁকে।।
	বেহেশ্‌ত — ’পারে দূর আকাশে
	তাঁহার আসন খোদার পাশে,
সে এতই প্রিয়, আপনি খোদা লুকিয়ে তারে রাখে।।
কোরান পড়ি হাদিস শুনি, সাধ মেটে না তাহে,
আতর পেয়ে মন যে আমার ফুল দেখতে চাহে।
	সবাই খুশি ঈদের চাঁদে
	আমার কেন পরান কাঁদে,
দেখ্‌ব কখন আমার ঈদের চাঁদ — মোস্তফাকে।।

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে

বাণী

		তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।
আমি		কাঁটা হয়ে রই নাই বন্ধু তোমার পথের তলে॥
আমি		তোমায় ফুল দিয়েছি কন্যা তোমার বন্ধুর লাগি’
		যদি আমার শ্বাসে শুকায় সে ফুল তাই হলাম বিবাগী।
		আমি বুকের তলায় রাখি তোমায় গো, ওরে শুকায়নি ক’ গলে॥
(ওই)	যে-দেশ তোমার ঘর্‌ রে বন্ধু সে দেশ হতে এসে,
আমার	দুখের তরী দিছি ছেড়ে, (বন্ধু) চলতেছে সে ভেসে।
এখন		যে-পথে নাই তুমি বন্ধু গো, তরী সেই পথে মোর চলে॥

আমি যেদিন রইব না গো

বাণী

আমি যেদিন রইব না গো লইব চির-বিদায়।
চিরতরে স্মৃতি আমার জানি মুছে যাবে হায়।।
এই ধরণীর খেলা-ঘরে, মনে রাখে কে কারে
দুলে সাগর চাঁদ-সোহাগে, মরু মরে পিপাসায়।।
রবি যবে ওঠে নভে, চাঁদে কে মনে রাখে
এ কূল ভাঙে ও কূল গড়ে, মানুষের মন নদীর প্রায়।
মোর সমাধির বুকে প্রিয়, উঠবে তোমার বাসর ঘর,
হায়, অসহায় ভিখারি মন, কাঁদে তবু সেই ব্যথায়।।

ঘুম আয় ঘুম

বাণী

ঘুম আয় ঘুম।
নিশুতি দুপুর নিশীথ নিঝুম।।
টুলটুল ঝিঙে ফুল ঘুমে ঝিমায়,
ঝুমকো লতায় ঝিঁঝিঁ আলসে ঘুমায়,
খোকনের চোখে দেয় ঘুমপরী চুম্।।

নাটিকা : ‘জুজুবুড়ির ভয়’

এ ঘনঘোর রাতে

বাণী

এ ঘনঘোর রাতে
ঝুলন দোলায় দুলিবে মম সাথে।।
এসো নব জলধর শ্যামল সুন্দর
জড়ায়ে রাধার অঙ্গ বাঁশরি লয়ে হাতে।।