বাণী
মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ
ভিডিও
স্বরলিপি

মাকে আমার এলাম ছেড়ে মা অভয়া, মাকে দেখো। মোর তরে মা কাঁদে যদি তুমি তাকে ভুলিয়ে রেখো।। মায়ের যে বুক শূন্য ক’রে এলাম আমি দেশান্তরে শূন্য করে সেই খালি বুক মহামায়া তুমি থেকো।।
নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’
রাগঃ
তালঃ ত্রিমাত্রিক ছন্দ

তুমি দুখের বেশে এলে বলে ভয় করি কি হরি। দাও ব্যথা যতই তোমায় ততই নিবিড় করে ধরি। আমি ভয় করি কি হরি।। আমি শূন্য করে তোমার ঝুলি দুঃখ নেব বক্ষে তুলি, আমি করব দুঃখের অবসান আজ সকল দুঃখ বরি।। কত সে মন কত কিছুই হজম করে ফেলি নিতুই, এক মনই তো দুঃখ দেবে তারে নাহি ডরি।। তুমি তুলে দিয়ে সুখের দেয়াল, ছিলে আমার প্রাণের আড়াল, আজ আড়াল ভেঙে দাঁড়ালে মোর সকল শূন্য হরি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ফুল-কিশোরী! জাগো জাগো, নিশি হ’ল ভোর। দুয়ারে দখিন-হাওয়া — খোলো খোলো পল্লব-দোর।। জাগাইয়া ধীরে ধীরে যৌবন তনু-তীরে, চ’লে যাবে উদাসী কিশোর।। চিনি গো দেবতা চিনি ও নূপুর-রিনিঝিনি,১ ভেঙো না ভেঙো না ঘুম-ঘোর, মধু মাসে আসে সে যে ফুলবাস-চোর। প্রভাতে ফুটায়ে আঁখি নিশীথে বহাবে আঁখি-লোর।।
নাটক : ‘আলেয়া’
১. চিনি ও-নিঠুরে চিনি পায়ে দ’লে মন জিনি’
রাগঃ জৌনপুরী
তালঃ দাদ্রা

ঠাকুর! তেমনি আমি বাঘা তেঁতুল (তুমি) যেমন বুনো ওল। তোমার কুলের কথা (গোকুলের কথা) রটিয়ে দোবো বাজিয়ে ঢাক ঢোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।। কেঁদে হেঁই হেঁই যে করে, তার তরে তোমার প্রেম নেই, তুমি আয়ান ঘোষকে দেখা দিলে দেখলে লাঠি যেই। সেদিনও নদীয়াতে কল্সি কানার এক ঘায়েতে পাপ নিয়ে জগাই মাধাই-এ দিলে তুমি কোল, বাজিয়ে শ্রীখোল।। ঐ অগ্রদ্বীপে ভোগ দিল না গোবিন্দ ঘোষ, তারে বাবা ব’লে করলে আপোষ; বাগবাজারে ধমক খেয়ে সাজ্লে তামাক মদ্না হয়ে বদ্লে ফেলে ভোল, ঠাকুর বাজিয়ে শ্রীখোল।। ভালো চাও ত’ শুনিয়ো নূপুর, রাত্রি দুপুর কালে, মন্দিরে মোর নেই অধিকার এসো ঘরের চালে – আমার ভাঙা কুঁড়ের চালে। জান আমি ভীষণ গোঁয়ার, ধার ধারি না ভক্তি ধোঁয়ার ধরব যেদিন বুঝবে ইয়ে, চাঁচর কেশ মুড়িয়ে ঢাল্ব মাথায় ঘোল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কোন্ কুসুমে তোমায় আমি পূজিব নাথ বল বল। তোমার পূজার কুসুম-ডালা সাজায় নিতি বনতল।। কোটি তপন চন্দ্র তারা খোঁজে যা’রে তন্দ্রাহারা, খুঁজি তা’রে ল’য়ে আমার, ক্ষীণ এ-নয়ন ছলছল।। বিশ্ব-ভুবন দেউল যাহার কোথায় রচি মন্দির তাঁর, লও চরণে ব্যথায়-রাঙা আমার হৃদয়-শতদল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
জ্যোতির্ময়ী মা এসেছে আঁধার আঙিনায়। ভুবনবাসী ছেলেমেয়ে আয় রে ছুটে আয়॥ আনন্দ আজ লুট হতেছে কে কুড়াবি আয়, আনন্দিনী দশভূজা দশ হাতে ছড়ায়, মা অভয় দিতে এলো ভয়ের অসুর’ দ’লে পায়॥ বুকের মাঝে টইটম্বুর ভরা নদীর জল, ওরে দুলছে টলমল, ওরে করছে ঝলমল। ঝিলের জলে ফুটল কত রঙের শতদল ছুঁতে মায়ের পদতল। দেব সেনারা বাইচ্ খেলে রে আকাশ গাঙের স্রোতে, সেই আনন্দে যোগ দিবি কে? আয় রে বাহির পথে, আর দেব না যেতে মাকে রাখব ধ’রে পায় মাতৃহারা মা পেলে কি ছাড়তে কভু চায়॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
