তোমার নাম নিয়ে খোদা আমি যে কাজ করি

বাণী

		তোমার নাম নিয়ে খোদা আমি যে কাজ করি।
		আমার তা’তে নাই লাজ ভয় মরি কিম্বা তরি।।
		আমার ভালো মন্দ তুমি খোদা জানো,
(তাই)	দুখের শমন দিয়ে এমন বুকের কাছে টানো, (খোদা)
(আমি)	দুঃখ দেখে তোমার থেকে না যেন যাই সরি’।।
		সুখ-দুঃখ যশ নিন্দা মান ও অপমান
		আমার ব’লে নাইতো কিছু সবই তোমার দান,
(যত)		বাইরে আঘাত আসে তত তোমায় যেন ধরি।।
(এই)		ফেরেববাজীর দনিয়া ভরা কেবল মায়া ফাঁকি
(তাই)	তোমার নামের বাতি জ্বেলে বুকের কাছে রাখি,
		ঐ নামের আঁচের আমি যেন মোমের মত ঝরি।
খোদা		তোমার প্রেমে গ’লে যেন মোমের মত ঝরি।।

তোমার মনে ফুট্‌বে যবে প্রথম মুকুল

বাণী

তোমার মনে ফুট্‌বে যবে প্রথম মুকুল
প্রিয় হে প্রিয় আমারে দিও সে প্রেমের ফুল।।
	দীরঘ বরষ মাস তাহারই আশে
	জাগিয়া রব তব দুয়ার পাশে
বহিবে কবে ফুল-ফোটানো দখিনা বাতাস অনুকূল।।
আর কারে দাও যদি আমার সে ধ্যানের কুসুম
ক্ষতি নাই, ওগো প্রিয়, ভাঙুক, এ অকরুণ ঘুম।
	গুঞ্জরি’ গুঞ্জরি’ ভ্রমর সম
	কাঁদিব তোমারে ঘিরি’, প্রিয়তম।
হুতাস বাতাস সম কুসুম ফুটায়ে চলে যাব দূরে বেভুল।।

হৃদি-পদ্মে চরণ রাখো বাঁকা ঘনশ্যাম

বাণী

নারদ	:	হৃদি-পদ্মে চরণ রাখো বাঁকা ঘনশ্যাম।
ধ্রুব	:	বাঁকা শিখী-পাখা নয়ন বাঁকা বঙ্কিম ঠাম॥
নারদ	:	তুমি দাঁড়ায়ো ত্রিভঙ্গে!
ধ্রুব	:	অধরে মুরলী ধরি দাঁড়ায়ো ত্রিভঙ্গে॥
নারদ	:	সোনার গোধূলি যেন নিবিড় সুনীল নভে
		পীতধড়া প’রো কালো অঙ্গে (হরি হে)
ধ্রুব	:	নীল কপোত সম চরণ দুটি
		নেচে যাক অপরূপ ভঙ্গে (হরি হে)
উভয়	:	যেন নূপুর বাজে
		হরি সেই পায়ে যেন নূপুর বাজে।
		বনে নয় শ্যাম মনোমাঝে যেন নূপুর বাজে।
		ঐ চরণে জড়ায়ে পরান আমার
		(যেন) মঞ্জির হয়ে বাজে॥

চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’ (ধ্রুব ও নারদের গান)

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল

বাণী

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল, দুলায়ে মেঘলা চাঁচর চুল
চপল চোখে কাজল মেঘে আসিল কে।।
		বাজায়ে মেঘর মাদল
		ভাঙালে ঘুম ছিটিয়ে জল,
একা-ঘরে বিজলিতে এমন হাসি হাসিল কে।।
	এলে কি দুরন্ত মোর ঝোড়ো হাওয়া,
	চির-নিঠুর প্রিয় মধুর পথ-চাওয়া।
		হৃদয়ে মোর দোলা লাগে
		ঝুলনেরই আবেশ জাগে,
ফেলে-যাওয়া বাসি মালায় — আবার ভালোবাসিল কে।।

একাদশীর চাঁদ রে ওই রাঙা মেঘের পাশে

বাণী

একাদশীর চাঁদ রে ওই রাঙা মেঘের পাশে
যেন কাহার ভাঙা কলস আকাশ গাঙে ভাসে।।
	সেই কলসি হতে ধরার ’পরে
	অঝোর ধারায় মধু ঝরে রে
দলে দলে তাই কি তারার মৌমাছিরা আসে।।
সেই মধু পিয়ে ঘুমের নেশায় ঝিমায় নিশীথ রাতি
বন-বধূ সেই মধু ধরে ফুলের পাত্র পাতি’।
	সেই মধু এক বিন্দু পিয়ে
	সিন্ধু ওঠে ঝিলমিলিয়ে রে
সেই চাঁদেরই আধখানা কি তোমার মুখে হাসে।।

এ ঘনঘোর রাতে

বাণী

এ ঘনঘোর রাতে
ঝুলন দোলায় দুলিবে মম সাথে।।
এসো নব জলধর শ্যামল সুন্দর
জড়ায়ে রাধার অঙ্গ বাঁশরি লয়ে হাতে।।