বাণী
মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
টলমল টলে হৃদয়-সরসী। নীর ভরণে এলে কে ষোড়শী।। এলে কি নাহিতে, পরশ চাহিতে এলে কি অলস তরণী বাহিতে, এলে কি ভুলিতে কমল তুলিতে — আমার স্বপন-মানসী।।
রাগঃ দুর্গা (খাম্বাজ ঠাট)
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালী
বাজিছে দামামা, বাঁধ রে আমামা শির উঁচু করি মুসলমান। দাওয়াত এসেছে নয়া জামানার ভাঙা কিল্লায় ওড়ে নিশান।। মুখেতে কল্মা হাতে তলোয়ার বুকে ইসলামী জোশ্ দুর্বার, হৃদয়ে লইয়া এশ্ক্ আল্লার — চল্ আগে চল বাজে বিষাণ। ভয় নাই তোর গলায় তাবিজ বাঁধা যে রে তোর পাক কোরান।। নহি মোরা জীব ভোগ বিলাসের শাহাদত ছিল কাম্য মোদের, ভিখারির সাজে খলিফা যাদের — শাসন করিল আধা জাহান। তা’রা আজ প’ড়ে ঘুমায় বেহোঁশ্ বাহিরে বহিছে ঝড় তুফান।। ঘুমাইয়া কাজা করেছি ফজর তখনো জাগিনি যখন জোহর, হেলা ও খেলায় কেটেছে আসর — মাগরিবের আজ শুনি আজান। জমাত-শামিল হও রে এশাতে এখনো জামাতে আছে স্থান।। শুকনো রুটিরে সম্বল ক’রে যে ঈমান আর যে প্রাণের জোরে, ফিরেছি জগৎ মন্থন ক’রে — সে-শক্তি আজ ফিরিয়ে আন। আল্লাহু আকবর রবে পুন কাঁপুক বিশ্ব দূর বিমান।।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ একতাল
ভূমিকম্পের প্রলয়-লীলায় সব হ’ল ছারখার; ভিক্ষার ঝুলি ছাড়া আজ ভাই সম্বল নাহি আর। ভিক্ষা দাও গো ভিক্ষা দাও, কাঁদন কি ঐ শুনিতে পাও — বিত্তবিহীন চিত্ত ভরিয়া সকরুণ হাহাকার।। সারা জীবনের শ্রম-সঞ্চিত সম্পদ হ’তে হ’য়ে বঞ্চিত রিক্ত হস্ত জনগণ হের ফিরিতেছে দ্বার দ্বার। তোমার ক্ষুধার অন্নে আছে এ ক্ষুধিতের অধিকার।। আর্ত বিহারী তরে এ ভিক্ষা নহে হে বন্ধু, করে প্রতীক্ষা, দ্বারে তব দীন পীড়িত মানুষ প্রার্থনা সবাকার। এই পীড়িতেরে ফিরাতে কে পারে, রুধিবে কে আজি দ্বার।। আজ যাহা দিবে সম্বলহীনে ফিরায়ে তা পাবে তব দুর্দিনে, ঐশ্বর্যের পরিণতি হের সমুখে তব বিহার। ভিক্ষার ঝুলি ভরিয়া হে দাতা বর লহ বিধাতার।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

হেলে দুলে নীর ভরণে ও-কে যায়। (কিশোরী) ছল ক’রে কলসী নাচায়।। দুলে দোদুল তনু-লতা, বাহু দোলে, দুলে অঞ্চল চঞ্চল বায়। দুলে বেণী, দুলে চাবি আঁচলায়।। নাচে জল-তরঙ্গে তটিনী রঙ্গে জলদ্ দাদ্রা বাজায়, (তার পায়) মম পরান নূপুর হতে চায়।।
রাগঃ বেহাগ–খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।। দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে অটল রহি যেন সম্মানে যশে তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।। মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ! অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ! বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী, ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী, হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।
রাগঃ লাচ্ছাশাখ
তালঃ ত্রিতাল
