বাণী
বরণ করেছি তারে সই বারণ ক’রো না মরম সঁপেছি তারে নিতে মরণ যাতনা।। গোপনে সঁপেছি মন গোপনে করি যতন, কাঁদে প্রাণ তারি তরে, মিলিতে বাসনা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

বরণ করেছি তারে সই বারণ ক’রো না মরম সঁপেছি তারে নিতে মরণ যাতনা।। গোপনে সঁপেছি মন গোপনে করি যতন, কাঁদে প্রাণ তারি তরে, মিলিতে বাসনা।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

মাঠে আমার ফল্ল ফসল মনের ফসল কই শূন্য মনে আল্লা তোমার পানে চেয়ে রই।। আরব মরুভূমে নবীজীরে পাঠাইলে আমার মনের মরুভূমি বিফল রাখিলে, গরীব ব’লে আমি কি গো বান্দা তব নই।। চাই না যশ মান আমি চাহি না দৌলৎ, আমি চাহি শুধু — তোমার নামেরি সরবত যে যাহা চায় তুমি নাকি তারে তাহাই দাও আমার মানত পূর্ণ ক’রে পরান বাঁচাও, আমি যেন আল্লা নামের তস্বি শুধু বই।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া আসা। ঝরা পাতায় বাজে মৃদুল তাহার পায়ের ভাষা।। আসার কথা জানায় ঐ যে ফুলের আখর সবুজ পাতায়, ঐ দোয়েল শ্যামার কূজন কয় যে বাণী ঐ ঐ তার ভালোবাসা।। মদির সমীরণে তনুর সুবাস পাই যে ক্ষণে ক্ষণে, সবুজ বসন ফেলি’ পরল ঐ বন কুস্মী রাঙা চেলি। তাই বসুন্ধরায় জাগে অরুণ আশা — ঐ ঐ যে আলোকের পিপাসা।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

শ্যামা তোর নাম যার জপমালা তার কি মা ভয় ভাবনা আছে। দুঃখ-অভাব-রোগ-শোক-জরা লুটায় মা তার পায়ের কাছে॥ যার চিত্ত নিবেদিত তোর চরণে ওমা কি ভয় তাহার জীবনে মরণে। যেমন খেলে শিশু মায়ের সম তোর অভয় কোলে সে তেমনি নাচে॥ রক্ষামন্ত্র যার শ্যামা তোর নাম, সকল বিপদ তারে করে প্রণাম। সদা প্রসন্ন মন তার ধ্যানে মা তোর, ভূমানন্দে মা গো রহে সে বিভোর। তার নিকটে আসিতে নারে কালো কঠোর তব নাম প্রসাদ সে লভিয়াছে॥
রাগঃ মিশ্র বাগেশ্রী
তালঃ ত্রিতাল

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন তুম ব্যনে বনওয়ারী। ছিন লিয়ে হ্যয় গদা-পদম্ সব মিল করকে ব্রজনারী।। ছার ভুজা আব দো বনায়ে ছোড়কে বৈকুণ্ঠ ব্রিজ মে আয়ে, রাস রচায়ে ব্রিজ্কে মোহন ব্যন্ গ্যয়ে মুরলী-ধারী।। সত্যভামাকো ছোড়কে আয়ে রাধা প্যারী সাথমে লায়ে, বৈতরণী কো ছোড়কে ব্যন গ্যয়ে যমুনাকে তটচারী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

রস-ঘনশ্যাম-কল্যাণ-সুন্দর। প্রশান্ত সন্ধ্যার উদার শান্তি দাও — শ্রান্ত মনের ভার হর, হে গিরিধর।। যে নিবিড় সমাধির গভীর আনন্দে হিমালয় লীলায়িত নীরব ছন্দে, সেই মহাযোগে কর মোরে মগ্ন — যে মহাভাবে ভোর মৌন নীলাম্বর।। অপগত-দুখশোক নিশীথ সুষুপ্তির মাঝে, নিথর সিন্ধুর অতল তলে যে শান্ত বিরাজে। যে সুধা লভিয়া ঋষি মধুছন্দা আনিল বেদবাণী অলকানন্দা অন্তরে বাহিরে সেই অমৃত দাও — কর পুরুষোত্তম অজর অমর।।
রাগঃ শ্যাম-কল্যাণ
তালঃ ত্রিতাল
