খোদা এই গরীবের শোন শোন মোনাজাত

বাণী

খোদা এই গরীবের শোন শোন মোনাজাত।
দিও তৃষ্ণা পেলে ঠান্ডা পানি ক্ষুধা পেলে লবণ-ভাত।।
		মাঠে সোনার ফসল দিও,
		দিও গৃহ ভরা বন্ধু প্রিয়, দিও
হৃদয় ভরা শান্তি দিও – (খোদা) সেই তো আমার আবহায়াত।।
আমায় দিয়ে কারুর ক্ষতি হয় না যেন দুনিয়ায়,
আমি কারুর ভয় না করি, মোরেও কেহ ভয় না পায়, খোদা।
(যবে)	মস্‌জিদে যাই তোমারি টানে
(যেন)		মন নাহি ধায় দুনিয়া পানে
আমি ঈদের চাঁদ দেখি যেন আস্‌লে দুখের আঁধার রাত।।

বাসন্তী রং শাড়ি প’রো খয়ের রঙের টিপ্‌

বাণী

বাসন্তী রং শাড়ি প’রো খয়ের রঙের টিপ্‌।
সাঁঝের বেলায় সাজবে যখন জ্বাল্‌বে যখন দীপ্॥
	দুলিয়ে দিও দোলন্ খোঁপায়
	আমের মুকুল বকুল চাঁপায়,
মেখ্‌লা ক’রো কটি-তটে শিউরে-ওঠা নীপ্॥
কর্ণ-মূলে দুল দুলিও দুলাল চাঁপার কুঁড়ি,
বন্-অতসীর কাঁকন প’রো, কনক-গাঁদার চুড়ি।
	আধখানা চাঁদ গরব ভরে
	হাসে হাসুক আকাশ ’পরে,
তুমি বাকি আধখানা চাঁদ ধরার মণি-দীপ্॥

রে অবোধ শূন্য শুধু শূন্য

বাণী

রে অবোধ!		শূন্য শুধু শূন্য ধূলো মাটির ধরা।
শূন্য ঐ		অসীম আকাশ রংবেরং-এর খিলান-করা।।
হাওয়াতে		শূন্য নিমেষ নিমেষে যার হ’য়ে শেষ।
এসেছি		পথিক এ পর-দেশ জীবন-মৃত্যু ভরা।।
হুরী আর		গানের প্রিয়া, সাথে তার শারাব নিয়া
চল ঐ		সবুজ-বিথার ঝর্না-কিনার গোলাব-ঝরা।।
এর অধিক		সুখের বিলাস স্বরগে করিসনে আশ
সে স্বরগ		নাই রে কোথাও এমন উধাও দুখ্-পসরা।।

খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে

বাণী

খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
	শূন্যে মহা আকাশে
	মগ্ন লীলা বিলাসে,
ভাঙিছ গড়িছ নিতি ক্ষণে ক্ষণে।।
তারকা রবি শশী খেলনা তব, হে উদাসী,
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে রাশি রাশি।
	নিত্য তুমি, হে উদার
	সুখে দুখে অবিকার,
হাসিছ খেলিছ তুমি আপন মনে।।

আমি গত জনমে হে প্রিয়

বাণী

আমি গত জনমে, হে প্রিয়, যত কথা বলেছিনু তব কাছে।
ফুল হয়ে সেই কথা আজ পৃথিবীতে ফুটিয়াছে।।
	কাঁদিয়া কাঁদিয়া যত আঁখি মম
	নিভিয়া গিয়াছে ওগো প্রিয়তম
তারা হয়ে সেই আঁখিগুলি মোর তব পথ চেয়ে আছে।।
যত দীপ জ্বেলে নিশি জেগেছিনু একা বাতায়ন তলে,
কমল কুমুদ হয়ে সেই দীপ ফুটেছে সায়র জলে।
	চকোরিনী হয়ে অপূর্ণ সাধ
	আজো কেঁদে যায় ওগো মোর চাঁদ,
চাতকিনী হয়ে আজো মোর প্রাণ তৃষ্ণার জল যাচে।।

চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা

বাণী

কোরাস্	:	চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক।
			চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক।
			ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে,
			কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে।
পুরুষ কন্ঠ	:	সহিব না আজ এই অবিচার —
কোরাস্	:	খুলিয়াছে আজি চোখ॥
			প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয়
			আজি এই কথা যেন কয় —
			মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয় ?
			হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল,
			সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল।
পুরুষ কন্ঠ	:	আমরা আনিব অভেদ ধর্ম —
কোরাস্	:	নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক॥