বাণী

এলো রে শ্রী দুর্গা
শ্রী আদ্যাশক্তি মাতৃরূপে পৃথিবীতে এলো রে
গভীর স্নেহরস ধারায় কল্যাণ কৃপা করুণায় স্নিগ্ধ করিতে॥
উর্ধ্বে উড়ে যায় শান্তির পতাকা
শুভ্র শান্ত মেঘ আনন্দ বলাকা
মমতার অমৃত লয়ে শ্যামা, মা হয়ে এলো রে
সকলের দুঃখ দৈন্য হরিতে॥
প্রতি হৃদয়ের শতদলে শ্রীচরণ ফেলে
বন্ধন কারার দুয়ার ঠেলে।
এলো রে দশভুজা সর্বমঙ্গলা মা হয়ে
দুর্বলে দুর্জয় করিতে নিরন্নে অন্ন দিতে॥

বাণী

তুই কে ছিলি তাই বল?
কোন কাননের পুষ্পরানী কোন সরসীর জল।।
তুই কি ছিলি কবিতা আর আমি চরণ তা'রি
তুই কি ছিলি পিয়াসি শুক আমি আতুর সারী
তুই কি দুঃখী দুয়োরানী আমি চোখের জল।।
	কোন বরষার সিক্ত প্রাতে
	কোন শরতের জোছনা রাতে
কোন জগতের অরুণ ঊষার প্রথম দেখা বল।।
নতুন মোদের নতুন ক'রে পরিচয়ের পালা
কন্ঠে মোদের মিলন-বাণী হাতে মিলন-মালা
মোরা এক বিরহীর দু'টি চোখের ঝরা দু'টি মুক্তাফল।।

বাণী

ফিরিয়া এসো এসো হে ফিরে
বঁধু এ ঘোর বাদলে নারি থাকিতে একা।
হায় গগনে মনে আজি মেঘের ভিড়
	যায় নয়ন-জলে মুছে কাজল-লেখা।।
ললাটে কর হানি’ কাঁদিছে আকাশ
শ্বসিছে শন-শন হুতাস বাতাস।
তোমারি মত ঝড় হানিছে দ্বারে কর,
	খোঁজে বিজলি তোমারি পথ-রেখা।।
মেঘেরে সুধাই তুমি কোথায়
কাঁদন আমার বাতাসে ডুবে যায়!
ঝড়ের নূপুর পরি’ রাঙা পায়
	শ্যামল-সুন্দর দাও দেখা।।

বাণী

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্‌মিল্‌কে এয় বনমালী।
আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্‌কে এয় বনমালী॥
মুঝ্‌কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্‌মে তেরা উজালা
তু মুঝ্‌কো ধূল সমঝ্‌কে, লে লে চরণ মে আপ্‌নে
তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্‌জিল্‌ কে এয় বনমালী॥
তু হামকো খাক্‌ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া
কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ
খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥

বাণী

মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে।
তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।।
	ওরে গোলাপ নিরিবিলি
	নবীর কদম ছুঁয়েছিলি —
তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।।
	মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে
	তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে,
ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।।
	ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম
	চুমেছিলি তাঁহার কদম,
গুন্‌গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্‌ রে গুল্‌বাগে।।

বাণী

কারার ঐ লৌহ-কপাট
ভেঙ্গে ফেল্ কর্‌ রে লোপাট রক্ত-জমাট
শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী!
ওরে ও তরুণ ঈশান!
বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান
উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥
গাজনের বাজনা বাজা!
কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা
মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে?
হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী —
শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে?
ওরে ও পাগ্‌লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা
জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে।
মার্‌ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক
মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥
নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি?
দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’।
লাথি মার, ভাঙ্‌রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় —
আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥

সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’