তেমনি চাহিয়া আছে

বাণী

তেমনি চাহিয়া আছে নিশীথের তারাগুলি।
লতা-নিকুঞ্জে কাঁদে আজও বন-বুলবুলি —
	ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।।
ঘুমায়ে পড়েছে সবে, মোর ঘুম নাহি আসে
তুমি যে ঘুমায়ে ছিলে সেদিন আমার পাশে,
সাজানো সে-গৃহ তব ঢেকেছে পথের ধূলি —
	ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।।
আমার চোখের জলে মুছে যায় পথ-রেখা
রোহিণী গিয়াছে চলি’, চাঁদ কাঁদে একা একা,
কোন্ দূর তারা-লোকে কেমনে রয়েছে ভুলি’ —
	ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তমা।।

মাদল বাজিয়ে এলো বাদলা মেঘ

বাণী

মাদল বাজিয়ে এলো বাদলা মেঘ এলোমেলো
মাতলা হাওয়া এলো বনে।
ময়ূরী নাচে কালো জামের গাছে
পিয়া পিয়া বন-পাপিয়া
ডাকে গো আপন মনে।।
বেত-বনের আড়ালে ডাহুকী ডাকে,
ডাকে না এমন দিনে কেহ আমাকে,
বেণীর বিনুনী খুলে পড়ে
একলা মন টেকে না ঘরের কোণে।।
জঙ্গল পাহাড় কাঁপে বাজের আওয়াজে,
বুকের মাঝে তবু নূপুর বাজে।।
ঝিঁঝিঁ তার ডাক ভুলে
ঝিম্ ঝিম্ ঝিম্ বৃষ্টির বাজ্‌না শোনে।।

খোদা এই গরীবের শোন শোন মোনাজাত

বাণী

খোদা এই গরীবের শোন শোন মোনাজাত।
দিও তৃষ্ণা পেলে ঠান্ডা পানি ক্ষুধা পেলে লবণ-ভাত।।
		মাঠে সোনার ফসল দিও,
		দিও গৃহ ভরা বন্ধু প্রিয়, দিও
হৃদয় ভরা শান্তি দিও – (খোদা) সেই তো আমার আবহায়াত।।
আমায় দিয়ে কারুর ক্ষতি হয় না যেন দুনিয়ায়,
আমি কারুর ভয় না করি, মোরেও কেহ ভয় না পায়, খোদা।
(যবে)	মস্‌জিদে যাই তোমারি টানে
(যেন)		মন নাহি ধায় দুনিয়া পানে
আমি ঈদের চাঁদ দেখি যেন আস্‌লে দুখের আঁধার রাত।।

পল্লু ছোড়ো সাজান ঘর যানা

বাণী

পল্লু ছোড়ো সাজান ঘর যানা রে
জারা ন্যায়নো সে ন্যায়না মিলানা রে।
মাটি পরে শরাবো সে পিনেসে গাগারিয়া
সুবাহ হো গ্যায়ি করুঁ কিয়া বাহানা রে।।
বড়া পেয়ার হ্যায় তু্নে পানঘাটসে আনে কা
জারা ধীরে সে বীণ বাজানা রে।।
সাড়ি তেরি হ্যায় পল রাঙ্গীন আঁখিয়া টুটেগা
জারা সিনে সে আঁচাল হাঠানা রে।।

হয়ত আমার বৃথা আশা তুমি ফিরে আসবে না

বাণী

হয়ত আমার বৃথা আশা তুমি ফিরে আসবে না।
আশা-তরী ডুববে কূলে দুখের স্রোতে ভাসবে না।।
	হয়তো তুমি এমনি ক'রে
	পথ চাওয়াবে জনম ভ'রে
রইবে দূরে চিরতরে সামনে এসে হাসবে না।।
কামনা মোর রইলো মনে রূপ ধ'রে তা উঠলো না;
বারে বারে ঝরলো মুকুল ফুল হয়ে তা ফুটলো না।
	অবুঝ এ প্রাণ তবু কেন
	তোমার ধ্যানেই বিভোর হেন
তুমি চির চপল নিঠুর - জানি, ভালোবাসবে না।।

ইয়া রাসুলুল্লাহ মোরে রাহ্ দেখাও

বাণী

ইয়া রাসুলুল্লাহ! মোরে রাহ্ দেখাও সেই কাবার।
যে কাবা মসজিদে গেলে পাব আল্লার দিদার।।
দ্বীন দুনিয়া এক হয়ে যায় যে কাবার ফজিলতে,
যে কাবাতে হাজি হ’লে রাজি হন পরওয়ারদিগার।।
যে কাবার দুয়ারে জামে তৌহিদ দেন হজরত আলী,
যে কাবায় কুল্-মাগফেরাতে কর তুমি ইন্তেজার।।
যে কাবাতে গেলে দেখি আরশ কুর্সি লওহ কালাম,
মরণে আর ভয় থাকে না, হাসিয়া হয় বেড়া পার।।