Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে

বাণী

চাঁদ হেরিছে চাঁদ–মুখ তার সরসীর আরশিতে।
ছুটে তরঙ্গ বাসনা–ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।।
হেরিছে রজনী – রজনী জাগিয়া
চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া,
কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া
		কুমুদীরে কাঁদাইতে।।
না জানি সজনী কত সে রজনী কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া,
হেরেছে শশীরে সরসী–মুকুরে ভীরু ছায়া–তরু কাঁপিয়া।
কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী
চির–বিরহিণী রোহিণী ভরণী
অবশ আকাশ বিবশা ধরণী
		কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর

বাণী

মোর		ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম।
		শ্রাবণ-মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম
			(ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।।
শিয়রে		বসি চুপি চুপি চুমিলে নয়ন
মোর		বিকশিল আবেশে তনু নীপ-সম, নিরুপম, মনোরম।।
মোর		ফুলবনে ছিল যত ফুল
			ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর
হায়		নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল,
			নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম-ডোর।
স্বপনে		কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’
জাগিয়া	কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।।

এসো ঠাকুর মহুয়া বনে ছেড়ে বৃন্দাবন

বাণী

	এসো ঠাকুর মহুয়া বনে ছেড়ে বৃন্দাবন,
	ধেনু দেব বেণু দেব মালা চন্দন॥
	কেঁদে কেঁদে কয়লা খাদে যমুনা বহাব;
	পলাশ বনে জাগরণে নিশি পোহাব
	রাধা হয়ে বাঁধা দেব আমর প্রাণ মন॥
মোর	নটকান রঙ শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে,
	পীত ধড়া পরাব, নীল অঙ্গ ঘিরে।
	পিয়াল ডালে দোলনা বেঁধে দুলিব দুজন॥
	ভাসুর-শ্বশুর দ্যাখে যদি করব নাকো লাজ
	বলব আমার শ্যামের বাঁশি বাজ রে আবার বাজ
শ্যাম	তোমার লাগি জাতি কুল দিব বিসর্জন।।

কার অনুরাগে শ্রী-মুখ উজ্জ্বল

বাণী

কার অনুরাগে শ্রী-মুখ উজ্জ্বল!
কার সঙ্গে মধুনিশি যাপিলে চঞ্চল।।
	তব আঁখি মনোহর
	যুগল নিষাদ শর,
প্রখর সে-আঁখি কেন সকরুণ ছলছল।।
যে পায়ের নূপুর শুনি’ কুহু পঞ্চমে বোলে,
হে নিপট, চঞ্চল সে-পা কেন নাহি চলে।
	কোন্ ধনি দিল বঁধূ
	সুর-গরল মধু,
কোন্ সুধা মাগি’ রস-নিধি হইলে বিফল।।

বিদেশিনী বিদেশিনী চিনি চিনি

বাণী

বিদেশিনী বিদেশিনী চিনি চিনি
ঐ চরণের নূপুর রিনিঝিনি॥
দীপ জেগে ওঠে পাথার জলে তোমার চরণ-ছন্দে,
নাচে গাঙচিল সিন্ধু-কপোত তোমারি সুরে আনন্দে।
মুকুতা কাঁদিছে হার্‌ হ’তে ওগো তোমার বেণীর বন্ধে।
মলয়ে শুনেছি তোমার বলয় চুড়ির রিনিঠিনি॥
সাগর-সলিল হয়েছে সুনীল তোমার তনুর বর্ণে,
তোমার আঁখির আলো ঝলমল দেবদারু তরু-পর্ণে।
অস্ত-তপন হয়েছে রঙিন তোমার হাসির স্বর্ণে
শঙ্খ-ধবল বেলাভূমে খেল সাগর-নটিনী॥

আজ শেফালির গায়ে হলুদ

বাণী

আজ শেফালির গায়ে হলুদ
	উলু দেয় পিক পাপিয়া।
প্রথম প্রণয়-ভীরু বালা
	লাজে ওঠে কাঁপিয়া।।
বনভূমি বাসর সাজায়
	ফুলে পাতায় লালে নীলে,
ঝরে শিশির আশিস-বারি
	গগন-ঝারি ছাপিয়া।।
বৃষ্টি-ধোওয়া সবুজ পাতার
	শাড়ি করে ঝলমল,
ননদিনী ‘বৌ কথা কও’
	ডাকে আড়াল থাকিয়া।।
দেখতে এলো দিগ্‌বালিকা	
	সাদা মেঘের রথে ঐ,
শরৎ-শশীর মঙ্গল-দীপ
	জ্বলে গগন ব্যাপিয়া।।
অতীত্ প্রণয়-স্মৃতি স্মরি’
	কেঁদে যায় আশিন-হাওয়া,
উড়ে বেড়ায় বর সে ভ্রমর
	কমল-পরাগ মাখিয়া।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan