বাণী
কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন প্রেম-যমুনা আজি হলো অধীর দোলে টলমল রহে না স্থির।। মানে না বারণ উথলে বারি ভাসালো কুললাজ রুধিতে নারি সখি ডাক শুনেছে সে কার মুরলীল।।
নাটকঃ ‘সিরাজদ্দৌলা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শেষ হ’ল মোর এ জীবনে ফুল ফোটাবার পালা। ওগো মরণ, অর্ঘ্য লহ সেই কুসুমের ডালা।। কাটলো কীটে ঝরলো যে-ফুল শুকালো যে আশার মুকুল, তাই দিয়ে হে মরণ তোমার গেঁথেছি আজ মালা।। সুন্দর এই ধরণীতে কতই ছিল সাধ বাঁচিতে, হঠাৎ তোমার বাজলো বেণু বিদায়-করুণ ভৈরবীতে। তোমার আঁধার-শান্ত কোলে শ্রান্ত তনু পড়ুক ঢ’লে, আর সহে না কুসুম-বিহীন কন্টকের জ্বালা।।
রাগঃ জৌনপুরী-টোড়ি
তালঃ দাদ্রা

সো’জা সো’জা সো’জা জগ নরনারী বাদল গ্যর্যজো বিজলি চ্যম্যকে র্যজ্যনী হো রহ্ আঁধিয়ারী।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

তুমি অনেক দিলে খোদা, দিলে অশেষ নিয়ামত — আমি লোভী, তাইতো আমার মেটে না হসরত।। কেবলই পাপ করি আমি — মাফ করিতে তাই, হে স্বামী, দয়া করে শ্রেষ্ঠ নবীর করিলে উম্মত। তুমি নানান ছলে করছ পূরণ ক্ষতির খেসারত।। মায়ের বুকে স্তন্য দিলে, পিতার বুকে স্মেহ; মাঠে শস্য ফসল দিলে আরাম লাগি' গেহ। ঈদের চাঁদের রং মশালে রঙীন বেহেশ্ত পথ দেখালে আখেরেরই সহায় দিলে আখেরী হজরত। তুমি আজান দিলে না ভুলিতে মসজিদেরই পথ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নাচে শ্যাম সুন্দর গোপাল নটবর সুঠাম মনোহর মধুর ভঙ্গে ঘিরি' সে চরণ ঘুরিছে অগণন গ্রহ-তারা গোপী সম রঙ্গে।। হেরিয়া তাহারি নৃত্যের হিল্লোল পবন উন্মন সাগরে জাগে দোল সে নাচে বিবশ নিশীথ দিবস জাগে হিন্দোল আলো-আঁধার তরঙ্গে।। সে নাচে বৃষ্টি হয় কোটি সৃষ্টি নির্ঝর সম ঝরে ছন্দ সে নাচ হেরিয়া বন্ধন টুটে গো জাগে অনন্ত আনন্দ। ষড় ঋতু ঘুরে' ঘুরে' হেরে সেই নৃত্য প্রেমাবেশে মাতোয়ারা নিখিলের চিত্ত তাই এ ত্রিভুবন হলো না রে পুরাতন পেল চির-যৌবন নাচি' তারি' সঙ্গে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ এসো এসো পথ ভোলা, সবাই দুয়ার বন্ধ করেছে (আছে) আমার দুয়ার খোলা।। সৃষ্টি ডুবায়ে ঝরুক বৃষ্টি, ঘন মেঘে ঢাকো সবার দৃষ্টি, ভুলিয়া ভুবন দুলিব দু'জন গাহি' প্রেম হিন্দোলা।। সব পথ যবে হারাইয়া যায় দুর্দিনে মেঘে ঝড়ে, কোন পথে এসে সহসা সেদিন দোলো মোরে বুকে ধ'রে। নিরাশা-তিমিরে ঢাকা দশ দিশি, এলো যদি আজ মিলনের নিশি, আষাঢ়-ঝুলনা বাঁধিয়া শ্রীহরি দাও দাও মোরে দোলা।।
গীতি-আলেখ্য: ‘হিন্দোলা’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
